প্রত্যেক সালাতের পর
.
রাসুলুল্লাহ ﷺ যখন তার সালাত শেষ করতেন, তখন তিনবার ইস্তিগফার করতেন (أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ) {আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ} [আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।] এবং বলতেন: (اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ) {আল্ল-হুম্মা আন্তাস সালা-ম, ওয়া মিনকাস্ সালা-ম, তাবা-রকতা ইয়া- যালজালা-লি ওয়াল ইকর-ম।} [হে আল্লাহ! আপনি শান্তিময় এবং আপনার থেকেই শান্তি। আপনি বরকতময় হে মহিমান্বিত ও সষ্মানিত।] -মুসলিম ১২১২
.
(اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِك) {আল্লাহুম্মা আইন্নী আলা যিক্রিকা ওয়া শুক্রিকা ওয়া হুস্নি ইবাদাতিক।} [হে আল্লাহ, আপনি আমাকে আপনার যিকর করতে, শুকর করতে এবং আপনার ইবাদত সুন্দরভাবে করতে তাওফীক ও ক্ষমতা প্রদান করুন।]
মুআয ইব্ন জাবাল (রাঃ) বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর হাত ধরে বলেন, হে মুআয! আল্লাহর শপথ, আমি তোমাকে ভালবাসি। অতঃপর তিনি ﷺ বলেনঃ আমি তোমাকে কিছু ওসয়িত করতে চাই; তুমি নামায পাঠের পর এটা কোন সময় ত্যাগ করবে না। -আবু দাউদ ১৫২২
.
প্রত্যেক সালাতের পর ১০ বার {সুবহানাল্লাহ}, ১০ বার {আলহামদুলিল্লাহ্} এবং ১০ বার {আল্লাহ আকবর}। এই আমল দ্বারা তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তীদের মর্যাদা অর্জন করতে পারবে, আর তোমাদের পরবর্তীদের চাইতে এগিয়ে যেতে পারবে, আর তোমাদের অনুরূপ আমল কেউ করতে পরেবে না, কেবলমাত্র যারা তোমাদের ন্যায় আমল করবে তারা ব্যতীত। -বুখারী ৫৮৯০
.
যে ব্যাক্তি প্রত্যেক সালাতের পর (سُبْحَانَ اللّٰهِ) {সুবহা-নাল্লাহ} [আল্লাহ অতি-পবিত্র] তেত্রিশবার, (الْحَمْدُ لِلَّهِ) {আলহামদুলিল্লা-হ} [সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য] তেত্রিশবার ও (وَاللّٰهُ أَكْبَرُ) {আল্লা-হু আকবার} [আল্লাহ অতি-মহান] তেত্রিশবার বলবে এই হল নিরানব্বই-আর একশত পূর্ণ করার জন্য বলবে: (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهْوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ) {লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর} [আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব (সার্বভৌম ক্ষমতা) একমাত্র তাঁরই, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, সব কিছুর উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।] তার পাপ সমুহ মাফ হয়ে যাবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার মত হয়। -মুসলিম ১২৩০, আবু দাউদ ২৯৭৭
.
আমরা প্রত্যেক নামাযের পরে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ ও ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পাঠ করতে আদিষ্ট হলাম। এক আনসারী ব্যক্তি স্বপ্নে দেখতে পেলেন যে, কোন এক ব্যক্তি তাকে বলছে তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ ﷺ কি প্রতি নামাযের পরে ৩৩ বার তাসবীহ, ৩৩ বার তাহমীদ ও ৩৪ বার তাকবীর পাঠ করতে আদেশ করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, এগুলো তোমরা ২৫ বার করে পাঠ কর। আর তার সাথে ২৫ বার তাহলীল অর্থাৎ “লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ' পাঠ কর। লোকটি সকাল বেলা নাবী ﷺ -এর কাছে গিয়ে তা বর্ণনা করল। তিনি ﷺ বললেন, আচ্ছা তাই কর। -তিরমিজী ৩৪১৩; নাসাঈ ১৩৫৩
.
প্রত্যেক সালাতের পর দশবার {সুবহানাল্লাহ} দশবার {আলহামদু লিল্লাহ} দশবার {আল্লাহু আকবার} পাঠ করবে। যবানে তো মোট হয় একশত পঞ্চাশবার আর মীযানের পাল্লায় হবে এক হাজার পাঁচশতবার। -তিরমিজী ৩৪১০
.
ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ। -সূরা ফালাক
ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। মালিকিন্না-সি, ইলা-হিন্নাসি, মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-সি, মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স। -সূরা নাস
প্রত্যেক সালাতের পর মু’আওওয়াযাতায়ন (সুরা ফালাক ও নাস) পাঠ করতে রাসূলুল্লাহ্ ﷺ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। -তিরমিজী ২৯০৩, আবু দাউদ ১৫২৩, নাসাঈ ১৩৩৯
...
