নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসিত হয়েছিলেন- ‘কোন প্রকারের জীবিকা উত্তম?’ উত্তরে তিনি বললেন— নিজ হাতের কামাই এবং সৎ ব্যবসায়।
-বুলুগুল মারাম ৭৮২
.
নিজ হাতে উপার্জিত জীবিকার খাদ্যের চেয়ে উত্তম খাদ্য কখনো কেউ খায়না। আল্লাহর নাবী দাউদ (আলাইহিস সালাম) নিজ হাতে উপার্জন করে খেতেন।
-সহীহ বুখারী ১৯৪২
.
সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী নাবী, সিদ্দীক ও শহীদগণের সঙ্গে থাকবে।
-সূনান তিরমিজী ১২১২ (যঈফ)
.
বনূ আনমারের মাতা কাইলা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন উমরা আদায়কালে মারওয়া পাহাড়ের পাদদেশে আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি একজন ব্যবসায়ী নারী। আমি কোন জিনিস কিনতে চাইলে আমার ইপ্সিত মূল্যের চেয়ে কম দাম বলি। এরপর দাম বাড়িয়ে বলতে বলতে আমার ইপ্সিত মূল্যে গিয়ে পৌঁছি। আবার আমি কোন জিনিস বিক্রয় করতে চাইলে ইপ্সিত মূল্যের চাইতে বেশি মূল্য চাই। এরপর দাম কমাতে কমাতে অবশেষে আমার ইপ্সিত মূল্যে নেমে আসি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে কাইলা! এরূপ করো না। তুমি কিছু কিনতে চাইলে তোমার ইপ্সিত মূল্যই বলো, হয় তোমাকে দেয়া হবে নয় দেয়া হবে না। তিনি আরো বলেনঃ তুমি কোন কিছু বিক্রয় করতে চাইলে তোমার ইপ্সিত দামই চাও, হয় তুমি দিলে অথবা না দিলে।
-সুনানে ইবনে মাজাহ ২২০৪ (যঈফ)
.
এক সঙ্গে ঋণ ও বিক্রি হালাল নয়। এক বিক্রিতে দুই ধরণের শর্ত করা এবং যিমান’ বা লোকসানের দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত লাভ জাইয নয়। আর তোমার হাতে যা নেই তা বিক্রি করাও বৈধ নয়।
-সূনান তিরমিজী ১২৩৭; ইবনু মাজাহ ২১৮৮
.
তোমরা অগ্রগামী হয়ে কাফেলার সাথে মিলিত হয়ো না। যদি কেউ এরূপ অনুগামী হয়ে সাক্ষাত করে এবং তার থেকে (কোন বস্তু) খরিদ করে তবে মালিক (বিক্রিতা) বাজারে পৌঁছার পর (বিক্রয় বহাল রাখা বা বাতিল করার ব্যাপারে) তার ইখতিয়ার থাকবে।
-সহীহ মুসলিম ৩৬৮১
.
শহরের লোক গ্রামের লোকের পক্ষ হয়ে বিক্রয় করতে পারবে না। লোকেদের একজনের দ্বারা অপরজনের রিযকের যে সুবিধা আল্লাহ সৃষ্টি করে রেখেছেন সে ব্যবস্থা চালু থাকতে দাও।
-সহীহ মুসলিম ৩৬৮৪
.
কোন ভাইয়ের দরদাম করার সময় কেউ যেন দরদাম না করে।
-সহীহ মুসলিম ৩৬৭২
.
খরিদ করার ইচ্ছা ব্যতীত মুল্য বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে দাম বলতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।
-সহীহ মুসলিম ৩৬৭৬
.
যে ব্যক্তি ওলান ফুলান বকরী ক্রয় করবে, তিন দিন পর্যন্ত তার জন্য অবকাশ থাকবে। ইচ্ছা করলে রাখতে পারে, আর যদি ফেরত দেয় তবে সে সাথে এক সা' খেজুরও দিবে।
-সহীহ মুসলিম ৩৬৮৯
-বুলুগুল মারাম ৭৮২
.
