মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্ধলভি

তিনি তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্ধলভীর প্রপৌত্র।


৬-১২-২০১৬ তারিখে মাওলানা মুহাম্মাদ সাদ সাহেবের কিছু ভুল দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তাধারা প্রসঙ্গে দারুল উলুম দেওবন্দের অবস্থান, জরুরি ওয়াজাহাত প্রকাশ করে। তার কিছু অংশ-


বিগত কয়েক বছর ধরে অনেকগুলো ইসতিফ্তা ও চিঠি-পত্র থেকে মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্ধলভি সাহেব সম্পর্কে যেই দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তাধারা দারুল উলুমের কাছে পৌঁছেছে, অনুসন্ধানের পর এখন এ কথা প্রমাণিত হয়েছে যে, তার বিভিন্ন বয়ানের মাঝে কুরআন ও হাদিসের ভুল ও অপ্রণিধানযোগ্য ব্যাখ্যা, বিভ্রান্তিকর দলিল ও মনগড়া তাফসির পাওয়া যায়। তার অনেকগুলো কথার মাঝে আম্বিয়ায়ে কেরাম আলাইহিমুস সালামের সম্মানিত মর্যাদার প্রতি অবমাননা প্রকাশ পেয়েছে। এমনকি তার অনেকগুলো কথা এমন যে, সেগুলোতে তিনি উম্মাহর সংখ্যাগরিষ্ট অংশ ও মহান পূর্বসূরিদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের সীমারেখার বাইরে বেরিয়ে গেছেন। কিছু কিছু ফিকহি মাসআলাতেও তিনি নির্ভরযোগ্য দারুল ইফতাগুলোর সম্মিলিত ফতোয়ার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন নতুন অভিমত দাঁড় করিয়ে জনগণের সামনে কঠোর ভাষায় বয়ান করে চলেছেন। উপরন্তু তাবলীগ জামাতের মেহনতের গুরুত্ব তিনি এমন ভাষায় ব্যক্ত করছেন যে, এর মাধ্যমে দ্বীনের অপরাপর শাখার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা ও সেগুলো সম্পর্কে অবমাননা হচ্ছে। মহান পূর্বসূরিগণের দ্বীনপ্রচারের পুরাতন পদ্ধতিগুলোকে তিনি প্রত্যাখ্যান ও অস্বীকার করছেন। তার এহেন কার্যকলাপের ফলে আকাবির-আসলাফের সম্মানহানী হচ্ছে। তাদের প্রতি আস্থার সংকট তৈরি হচ্ছে। তার এই আচরণ তাবলীগ জামাতের ইতোপূর্বকার দায়িত্বশীল হযরত মাওলানা ইলয়াস সাহেব রহ. হযরত মাওলানা ইউসুফ সাহেব রহ. ও হযরত মাওলানা ইনআমুল হাসান সাহের রহ. এর সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
মাওলানা মুহাম্মদ সাদ সাহেবের বিভিন্ন বয়ান থেকে যেই নির্বাচিত অংশগুলো আমাদের কাছে পৌঁছেছে; কথাগুলো যে তারই বক্তব্য, এ কথাও ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। সেখান থেকে কয়েকটি নিম্নে তুলে ধরা হল-


১. হযরত মুসা আলাইহিস সালাম জাতি ও জামাত ছেড়ে আল্লাহ তাআলার সঙ্গে সংগোপনে কথা বলার উদ্দেশ্যে নীরব-নিভৃত স্থানে চলে যান। যার ফলে বনি ইসরাঈলের ৫ লক্ষ ৮৮ হাজার সদস্য গুমরাহ হয়ে যায়। প্রধান ছিলেন মুসা আলাইহিস সালাম। তিনিই মূল যিম্মাদার ছিলেন। প্রধানের অবস্থান করা উচিত ছিল। হারুন আলাইহিস সালাম তো সহকারী ও সম্পৃক্ত ছিলেন।'


২. পরিপূর্ণ তাওবা ও আত্মশুদ্ধির প্রয়োজনেই নকল-হরকত। মানুষ তাওবার তিন শর্তের কথা জানে, চতুর্থ শর্ত জানে না। ভুলে গেছে। সেই শর্তটি কী? খুরুজ। মানুষ এই শর্তের কথা ভুলে গেছে। ৯৯ জন হত্যাকারী খুনীর প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল সন্ন্যাসীর সঙ্গে। সন্ন্যাসী তাকে নিরাশ করে। এরপর তার সাক্ষাৎ হয় জনৈক আলেমের সঙ্গে। আলেম তাকে বলেন, তুমি অমুক বসতির উদ্দেশে বের হও। ওই খুনী যখন বের হয় তখন আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন। এথেকে বুঝে আসে যে, তাওবার জন্যে খুরুজ শর্ত। এটি ব্যতীত তাওবা কবুল হয় না। মানুষ এই শর্ত ভুলে গেছে। তাওবার তিনটি শর্ত বয়ান করে বেড়ায়। অথচ চতুর্থ শর্ত খুরুজের কথা ভুলে গেছে।


