আল্লাহ তা'আলার কাছে সব চাইতে প্রিয় জায়গা হলো মাসজিদসমূহ আর সব চাইতে খারাপ জায়গা হলো বাজারসমূহ। -মুসলিম ১৪১৪
.
যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার সুপ্রসন্নতা অর্জনের উদ্দেশ্যে একটি মাসজিদ তৈরী করে, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ একটি ঘর তৈরী করেন। -আত তিরমিজী ৩১৮; বুখারী ৪৫০; নাসাঈ ৬৮৯; ইবনে মাজাহ ৭৩৬
.
কবরস্থান ও গোসলখানা ছাড়া সারা পৃথিবীই নামায আদায়ের উপযোগী। -আত তিরমিজী ৩১৭; আবু দাউদ ৪৯২
.
সমগ্র ভূপৃষ্ঠ পবিত্র, পবিত্রকারী ও মসজিদ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে সুতরাং যেখানে যার সালাতের ওয়াক্ত হবে, সেখানে সে সালাত আদায় করে নিবে। -মুসলিম ১০৪৬
.
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ মাসজিদুল হারাম ব্যতীত অপরাপর মসজিদের সালাত অপেক্ষা আমার মসজিদের (মাসজিদে নবাবী) সালাত হাজার গুণ শ্রেষ্ঠ (ফাযীলাতপূর্ণ)। অন্যান্য মসজিদের সালাতের তুলনায় মাসজিদুল হারামের সালাত এক লক্ষ গুণ উত্তম (ফাযীলাতপূর্ণ)। -ইবনে মাজাহ ১৪০৬
.
মসজিদে হারাম (কা‘বা), আমার মাসজিদ (মসজিদে নাববী) এবং মসজিদে আকসা (বাইতুল মাকদিস)- এ তিন মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে না। -বুখারী ১৮৬৪
.
কোন জনপদে বা বনজঙ্গলে তিনজন লোক একত্রে বসবাস করা সত্ত্বেও তারা জামা‘আতে সলাত আদায়ের ব্যবস্থা না করলে তাদের উপর শয়তান আধিপত্য বিস্তার করে। অতএব তোমরা জামা‘আতকে আকঁড়ে ধর। কারণ নেকড়ে (বাঘ) দলচ্যুত বকরীটিকেই খেয়ে থাকে। -আবূ দাউদ ৫৪৭
.
রাসূলুল্লাহ্ ﷺ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মুআযযিনের আযান শুনে বিনা কারণে মসজিদে উপস্থিত হয়ে জামাআতে নামায আদায় করবে না তার অনত্র আদায়কৃত নামায আল্লাহর নিকটে কবুল হবে না (অর্থাৎ তার নামাযকে পরিপূর্ণ নামায হিসেবে গণ্য করা হবে না)। সাহাবীরা ওজর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ যদি কেউ ভয়ভীতি ও অসুস্থতার কারণে জামাআতে হাযির হতে অক্ষম হয় তবে তার জন্য বাড়ীতে নামায পড়া দুষণীয় নয়। -আবু দাউদ ৫৫১
.
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেছেন আমাদের ধারণা হলো মুনাফিক যার নিফাক স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং রুগ্ন ব্যক্তি ছাড়া কেউই সলাতের জামা'আত পরিত্যাগ করে না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময় রুগ্ন ব্যক্তিও দু'জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে সলাতের জামা'আতে উপস্থিত হত। -মুসলিম ১৩৭৩
.
রাসুলুল্লাহ বলেছেন যে, মুনাফিকদের জন্য সবচাইতে ভারী সালাত হলো এশা ও ফজরের সালাত। তারা যদি এই দুই সালাতে কী মর্যাদা আছে জানতে পারত; তবে হামাগুড়ি দিয়েও এ দুই সালাতে উপস্থিত হতো। আমি মনস্থ করেছিলাম যে, আমি সালাত সম্পর্কে আদেশ করি যে, ইকামত দেওয়া হোক। এরপর একজনকে নির্দেশ করি যে, সে লোকদের নিয়ে-সালাত কায়েম করুক। তারপর আমি লাকড়ীর বোঝাসহ একদল লোক নিয়ে সেই সব লোকের ঘরে চলে যাই যারা সালাতে উপস্থিত হয় না। অতঃপর তাদের ঘর আগুন দিয়ে তাদের সহ জ্বালিয়ে দেই। -মুসলিম ১৩৫৭
.
