আল্লাহর রাসূল ﷺ ‘ঈদুল ফিত্রের দিন কিছু খেজুর না খেয়ে বের হতেন না। তিনি তা বিজোড় সংখ্যায় খেতেন। -বুখারী ৯৫৩
নাবী ﷺ বিলাল (রাযি.)-কে সঙ্গে নিয়ে ‘ঈদুল ফিত্রের দিন বের হয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন। তিনি এর পূর্বে ও পরে কোন সালাত আদায় করেননি। -বুখারী ৯৮৯
নাবী ﷺ ‘ঈদের দিন (বাড়ী ফেরার পথে) ভিন্ন পথে আসতেন। -বুখারী ৯৮৬
উম্মু আতিয়্যাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (ঈদের দিন) আমাদেরকে বের হবার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। তাই আমরা ঋতুমতী, যুবতী এবং তাঁবুতে অবস্থানকারিণী নারীদেরকে নিয়ে বের হতাম। অতঃপর ঋতুমতী মহিলাগণ মুসলমানদের জামা‘আত এবং তাদের দু‘আয় অংশগ্রহণ করতেন। তবে ‘ঈদমাঠে পৃথকভাবে অবস্থান করতেন। -বুখারী ৯৮১
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ ﷺ যখন আমাদের মধ্যে ছিলেন, তখন আমরা ছোট ও বড় স্বাধীন ও ক্রীতদাস প্রত্যেকের পক্ষ হতে সাদাকাতুল ফিতর বাবদ এক সা' পরিমাণ খাদ্য অথবা এক সা' পনির অথবা এক সা' যব অথবা এক সা' খেজুর অথবা এক সা' কিশমিশ প্রদান করতাম। এভাবেই আমরা তা আদায় করতে থাকি। পরে মুআবিয়া ইবনু আবূ সুফিয়ান (রাঃ) হাজ্জ অথবা উমরার উদ্দেশ্যে যখন আমাদের নিকট আসলেন তখন তিনি মিম্বরে আরোহণ করে উপস্থিত লোকদের সাথে এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করলেন। আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি বললেন, আমার মতে সিরিয়ার দু’মুদ গম এক সা' খেজুরের সামান। লোকেরা তা গ্রহণ করে নিলেন। আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেন, আমি তো যত দিন জীবিত থাকব ঐভাবেই সাদাকাতুল ফিতর আদায় করব, যেভাবে আমি (পূর্বে) আদায় করতাম। -মুসলিম ২১৫৬
.
জনপ্রতি ফিতরা:
এক সা (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) যব/ খেজুর/ কিসমিস/ পনির বা গম/ আটা অথবা সমমূল্য।
.
ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিক হওয়ার পর মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ (৫২.৫ ভরি =595g =৬১২.৩৬ গ্রাম রূপার সমমূল্য) সম্পদের মালিক প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষের উপর সাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব। -দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম ৩১৪
.
নিজের এবং নিজের নাবালিগ সন্তানের পক্ষ হতে সাদাকায়ে ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। বালিগ সন্তানদের ফিতরা পিতার উপর ওয়াজিব নয়। কোন নাবালিগ মেয়েকেও যদি বিবাহ দিয়ে দেওয়া হয় আর সে তার স্বামীর খিদমত করার যোগ্য হয় তাহলে তার ফিতরা পিতার উপর ওয়াজিব হবে না। -ফাতাওয়ায়ে রাহমানিয়া ২:৫৮
.
تَقَبَّلَ اللّٰهُ مِنَّا وَ مِنۡكَ
আল্লাহ আমাদের ও আপনার পক্ষ হ’তে (সৎকর্মগুলো) কবুল করুন।
تَقَبَّلَ اللّٰهُ مِنَّا وَ مِنۡكُمۡ
আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের পক্ষ হ’তে (সৎকর্মগুলো) কবুল করুন।
.