৩. মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও হিদায়াত পাওয়া যায় না। দ্বীনের এমন শাখা, যেখানে শুধু দ্বীনই পড়ানো হয়, যদি তার সম্পর্ক মসজিদের সঙ্গে না থাকে তাহলে খোদার কসম! সেখানেও দ্বীন থাকবে না। হয়তো সেখানে দ্বীনের তালিম হবে; কিন্তু দ্বীন হবে না।


৪. বেতন নিয়ে দ্বীন শিক্ষা দেওয়ার অর্থ, দ্বীন বিক্রি করা। ব্যভিচারী লোকেরা ওই সকল লোকের আগে জান্নাতে যাবে, যারা কুরআন শিক্ষা দিয়ে বেতন নেয়।


৫. আমার মতে ক্যামেরাবিশিষ্ট মোবাইল পকেটে রেখে নামায হয় না। তোমরা আলেমদের কাছে যত জিজ্ঞেস করো, যতো ফতোয়া নাও, ক্যামেরাবিশিষ্ট মোবাইল দিয়ে কুরআন শোনা ও পড়া কুরআনের অবমাননা। এতে গুনাহ হবে। কোনো সাওয়াব হবে না। এমন কাজ করলে আল্লাহ তাআলা কুরআনের ওপর আমল করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করবেন। যেসব আলেম এগুলো জায়েয হওয়ার ফতোয়া দেন আমার মতে তারা উলামায়ে সু। তারা উলামায়ে সু। তাদের মন-মস্তিষ্ক ইহুদ-নাসারা কর্তৃক প্রভাবিত। তারা বিলকুল জাহেল আলেম। আমার মতে, যেসব আলেম তা জায়েয হওয়ার ফতোয়া দেন আল্লাহর কসম, তার অন্তর আল্লাহর কালামের শ্রেষ্ঠত্ব থেকে শূন্য। এ কথা আমি এজন্যে বলছি যে, আমাকে এক বড় আলেম বলেছেন, এতে কী সমস্যা। আমি বললাম, আসলে ওই আলেমের অন্তর আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব থেকে শূন্য। চাই তার বুখারি মুখস্থ থাকুক। বুখারি তো অমুসলিমদেরও মুখস্থ থাকে।


৬. কুরআন বুঝে পড়া প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ওয়াজিব। ওয়াজিব, ওয়াজিব। যে ব্যক্তি তা পরিত্যাগ করবে তার ওয়াজিব ত্যাগ করার গুনাহ হবে।


৭. আমার অবাক লাগে যখন কেউ প্রশ্ন করে যে, তোমার ইসলাহি সম্পর্ক কার সঙ্গে? কেন এর উত্তরে বলো না যে, আমার ইসলাহি সম্পর্ক এই কাজের সঙ্গে। আমার আত্মশুদ্ধির সম্পর্ক দাওয়াতের সঙ্গে। এ কথার ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখো যে, দাওয়াতের এই আমল ব্যক্তির দীক্ষার জন্যে শুধু যথেষ্টই নয়; বরং নিশ্চয়তা বহন করে।
আমি খুব গভীরভাবে ভেবে দেখেছি যে, এটাই মেহনতকারীদের পদস্খলনের মূল কারণ। ওই সমস্ত লোককে দেখলে আমার খুব আফসোস হয়, যারা এখানে বসে বলে, ছয় নম্বরের মাঝে পুরো দ্বীন নেই। যেই ব্যবসায়ী নিজেই নিজের দই টক বলে, সে ব্যবসা করতে পারবে না।
আমি খুব অবাক হই যখন আমার কোনো সাথী এসে আমার কাছে বলে যে, আমার এক মাসের ছুটি প্রয়োজন। অমুখ শায়খের খেদমতে আমাকে ইতিকাফ করতে যেতে হবে। তাকে আমি বলি, এখন পর্যন্ত তুমি দাওয়াত ও ইবাদতকে একত্র করতে পারোনি।
তুমি তো নিদেনপক্ষে চল্লিশ বছর দাওয়াতি কাজে ব্যয় করে ফেলেছো। চল্লিশ বছর তাবলীগে সময় ব্যয় করার পর একজন মানুষ কীভাবে বলতে পারে যে, আমার ছুটি দরকার। কারণ, আমি এক মাস ইতিকাফে বসার জন্যে যেতে চাচ্ছি। আমি বলি, যে মানুষ দাওয়াতের কাজ থেকে ছুটি চায় ইবাদত করার উদ্দেশ্যে, সে ব্যক্তি দাওয়াত ব্যতিরেকে কীভাবে ইবাদতে উন্নতি করবে!? আমি পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিচ্ছি যে, নবুওয়াতের আমল আর বিলায়াতের মাঝে ফারাক আছে। এই ফারাক তৈরি হয়েছে স্রেফ নকল-হরকত না করার কারণে। আমি পরিষ্কার বলে দিচ্ছি যে, আমরা স্রেফ দ্বীন শেখার তাশকিল করতেই বের করছি না। কারণ, দ্বীন শেখার জন্যে তো আরো অনেক পথ আছে। শুধু এর জন্যে তাবলীগে বের হওয়া কেন আবশ্যক হবে। দ্বীন যদি শিখতেই হয় তাহলে মাদরাসা থেকে শেখো, খানকাহ থেকে শেখো।