সকাল- সন্ধা
.
ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ। -সূরা ইখলাস
সকাল-সন্ধ্যায় {কুল হুয়াল্লাহু আহাদ} এবং মুআওওয়াযাতায়ন {কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক ও কুল আউযু বিরাব্বিন নাস} তিন বার পাঠ করবে; তবে তা সব কিছুর ক্ষেত্রে তোমার জন্য যথেষ্ট হবে। -তিরমিজী ৩৫৭৫
.
(بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ، فِي الْأَرْضِ، وَلَا فِي السَّمَاءِ، وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ) {বিসমিল্লা-হিল লাযী লা- ইয়াদুর্রু মা‘আসমিহী শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা- ফিস সামা-ই, ওয়াহুআস সামীউল ‘আলীম।} [আল্লাহর নামে যাঁর নামের বরকতে আসমান ও যমীনের কোনো বস্তুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী।]
যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় তিনবার বলবে, সকাল হওয়া পর্যন্ত তার প্রতি কোনো হঠাৎ বিপদ আসবে না। আর যে তা সকালে তিনবার বলবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার উপর কোনো হঠাৎ বিপদ আসবে না। -আবূ দাউদ ৫০৮৮; ৫০০০, তিরমিজী ৩৩৮৮, ইবনে মাজাহ ৩৮৬৯
.
সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার
(اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ) {আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ'বদুকা ওয়া আনা আ'লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ'উযুবিকা মিন শার্রি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি'মাতিকা আ'লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্ফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা।} [হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।]
যে ব্যাক্তি দিনের (সকাল) বেলায় দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এ ইস্তিগফার পড়বে আর সন্ধা হওয়ার আগেই সে মারা যাবে, সে জান্নাতী হবে। আর যে ব্যাক্তি রাতের (প্রথম) বেলায় দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এ দু’আ পড়ে নেবে আর সে ভোর হওয়ার আগেই মারা যাবে সে জান্নাতী হবে। -বুখারী ৫৮৬৭
.
(لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهْوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ) {লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর} [আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব (সার্বভৌম ক্ষমতা) একমাত্র তাঁরই, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই, সব কিছুর উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান]
যে ব্যক্তি ভোরে উপনীত হয়ে বলে, সে ইসমাঈল (আ)-এর বংশের একটি গোলাম আযাদ করার সমতুল্য সওয়াব পাবে, তার দশটি গুনাহ মোচন হবে, তার মর্যাদা দশ গুণ বৃদ্ধি করা হবে এবং সে সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে। সে সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে অনুরূপ দোয়া করলে ভোর হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ নিরাপদ/প্রতিদান থাকবে। -ইবনে মাজাহ ৩৮৬৭, আবু দাউদ ৪৯৯৩ (তিরমিজী ৩৫৩৪) (তিরমিজী ৩৪৭৪ যঈফ)
.
যে ব্যক্তি দশবার পাঠ করবে সে যেন ইসমাঈল (আলাইহিস সালাম) এর বংশের চারজন গোলামকে মুক্তি দান করল। -মুসলিম ৬৬০০ (তিরমিজী ৩৫৫৩)
.
যে ব্যাক্তি দিনের মধ্যে একশ বার পড়বে সে দশজন গোলাম আযাদ করার সাওয়াব অর্জন করবে এবং তার জন্য একশটি নেকী লেখা হবে, আর তার একশটি গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে। আর সে দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত (শয়তান তার কুমন্ত্রণা থেকে) এটা তার জন্য রক্ষা কবচে পরিণত হবে এবং তার চাইতে বেশী ফযীলত ওয়ালা আমল আর কারো হবে না। তবে যে ব্যাক্তি এ আমল তার চাইতেও বেশী করবে। -বুখারী ৫৯৬১; মুসলিম ৬৫৯৮, ইবনে মাজাহ ৩৭৯৮
.
(سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ) {সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী} (আমি আল্লাহর সপ্রশংসা পবিত্রতা বর্ণনা করছি)
আর যে ব্যক্তি দিনে একশ' বার পাঠ করবে, তার যাবতীয় গোনাহ মোচন করে দেওয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমতুল্য হয়। -মুসলিম ৬৫৯৮, বুখারী ৫৯৬৩
.