নিজ হাতে উপার্জিত জীবিকার খাদ্যের চেয়ে উত্তম খাদ্য কখনো কেউ খায়না। আল্লাহর নাবী দাউদ (আলাইহিস সালাম) নিজ হাতে উপার্জন করে খেতেন।
-সহীহ বুখারী ১৯৪২
.
সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী নাবী, সিদ্দীক ও শহীদগণের সঙ্গে থাকবে।
-সূনান তিরমিজী ১২১২ (যঈফ)
.
বনূ আনমারের মাতা কাইলা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন উমরা আদায়কালে মারওয়া পাহাড়ের পাদদেশে আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি একজন ব্যবসায়ী নারী। আমি কোন জিনিস কিনতে চাইলে আমার ইপ্সিত মূল্যের চেয়ে কম দাম বলি। এরপর দাম বাড়িয়ে বলতে বলতে আমার ইপ্সিত মূল্যে গিয়ে পৌঁছি। আবার আমি কোন জিনিস বিক্রয় করতে চাইলে ইপ্সিত মূল্যের চাইতে বেশি মূল্য চাই। এরপর দাম কমাতে কমাতে অবশেষে আমার ইপ্সিত মূল্যে নেমে আসি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে কাইলা! এরূপ করো না। তুমি কিছু কিনতে চাইলে তোমার ইপ্সিত মূল্যই বলো, হয় তোমাকে দেয়া হবে নয় দেয়া হবে না। তিনি আরো বলেনঃ তুমি কোন কিছু বিক্রয় করতে চাইলে তোমার ইপ্সিত দামই চাও, হয় তুমি দিলে অথবা না দিলে।
-সুনানে ইবনে মাজাহ ২২০৪ (যঈফ)
.
এক সঙ্গে ঋণ ও বিক্রি হালাল নয়। এক বিক্রিতে দুই ধরণের শর্ত করা এবং যিমান’ বা লোকসানের দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত লাভ জাইয নয়। আর তোমার হাতে যা নেই তা বিক্রি করাও বৈধ নয়।
-সূনান তিরমিজী ১২৩৭; ইবনু মাজাহ ২১৮৮
.
তোমরা অগ্রগামী হয়ে কাফেলার সাথে মিলিত হয়ো না। যদি কেউ এরূপ অনুগামী হয়ে সাক্ষাত করে এবং তার থেকে (কোন বস্তু) খরিদ করে তবে মালিক (বিক্রিতা) বাজারে পৌঁছার পর (বিক্রয় বহাল রাখা বা বাতিল করার ব্যাপারে) তার ইখতিয়ার থাকবে।
-সহীহ মুসলিম ৩৬৮১
.
শহরের লোক গ্রামের লোকের পক্ষ হয়ে বিক্রয় করতে পারবে না। লোকেদের একজনের দ্বারা অপরজনের রিযকের যে সুবিধা আল্লাহ সৃষ্টি করে রেখেছেন সে ব্যবস্থা চালু থাকতে দাও।
-সহীহ মুসলিম ৩৬৮৪
.
কোন ভাইয়ের দরদাম করার সময় কেউ যেন দরদাম না করে।
-সহীহ মুসলিম ৩৬৭২
.
খরিদ করার ইচ্ছা ব্যতীত মুল্য বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে দাম বলতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন।
-সহীহ মুসলিম ৩৬৭৬
.
যে ব্যক্তি ওলান ফুলান বকরী ক্রয় করবে, তিন দিন পর্যন্ত তার জন্য অবকাশ থাকবে। ইচ্ছা করলে রাখতে পারে, আর যদি ফেরত দেয় তবে সে সাথে এক সা' খেজুরও দিবে।
-সহীহ মুসলিম ৩৬৮৯