যে ব্যক্তি ‘ইশার সলাত জামা‘আতে আদায় করল, সে যেন অর্ধরাত ‘ইবাদাতে কাটালো। আর যে ব্যক্তি ‘ইশা ও ফজরের সলাত জামা‘আতে আদায় করল, সে যেন সারা রাতই ‘ইবাদাতে কাটালো। -আবূ দাউদ ৫৫৫
.
জামা’আতের সাথে সালাত আদায় করলে ঘর বা বাইরে সালাত আদায় করার চাইতে পঁচিশগুণ সওয়াব বৃদ্ধি পায়। কেননা, তোমাদের কেউ যদি ভাল করে উযূ করে কেবল সালাতের উদ্দেশ্যেই মসজিদে আসে, সে মসজিদে প্রবেশ করা পর্যন্ত যতবার কদম রাখে তার প্রতিটির বিনিময়ে আল্লাহ তা’আলা তার মর্যাদা ক্রমান্বয়ে উন্নীত করবেন এবং তার একটি করে গুনাহ মাফ করবেন। আর মসজিদে প্রবেশ করে যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের অপেক্ষায় থাকে ততক্ষণ তাকে সালাতই গণ্য করা হয়। আর সালাতের শেষে সে যতক্ষণ ঐ স্থানে থাকে ততক্ষণ ফিরিশতাগণ তার জন্য এ বলে দুয়া করেন: ইয়া আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করুন, ইয়া আল্লাহ! তাকে রহম করুন, যতক্ষণ সে কাউকে কষ্ট না দেয়, সেখানে উযূ ভঙ্গের কাজ না করে। -বুখারী ৪৬৩
.
জামা‘আতে সালাতের ফাযীলত একাকী আদায়কৃত সালাত অপেক্ষা সাতাশ গুণ বেশী। -বুখারী ৬৪৫; মুসলিম ১৩৬৩
.
(মসজিদ হতে) যে যত অধিক দূরত্ব অতিক্রম করে সালাতে আসে, তার তত অধিক পুণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে সালাত আদায় করা পর্যন্ত অপেক্ষা করে, তার পুণ্য সে ব্যক্তির চেয়ে অধিক, যে একাকী সালাত আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। -বুখারী ৬৫১
.
কেউ যদি অতি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (সলাত আদায় করার জন্য) কোন একটি মাসজিদে উপস্থিত হয় তাহলে মাসজিদে যেতে সে যতবার পদক্ষেপ ফেলবে তার প্রতিটি পদক্ষেপের পরিবর্তে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য একটি নেকী লিখে দেন, তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং একটি করে পাপ দূর করে দেন। -মুসলিম ১৩৭৪
.
যে ব্যক্তি সকালে এবং সন্ধ্যায় সলাত আদায় করতে মসজিদে যায় এবং যতবার যায় আল্লাহ তা'আলা ততবারই তার জন্য জান্নাতের মধ্যে মেহমানদারীর উপকরণ প্রস্তুত করেন। -মুসলিম ১৪১০; বুখারী ৬৬২
.
কেউ যদি আল্লাহ তা'আলার সন্তোষ অর্জনের উদ্দেশ্যে একাধারে চল্লিশ দিন তাকবীরে উলার (প্রথম তাকবীর) সাথে জামাআতে সালাত আদায় করে তবে তাকে দুটি মুক্তি সনদ লিখে দেয়া হয়। একটি হল জাহান্নাম থেকে মুক্তির, অপরটি হল মুনাফিকী থেকে মুক্তির। -তিরমিজী ২৪১
.
