লাশ কবরে রাখার সময় নবী ﷺ বলতেন: "আল্লাহর নামে এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ এর তারীকার উপর রাখা হলো।"
(بِسْمِ اللهِ وَعَلَى سُنَّةِ رَسُولِ اللهِ)
{বিসমিল্লাহি ওয়া আলা সুন্নাতি রাসুলিল্লাহ}
(بِسْمِ اللهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللهِ)
{বিসমিল্লাহ ওয়া আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লাহ}
( بِسْمِ اللهِ وَفِي سَبِيلِ اللهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللهِ)
{বিস্মিল্লাহি ওয়া ফী সাবীলিল্লাহি ওয়া আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লাহ}
-সুনান ইবনু মাজাহ ১৫৫০
.
নবী ﷺ মৃতের দাফন শেষ করে সেখানে দাঁড়িয়ে বলতেনঃ তোমাদের ভাইয়ের জন্য তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা করো এবং সে যেন প্রতিষ্ঠিত থাকে সেজন্য দু‘আ করো। কেননা তাকে এখনই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
(اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَثَبِّتْهُ)
{আল্লা-হুম্মাগফির লাহু, ওয়া ছাববিতহু}
[হে আল্লাহ্! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ্ আপনি তাকে (প্রশ্নোত্তরের সময়) স্থির রাখুন।]
-সুনান আবূ দাউদ ৩২২১
.
কবর যিয়ারাতে বলুন:
(السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ لَلَاحِقُونَ أَسْأَلُ اللَّهَ لَنَا وَلَكُمْ الْعَافِيَةَ)
{আসসালা-মু আলায়কুম, আহলাদ দিয়া-রি মিনাল মু'মিনীনা ওয়াল মুসলিমীনা; ওয়া ইন্না- ইনশা-আল্লা-হু লালা-হিকূনা; আসআলুল্লা-হা লানা- ওয়ালাকুমুল আ-ফিয়াহু}
[হে কবরবাসী ঈমানদার মুমিন ও মুসলিমগণ! তোমাদের প্রতি সালাম। আল্লাহ চাহে তো আমরাও তোমাদের সাথে মিলিত হব। আমি আমাদের ও তোমাদের জন্য আল্লাহর নিকট নিরাপত্তার আবেদন জানাচ্ছি।]
-মুসলিম ৯৭৫/ ২১৪৭
.
নবী ﷺ তার দুধ ভাই ‘উসমান ইবনু মাযঊন (রাঃ) এর লাশ দাফনের পর একটি পাথর শিয়রে রাখেন। যার দ্বারা কবরটি চিনতে পারা যায় এবং পরিবারের কেউ মারা গেলে তার কাছে দাফন করা যায়। -সুনান আবূ দাউদ ৩২০৬
রাসূলুল্লাহ ﷺ ঘন ঘন কবর যিয়ারতকারিণীদের লা’নত করেছেন। -সুনানে ইবনে মাজাহ ১৫৭৪
ইতিপূর্বে আমি তোমাদের কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা কবর যিয়ারত করবে। কেননা, কবর যিয়ারতের ফলে মৃত্যুর কথা স্মরণ হয়। -সূনান আবু দাউদ ৩২২১
তোমরা বেশি পরিমাণে জীবনের স্বাদ হরণকারীর অর্থাৎ মৃত্যুর স্মরণ কর। -সূনান আত তিরমিজী ২৩০৭
কবরস্থানের উপর জুতা খুলে ফেলো। -সুনান আবূ দাউদ ৩২৩০
জলন্ত অঙ্গারের উপর বসে কাপড় পুড়ে গিয়ে শরীরের চামড়া দগ্ধীভূত হওয়া, কবরের উপর বসার চেয়ে উত্তম। -মুসলিম ২১৩৮
যে স্ত্রীলোক আল্লাহ্ এবং কিয়ামতের দিবসের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে স্বামী ব্যতীত অন্য কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের বেশি শোক পালন করা বৈধ নয়। অবশ্য স্বামীর জন্য সে চার মাস দশ দিন শোক পালন করবে। -বুখারী ১২৮০