কবরের দিকে মুখ করে সলাত আদায় করবে না। -সহীহ মুসলিম ২১৪০
সাবধান! তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা তাদের নাবী ও নেককারদের কবরগুলোকে মসজিদ বানিয়েছিল। সাবধান! তোমরাও কবরকে মসজিদ বানিও না। আমি তোমাদের তা থেকে নিষেধ করছি। -সহীহ মুসলিম ১০৭১
কোন উঁচু কবর দেখলে তা ভেঙ্গে দিবে। -সহীহ মুসলিম ২১৩৩
সকল মূর্তি ভেঙ্গে দেবে, সকল কবর সমান করে দেবে এবং সকল ছবির ওপর কালো কালি মেখে দেবে। এর একটিও যে ব্যক্তি করবে, সে মুহাম্মদ ﷺ এর নাযিলকৃত দীনকে অস্বীকার করবে। -মুসনাদে আহমেদ ৮৮১
কবরে চুনকাম করা নিষেধ। -সুনান আবূ দাউদ ৩২২৫
কবর পাকা করা, কবরের উপর গৃহ নিৰ্মাণ করা নিষেধ। -সহীহ মুসলিম ২১৩৫
কবরের উপর কোন কিছু লিখা বা কিছু নির্মাণ করা এবং তা পদদলিত করা নিষেধ। -সূনান আত তিরমিজী ১০৫২
রাসুলুল্লাহ ﷺ কবরের উপর বাতি প্রজ্জলকারীদের উপর লা’নত করেছেন। -সূনান নাসাঈ ২০৪৭, সূনান আবু দাউদ ৩২২২, সূনান তিরমিজী ৩২০
যখন আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআনের এই আয়াতটি নাযিল করলেন, ‘‘আপনি আপনার নিকটাত্মীদেরকে সতর্ক করে দিন’’ (শু‘আরা ২১৪) তখন আল্লাহর রাসূল ﷺ দাঁড়ালেন এবং বললেন, ‘হে কুরায়শ সম্প্রদায়! তোমরা আত্মরক্ষা কর। আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না। হে বানূ আব্দ মানাফ! আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না। হে ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব! আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোন উপকার করতে পারব না। হে সাফিয়্যাহ! আল্লাহর রাসূলের ফুফু, আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোন উপকার করতে পারব না। হে ফাতিমাহ বিন্তে মুহাম্মদ! আমার ধন-সম্পদ থেকে যা ইচ্ছা চেয়ে নাও। আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোন উপকার করতে পারব না।
-সহীহ বুখারী ২৭৫৩
আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে আহবান করো না এমন কিছুকে যা না পারে তোমার কোন উপকার করতে, আর না পারে ক্ষতি করতে; যদি তুমি তা কর তাহলে তুমি যালিমদের মধ্যে শামিল হয়ে যাবে। -সূরা ইউনুস ১০:১০৬
তার চেয়ে অধিক গুমরাহ কে, যে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুকে ডাকে যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত তাকে সাড়া দেবে না, আর তাদের ডাকাডাকি সম্পর্কেও তারা (একদম) বেখবর? -সূরা আল-আহকাফ ৪৬:৫
নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে অংশী স্থাপন (শিরক) করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এ ছাড়া অন্যান্য অপরাধ যার জন্য ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন। আর যে কেউ আল্লাহর সাথে শরীক করে, সে এক মহাপাপ করে। -আন নিসা ৪:৪৮