মাওলানা মুহাম্মদ সাদ সাহেবের বয়ান থেকে এমন কিছু চয়নিকাও আমাদের হাতে এসেছে, যেখানে এ কথা প্রকাশ পেয়েছে যে, তার মতে শুধু তাবলীগ জামাতের বর্তমান পদ্ধতিই দাওয়াতের বিস্তৃত অর্থ ধারণ করে। তিনি স্রেফ এটাকেই নবি-রাসূল-সাহাবিদের মুজাহাদার পদ্ধতি অভিহিত করে থাকেন। এই বিশেষ পদ্ধতিকেই তিনি সুন্নত ও অবিকল আম্বিয়ায়ে কেরামের মেহনত সাব্যস্ত করে থাকেন। অথচ উম্মাহর জমহুর মনীষীদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো, দাওয়াত ও তাবলীগ হলো একটি সামগ্রিক বিষয়। শরিয়ত এর জন্যে এমন কোনো বিশেষ পদ্ধতি আবশ্যক করে দেয়নি, যা ত্যাগ করলে সুন্নাত ত্যাগ করার অপরাধ হবে। যুগে-যুগে দাওয়াত ও তাবলীগের অজস্র পদ্ধতি প্রচলিত ছিল। ইতিহাসের কোনো যুগেই দাওয়াতের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অবহেলা করা হয়নি। সাহাবায়ে কেরামের পর তাবেঈন, তাবয়ে তাবেঈন, আইম্মাহ, মুজতাহিদিন, ফুকাহা, মুহাদ্দিসিন, মাশায়েখ, আল্লাহওয়ালা অলিগণ ও নিকট অতীতের আমাদের আকাবির রহ, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দ্বীন পুনরুজ্জীবিত করার জন্যে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন।
তার এই বয়ানগুলো ছাড়াও এমন এমন কথা আমাদের কাছে পৌঁছেছে, যা জমহুর উলামার অবস্থান থেকে সরে এসে একটি বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করে। তাঁর কথাগুলো যে বিভ্রান্তিকর, তা পরিষ্কার স্পষ্ট।
মৌলভি মুহাম্মদ সাদ সাহেব তার জ্ঞানস্বল্পতার কারণে নিজ মতাদর্শ ও চিন্তাধারার মাঝে, কুরআন-হাদিসের ব্যাখ্যাকালে আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআর মূল স্রোত থেকে ক্রমশ সরে যাচ্ছেন। যা নিঃসন্দেহে গুমরাহির পথ।
.
.
.
৯-১-২০১৭ তারিখে মাওলানা সাদ সাহেব তার পূর্ববর্তী মত থেকে রুজু করা বিষয়ে দারুল উলুম দেওবন্দকে একটি চিঠি লিখেন। ২৮-১-২০১৭ তারিখে দারুল উলুম দেওবন্দ সেই চিঠির জবাবি ফতোয়া প্রদান করে লিখে-