নাবী ﷺ বলেন, সাত ব্যাক্তিকে আল্লাহ তার (আরশের) ছায়াতলে ছায়া দিবেন, যে দিন তাঁর ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া থাকবে না।
১. ন্যায়পরায়ণ ইমাম (রাষ্ট্রনায়ক)।
২. ঐ যুবক যে আল্লাহর ইবাদতের মধ্যে বয়ঃপ্রাপ্ত হয়েছে।
৩. ঐ ব্যাক্তি যার অন্তর মসজিদের সাথে জড়িত।
৪. ঐ ব্যাক্তি যারা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে একে অন্যকে ভালবাসে এবং মিলিত হয় এ প্রেরণা নিয়ে এবং পৃথক হয় এ প্রেরণাসহ।
৫. ঐ ব্যাক্তি যাকে কোন অতিজাত সুন্দরী মহিলা (অসৎ কাজে) আহবান করে, আর সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি।
৬. ঐ ব্যাক্তি, যে কিছু দান করল এবং এত গোপনভাবে করল যে, তার ডান হাত জানতে পারল না, তার বাম হাত কি দান করেছে,
৭. ঐ ব্যাক্তি যে একাকী বসে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাঁর দুই চোখে (আল্লাহর ভয়ে) অশ্রু ঝরে।
-মুসলিম ২২৫২; বুখারী ৬৬০; আত তিরমিজী ২৩৯১
১. ন্যায়পরায়ণ ইমাম (রাষ্ট্রনায়ক)।
২. ঐ যুবক যে আল্লাহর ইবাদতের মধ্যে বয়ঃপ্রাপ্ত হয়েছে।
৩. ঐ ব্যাক্তি যার অন্তর মসজিদের সাথে জড়িত।
৪. ঐ ব্যাক্তি যারা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে একে অন্যকে ভালবাসে এবং মিলিত হয় এ প্রেরণা নিয়ে এবং পৃথক হয় এ প্রেরণাসহ।
৫. ঐ ব্যাক্তি যাকে কোন অতিজাত সুন্দরী মহিলা (অসৎ কাজে) আহবান করে, আর সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি।
৬. ঐ ব্যাক্তি, যে কিছু দান করল এবং এত গোপনভাবে করল যে, তার ডান হাত জানতে পারল না, তার বাম হাত কি দান করেছে,
৭. ঐ ব্যাক্তি যে একাকী বসে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাঁর দুই চোখে (আল্লাহর ভয়ে) অশ্রু ঝরে।
-মুসলিম ২২৫২; বুখারী ৬৬০; আত তিরমিজী ২৩৯১
.
রাসুলুল্লাহ ﷺ তার সাহাবাগণকে পিছনের কাতারে দেখে বললেন, সামনে এসো এবং আমার অনুসরণ কর, অতঃপর দ্বিতীয় কাতারের লোকেরা তোমাদের অনুসরণ করবে। এমন কিছু লোক সবসময় থাকবে যারা সালাত এ পিছনে থাকবে। আল্লাহ তাদেরকে (নিজ রহমত হতেও) পিছনে রাখবেন। -মুসলিম ৮৬৬
.
একদল লোক সর্বদা প্রথম কাতার থেকে পিছনের দিকে সরতে থাকবে। ফলে আল্লাহও তাদেরকে জাহান্নামের পিছন দিকে রাখবেন। -আবূ দাউদ ৬৭৯
.
নারীদের জন্য ঘরের আঙ্গিনায় সলাত আদায়ের চাইতে তার গৃহে সলাত আদায় করা উত্তম। আর নারীদের জন্য গৃহের অন্য কোন স্থানে সলাত আদায়ের চাইতে তার গোপন কামরায় সলাত আদায় করা অধিক উত্তম। -দাউদ ৫৭০
.
সূলায়ক গাতফানী (রাঃ) জুমআর দিনে এলেন। তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ খুতবা দিচ্ছিলেন। সুলায়ক (রাঃ) বসে পড়লেন। নাবী ﷺ বললেন, হে সূলায়ক! তুমি দাঁড়িয়ে সংক্ষেপে দু'রাকআত সালাত আদায় করে নাও। তারপর বললেন, তোমাদের কেউ জুমু'আর দিন মসজিদে এলে, ইমাম তখন খুৎবারত থাকলে সংক্ষিপ্ত আকারে দু' রাকআত সালাত আদায় করে নেবে। -মুসলিম ১৮৯৭
.
.
খাবার সামনে আসার পর কোনও সালাত নেই এবং পেশাব পায়খানার বেগ থাকা অবস্থায়ও কোন সালাত নেই। -মুসলিম ১১২৮
.
সালাতের ইকামাত দেওয়া হলে, তার জন্য দৌড়ে আসবে না, বরং ধীরে সুস্থে আসবে। তারপর যা পাবে, আদায় করবে আর যা ছুটে যায়, তা পূর্ণ করে নিবে। কেননা, তোমাদের কেউ যখন সালাতের উদ্দেশ্যে চলে তখন সে সালাতেই গণ্য। -মুসলিম ১২৩৭
.