কেউ যদি সকালে একশবার এবং সন্ধ্যায় একশবার পাঠ করে তবে কিয়ামতের দিন সে যে আমল নিয়ে আসবে তার চাইতে উত্তম আমল নিয়ে কেউ আসবে না, ঐ ব্যক্তি ছাড়া যে তার আনুরূপ বা তার চাইতে বেশী পাঠ করেছে। -তিরমিজী ৩৪৬৯
.
যে একশ'বার তাসবীহ {সুবহানাল্লাহ} পাঠ করলে তার জন্য এক হাজার নেকী লিপিবদ্ধ করা হবে (অথবা) এবং তার থেকে এক হাজার গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে। -মুসলিম ৬৬০৭
.
শতবার (وَاللّٰهُ أَكْبَرُ) {আল্লা-হু আকবার} [আল্লাহ অতি-মহান], শতবার (الْحَمْدُ لِلَّهِ) {আলহামদুলিল্লা-হ} [সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য] এবং শতবার (سُبْحَانَ اللّٰهِ) {সুবহা-নাল্লাহ} [আল্লাহ অতি-পবিত্র] পড়ো।
তা জিনপোষ ও লাগামসহ একশত ঘোড়া আল্লাহর পথে (জিহাদে) দান করার চেয়ে উত্তম, একশত উটের চেয়ে উত্তম এবং একশত গোলাম আযাদ করার চেয়ে উত্তম। -ইবনে মাজাহ ৩৮১০
.
(سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ) {সুবহানাল্লা-হি ওয়ালহাম্দু লিল্লা-হি ওয়ালা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াল্লা-হু আকবার} [আল্লাহ পবিত্র, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর এবং আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নেই, আল্লাহ মহান]
এ (বাক্য) পাঠ করা যার উপর সূর্য উদিত হয় সে সব জিনিসের চাইতে অধিক পছন্দনীয়। -মুসলিম ৬৬০২
.
যখন তুমি মাগরিবের সালাত শেষ করবে, তখন সাতবার এ দু'আ পাঠ করবেঃ (اللَّهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ) {আল্লা-হুম্মা, আজিরনী মিনান না-র} [হে আল্লাহ, আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন।]
কেননা, সন্ধ্যায় যদি তুমি এ দু’আ পাঠ কর এবং সে রাতে মারা যাও, তবে তুমি জাহান্নাম থেকে নাজাত পাবে। আর ফজরের সালাত আদায়ের পর যদি তুমি এরুপ বল, আর তুমি যদি সেদিন মারা যাও, তবে তুমি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। -আবু দাউদ ৪৯৯৪ (যঈফ)
...
সকাল
.
(سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ وَرِضَا نَفْسِهِ وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ) {সুব‘হা-নাল্লা-হি ওয়াবি‘হামদিহী, ‘আদাদা খালক্বিহী, ওয়ারিদ্বা-নাফসীহী, ওয়া যিনাতা ‘আরশিহী ওয়া মিদা-দা কালিমাতিহী। } [আমি আল্লাহর সপ্রশংস পবিত্রতা জ্ঞাপন করছি তার অগণিত সৃষ্টির সমান, তার সন্তুষ্টি, তার আরশের ওযনের পরিমাণ ও তার কালেমার (কালির) সংখ্যার পরিমাণ।]
জুওয়ায়রিয়া (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ প্রত্যূষে তাঁর নিকট থেকে বের হলেন। যখন তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন তখন তিনি সালাতের জায়গায় ছিলেন। এরপর তিনি দুহা’র পরে ফিরে এলেন। তখনও তিনি বসেছিলেন। তিনি বললেন, আমি তোমাকে যে অবস্থায় রেখে গিয়েছিলাম তুমি সেই অবস্থায়ই আছ। তিনি বললেন, হ্যাঁ। নাবী ﷺ বললেনঃ আমি তোমার নিকট থেকে যাওয়ার পর চারটি কালেমা তিনবার পাঠ করেছি। আজকে তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার সাথে ওযন করলে এই কালেমা চারটির ওযনই বেশী হবে। -মুসলিম ৬৬৬৫
...
উযূ হল ঈমানের অর্ধেক। {আলহামদুলিল্লাহ} পূর্ণ করে মীযান। {সুবহানাল্লাহ} এবং {আলহামদুলিল্লাহ} পূর্ণ করে আকাশমন্ডলী ও যমীনের মধ্যবর্তী স্থান। সালাত হল নূর, সাদাকা হল দলীল, ধৈর্য হল জ্যোতি আর কুরআন তোমার পক্ষে বা বিপক্ষে প্রমাণ স্বরুপ। প্রত্যেক মানুষ সকাল করে এবং নিজেকে বিক্রি করে। অনন্তর কেউ নিজেকে মুক্ত করে আর কেউ নিজেকে ধ্বংস করে। -তিরমিজী ৩৫১৭