মাওলানা মুহাম্মদ সাদ সাহেবের পক্ষ থেকে ১০ রবিউস সানি ১৪৩৮ তারিখে রুজু (মতপ্রত্যাহার) শিরোনামে একটি নতুন লেখা আমাদের কাছে পৌঁছে। লেখার সবগুলো কথা ও বিবরণের সঙ্গে যদিও আমরা একমত হতে পারছি না; কিন্তু ওই লেখার মাঝে মাওলানা মোটামুটি তার ওই সকল বয়ান থেকে রুজু করেছেন, যার কথা দারুল উলুম দেওবন্দের অবস্থানে বলা হয়েছিল। তিনি আগামীতে কথাগুলো পুনরাবৃত্তি না করার অঙ্গীকার করেছেন।
এখন এ পর্যায়ে এসে এ কথা স্পষ্ট করা আবশ্যক যে, দারুল উলুম দেওবন্দ জনাব মাওলানা মুহাম্মদ সাদ সাহেবের যেসব আপত্তিকর কথার ব্যাপারে নিজের সর্বসম্মত অবস্থান স্পষ্ট করেছিল, সেই অবস্থান নিজ স্থলে এখনো বলবৎ। দারুল উলুম দেওবন্দ নিজ সর্বস্মত অবস্থান থেকে সরে আসেনি। সাদ সাহেবের যেসব দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তাধারার কথা 'সর্বসম্মত অবস্থান'-এ উল্লেখ করা হয়েছে, দারুদ উলুম দেওবন্দ সর্ববাস্থায় সেগুলোকে ভুল ও অগ্রহণযোগ্য মনে করে। 'সর্বসম্মত অবস্থান'-এ যেসকল বিভ্রান্তিকর বক্তব্য চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলোর ওপর তাবলীগ জামাতের সর্বস্তরে বিধি-নিষেধ আরোপ করা আবশ্যক মনে করে।
এর পাশাপাশি মাওলানা মুহাম্মদ সাদ সাহেবকে বিশেষ করে এ বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে যে, হযরত মুসা আলাইহিস সালাম সম্পর্কে তিনি তার বয়ানে শুধু মারজুহ (প্রত্যাখ্যাত) তাফসিরই আনেননি; বরং তিনি সন্দেহাতীতভাবে এখনো ভুলের ওপর আছেন। যা পরম সম্মানিত নবি হযরত মুসা আলাইহিস সালামের পবিত্র মর্যাদার পরিপন্থী। কাজেই এ মাসআলায় মাওলানাকে অবশ্যই তার পূর্বের বয়ানগুলো থেকে বিনা ব্যাখ্যায় সরে আসতে হবে। চাই সেই বয়ান মুসা আলাইহিস সালামের ত্বরা প্রবণতাকে বনি ইসরাঈলের গুমরাহির কারণ অভিহিত করা প্রসঙ্গে হোক বা চল্লিশ রজনী দাওয়াত ত্যাগ করে ইবাদতে নিমগ্ন হওয়ার অপবাদ প্রসঙ্গে।
.
.
.
০৭-০৫-২০১৮ তারিখে দারুল উলুম দেওবন্দ আরেক ফতোয়ায় লিখে,


এদিকে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রচারমাধ্যমে এ সংবাদ ঘুরে বেড়াচ্ছে যে, 'মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্ধলভি সাহেবের কিছু বয়ানের ব্যাপারে দারুণ উলুম দেওবন্দ নিজের যেই অবস্থান ব্যক্ত করেছিল এবং যার ওপর দারুল উলুম দেওবন্দ অদ্যাবধি অনঢ় রয়েছে, খোদ দারুল উলুম দেওবন্দের কয়েকজন সম্মানিত উসতায তার সঙ্গে দ্বিমত ব্যক্ত করেছেন।
সুস্পষ্টত এই অবাস্তব সংবাদের কারণে এমন একটি বিশাল শ্রেণি দ্বিধা ও সংশয়ের শিকার হতে পারে, যারা প্রকৃত সুরতহাল সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। বিষয়টি নিয়ে নতুন করে অর্থহীন আলোচনা শুরু হয়ে যেতে পারে। এজন্য দারুল উলুম দেওবন্দের খাদিমের অবস্থান থেকে আমরা আরেকবার এ কথা স্পষ্ট করা আবশ্যক মনে করছি যে, আমরা দারুল উলুম দেওবন্দের সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী ও মুফতিয়ানে কেরাম আমাদের পূর্বের অবস্থানের ওপর অবিচল রয়েছি। এই অবস্থানের সঙ্গে কারো কোনো ধরনের দ্বিমত বা মতভেদ নেই।
.
.
.
মাওলানা সাদ সাহেব সম্পর্কিত একটি ইস্তিফতার উত্তরে দারুল উলুম দেওবন্দ, ভারতের ফতোয়া বিভাগ থেকে জুন ২০২৩ এ একটি ফতোয়া প্রকাশ করে। ফতোয়ার লিংক-
মূল ফতোয়া
মাসিক আল কাউসার কর্তৃক অনুবাদ
আব্দুল্লাহ আল ফারুক কর্তৃক অনুবাদ