হিজরীবর্ষ

১. মুহাররম (সম্মানিত মাস) (আল্লাহর মাস)

মুহাররমের রোজা: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমযানের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সাওম হচ্ছে আল্লাহর মাস মুহাররমের সাওম। -মুসলিম ২৬২৬
আশুরার রোজা: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আশূরার সাওম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তাতে বিগত বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে। -মুসলিম ২৬১৮
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হিজরত করে) মদিনায় এলেন এবং তিনি ইয়াহুদীদেরকে আশূরার দিন সিয়াম পালন করতে দেখতে পেলেন। এরপর তাদেরকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার পর তারা বলল, এ সে দিন, যে দিন আল্লাহ মূসা (আলাইহিস সালাম) ও বনী ইসরাঈলকে ফির'আউনের উপর বিজয়ী করেছেন। তাই এর সম্মানার্থে আমরা সাওম পালন করে থাকি। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমরা তোমাদের চেয়েও মূসা (আলাইহিস সালাম) এর অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর তিনি এ দিনে সাওম পালন করার নির্দেশ দিলেন। -মুসলিম ২৫২৭
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আশূরার দিন সিয়াম পালন করেন এবং লোকদেরকে সিয়াম পাননের নির্দেশ দেন তখন সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! ইয়াহূদী এবং নাসারা এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে থাকে। এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইনশাআল্লাহ আগামী বছর আমরা নবম তারিখেও সিয়াম পালন করব। বর্ণনাকারী বলেন, এখনো আগামী বছর আসেনি, এমতাবস্থায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইনতেকাল হয়ে যায়। -মুসলিম ২৫৩৭


২. সফর

আখেরি চাহার শোম্বা অর্থ বুধবার। অর্থাৎ সফর মাসের শেষ বুধবার। ১১ হিজরির সফর মাসের শেষভাগে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত অসুস্থ ও পীড়িত হয়ে পড়েন এবং এই মাসের শেষ বুধবার দিন তিনি শরীরে একটু সুস্থতা বোধ করায় গোসল করে কিছুটা প্রশান্তি লাভ করেন। এ দিবস উদযাপন করা বিদআত।


৩. রবিউল আউয়াল

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী


৪. রবিউল আখির

ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম: 'ইয়াজদহম' অর্থ ১১। রবিউস সানির ১১ তারিখে বড়পির আবদুল কাদির জিলানি রাহ. এর মৃত্যুদিবস উপলক্ষে কৃত ফাতিহা বা ইসালে সাওয়াব মাহফিল। এ দিবস উদযাপন করা বিদআত।


৫. জুমাদাল উলা


৬. জুমাদাল আখিরাহ


৭. রজব (সম্মানিত মাস)

শবে মিরাজ: (২৭ রজব) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণকে এ উপলক্ষে বিশেষ কোন আমলের নির্দেশ দেননি। এ উপলক্ষে ইবাদত করা বিদাত।


৮. শাবান

শাবানের রোযা: আয়িশা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাওম সম্পর্কে বলেন, আমি তাঁকে শাবান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসে এত অধিক (নফল) সাওম পালন করতে দেখিনি। তিনি যেন গোটা শাবান মাসই সাওম পালন করতেন। তিনি সামান্য (কয়টি দিন) ব্যতীত গোটা শাবান মাস সাওম পালন করতেন। -মুসলিম ২৫৯৩
শবে বরাত: (১৫ শাবান) লাইলাতুন নিসফি মিন শা'বান বা মধ্য শা'বানের রজনীর তাৎপর্য বিবেচনায় আলিমরা একে শবে বারাআহ বা মুক্তির রজনী বলে নামকরন করেছেন।


৯. রমযান (১২ মাসের শ্রেষ্ঠ মাস)

রমযানের রোযা: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, প্রতি মাসে তিন দিন এবং গোটা রমযান মাস সাওম পালন করাই হল সারা বছর সাওম পালনের সমতুল্য। -মুসলিম ২৬১৮
তারাবীহ: তারাবির সালাত জামাআতের সঙ্গে আদায় করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। তারাবির সালাতে অন্তত একবার কুরআন খতম করা সুন্নাত। তারাবির ইমামকে প্রদেয় অর্থ ইবাদতের বিনিময় বা উজরত।
লাইলাতুল কদর
যাকাত ও উশর
ঈদুল ফিতর ও সাদাকাতুল ফিতর


১০. শাওয়াল

শাওয়ালের রোজা: যে ব্যাক্তি রমযান মাসের সিয়াম পালন করল, তারপর শাওয়াল মাসে ছয় দিনকে তার অনুগামী করল (৬টি রোযা পালন করল), সে যেন সারা বছর রোযা রাখল। -মুসলিম ২৬২৯


১১. যিলকদ (সম্মানিত মাস)


১২. যিলহজ্ব (সম্মানিত মাস)

জিলহজের প্রথম দশক: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিলহজ মাসের নয় তারিখ পর্যন্ত সওম রাখতেন। -আবূ দাউদ ২৪৩৭
আরাফার রোযা: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আরাফাত দিবসের সাওম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে। -মুসলিম ২৬১৮
তাকবিরে তাশরিক
ঈদুল আযহা ও কুরবানী
হজ ওমরা
.

জুমুআ

চাঁদ