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, তোমরা নামাযের সময় কাতারগুলো সোজা কর, পরস্পর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াও, উভয়ের মাঝখানে ফাঁক বন্ধ কর এবং তোমাদের ভাইদের হাতে নরম হয়ে যাও। তিনি আরো বলেনঃ তোমরা কাতারের মধ্যে শয়তানের দন্ডায়মান হওয়ার জন্য ফাঁক রাখবে না। যারা কাতারের মধ্যে পরস্পর মিলিত হয়ে দাঁড়াবে আল্লাহ্ তাদেরকে তাঁর রহমতের অন্তর্ভূক্ত করবেন। অপরপক্ষে যে ব্যক্তি কাতারে মিলিত হয়ে দাঁড়াবে না আল্লাহ্ তাকে তাঁর রহমত হতে বঞ্চিত করবেন।
ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, “তোমাদের ভাইদের হাতে নরম হয়ে যাও” কথার অর্থ এই যে, কোন ব্যক্তি এসে কাতারে প্রবেশ করার চেষ্টা করতে পারে। তখন প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ নিজ কাঁধ নরম করে দেবে যাতে সে সহজে কাতারের মধ্যে দাঁড়ানোর স্থান করে নিতে পারে। -আবু দাউদ ৬৬৬
.
একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ মসজিদে “ইতিকাফ” করাকালীন সাহাবীদেরকে উচ্চস্বরে কিরআত পাঠ করতে শুনে পর্দা উঠিয়ে বলেনঃ জেনে রাখ। তোমরা প্রত্যেকেই তোমাদের রবের সাথে গোপন আলাপ রত আছ। অতএব তোমরা (উচ্চস্বরে কিরআত পাঠের দ্বারা) একে অন্যকে কষ্ট দিও না তোমরা একে অন্যের চাইতে উচ্চস্বরে কিরআত পাঠ কর না। -আবু দাউদ ১৩৩২
.
সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি মসজিদে নববীতে দাঁড়িয়েছিলাম। এমন সময় একজন লোক আমার দিকে একটা কাঁকর নিক্ষেপ করলো। আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে দেখলাম যে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)। তিনি বললেনঃ যাও, এ দু’জনকে আমার কাছে নিয়ে এস। আমি তাদের নিয়ে তাঁর কাছে এলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা কারা? অথবা তিনি বললেনঃ তোমরা কোন স্থানের লোক? তারা বললোঃ আমরা তায়েফের অধিবাসী। তিনি বললেনঃ তোমরা যদি মদিনার লোক হতে, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের কঠোর শাস্তি দিতাম। তোমরা দু’জনে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর মসজিদে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলছো! -বুখারী ৪৫৬
.
তোমরা কাউকে যখন সমজিদে বেচতে বা কিনতে দেখবে তখন বলবে, আল্লাহ্ তোমার এ তেজারত (ব্যাবসা) লাভজনক না করুন। কাউকে যখন দেখবে সে মসজিদে কোন জিনিস হারানোর ঘোষণা দিচ্ছে তখন বলবে, ‘আল্লাহ্ তোমার জিনিসটি ফেরত না দিন'। -তিরমিজী ১৩২৪
.
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেনঃ আমাকে বেশী উঁচু করে মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়নি। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, তোমরা (অচিরেই) মসজিদ এমনভাবে কারুকার্য করবে যেমনটি ইহুদী ও নাসারারা (নিজ নিজ উপাসনালয়) নকশা ও কারুকার্য মন্ডিত করে থাকে। -আবু দাউদ ৪৪৮
.
লোকেরা মাসজিদ নিয়ে পরস্পর গৌরব ও অহঙ্কারে মেতে না উঠা পর্যন্ত ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) সংঘটিত হবে না। -আবূ দাউদ ৪৪৯; ইবনে মাজাহ ৭৩৯
.
আমর ইবনুল হারিস ইবনু মুসতালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ বলা হয়, সবচেয়ে কঠিন আযাব হবে দুই ব্যক্তির, স্বামীর অবাধ্যা স্ত্রীর এবং এমন ইমামের যাকে মুসল্লিরা অপছন্দ করে। রাবী মানসূর বলেনঃ ইমাম সম্পর্কে আমরা জিজ্ঞাসা করলে আমাদের বলা হল : যালিম বা অন্যায়চারী ইমামদের বেলায়ই উক্ত কথা প্রযোজ্য। কিন্তু যে ইমাম সুন্নাতের প্রতিষ্টা করেন, তাঁর ক্ষেত্রে তাঁকে অপছন্দকারী ব্যক্তির উপরই গুনাহ বর্তাবে। -তিরমিজী ৩৫৯