এসব হাদীস নয়, প্রচলিত ভুল, হাদীসের নামে জালিয়াতি

এসব হাদীস নয় ১ 2003 2016

আলোচিত ভিত্তিহীন, মওযূ ও জাল বর্ণনাসমূহ
আল্লাহ তাআলা ছিলেন গুপ্তভাণ্ডার ৭৩
আহমদে বে-মীম ৭৫
ভক্তি থাকলে পাথরেও মুক্তি মিলে ৭৫
মেরাজের নব্বই হাজার কালাম ৭৬
আপদ-বিপদে কবরবাসীদের নিকট সাহায্য চাও ৭৮
মান নাগুনজম দর যমীন ও আসমাঁ ৭৮
কলব আল্লাহ তাআলার ঘর ৭৮
কলবুল মুমিনি আরশুল্লাহ ৭৯
আমি ভগ্নহৃদয় ব্যক্তির সঙ্গী ৭৯
দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত ইলম অন্বেষণ কর ৮০
ইলম অন্বেষণে সত্তর নবীর সওয়াব ৮১
আলেমের চেহারার দিকে তাকানোর সওয়াব ৮৩
আলেমের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মুসাফাহার সওয়াব ৮৩
আলেমের মজলিস হাজার রাকাত নফল থেকেও উত্তম ৮৯
একজন আলেমকে সম্মান করা সত্তরজন নবীকে সম্মান করার সমান ৯০
আলেমের পেছনে নামায যেন নবীর পেছনে নামায ৯০
চার হাজার চার শ চুয়াল্লিশ নামায ৯১
এ উম্মতের আলেম বনী ইসরাঈলের নবীতুল্য ৯১
আলেম ও তালেবে ইলমের বরকতে কবরের আযাব মাফ ৯৩
জান্নাতীরাও আলেমের মুখাপেক্ষী ৯৩
শবে বরাতের গোসল ৯৪
শবে কদরের গোসল ৯৫
ত্রিশ তারাবীর ত্রিশ ফযীলতসম্বলিত জাল বর্ণনা ৯৬
বিদায়ি জুমায় উমরি কাযার সওয়াব ১০৩
রমযানের শেষ জুমার নামায সম্পর্কে আরও দু'টি জাল বর্ণনা ১০৪
আযান ও ইকামতের শব্দসমূহের শেষ হরফ সাকিন হবে ১০৫
আযানের সময় কথা বললে ঈমান চলে যাওয়ার আশঙ্কা আছে ১০৬
আযানের সময় কথা বললে ৪০ বছরের নেকি নষ্ট হয়ে যায় ১০৭
আযান বা ইকামতে নবীজীর নাম শুনে আঙুলে চুমো খাওয়া ১০৭
মসজিদে দুনিয়াবি কথা বলা ১১১
আংটি পরে নামায পড়ার ফযীলত ১১২
পাঁচ ওয়াক্ত জামাতের পাঁচ প্রকার সওয়াব ১১২
পাগড়িসহ দু'রাকাতে ৭০ রাকাত ১১৩
বিবাহিত ব্যক্তির দু'রাকাতে ৭০ রাকাত ১১৫
প্রতি বছর ৬ লাখ হাজীর হজ পালন ১১৬
সপ্তাহের রাত-দিনের নফল নামায ১১৭
শনিবার দিনের নফল নামায়ের জাল বর্ণনা ১১৯
বছরের অন্যান্য সময়ের নামায ১২১
শবে মেরাজ ১২২
শবে বরাত ১২৩
স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ ১২৫
মুমিনের ঝুটা ওষুধ ১২৬
মুমিনের থুথু ওষুধ ১২৭
পাকস্থলি সকল রোগের কেন্দ্র ১২৮
লবণের মাঝে ৭০ রোগের ওষুধ ১২৮
নখ কাটার নিয়ম ১২৯
যার কোন পীর নেই তার পীর শয়তান ১৩১
যে নিজকে চিনল সে রবকে চিনল ১৩১
প্রতি ৪০জনে একজন ওলী ১৩২
আল্লাহ তাআলার সঙ্গে বিশেষ মুহূর্ত ১৩৩
মরার আগে মর ১৩৩
আন্না-সু কুল্লুহুম হালকা ১৩৪
আযানের দুআয় ‘ওয়াদ্ দারাজাতার রাফীআ' বৃদ্ধি ১৩৫
আযানের দুআয় ‘ইয়া আরহামার রাহিমীন' বৃদ্ধি ১৩৬
নামায শেষে 'হায়িয়না রাব্বানা বিসসালাম.. ' ১৩৭
মায়িয়তের জন্য খতমে তাহলীল ১৩৯
ইবাদতে কোন বেদআত নেই ১৩৯
পৃথিবী ষাঁড়ের শিঙের ওপর ১৪০
কিসসা-কাহিনী ১৪০
ইসরাঈলী রেওয়ায়েত ১৪২

রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বৈশিষ্ট্য ও ফযীলত-বিষয়ক ভিত্তিহীন ও জাল বর্ণনা
মুহাম্মাদ নামের সকল ব্যক্তি এবং তাদের পিতাগণ জান্নাতী ১৫৩
আমার নামে সন্তানের নাম রাখ.. জাহান্নামের আগুনে জ্বালাব না ১৫৪
মেরাজে জিবরাঈল (আ. )এর সঙ্গ ত্যাগ ১৫৫
জুতো নিয়ে আরশ গমন ১৫৯
রাতের আঁধারে নবীজীর নূরে সুই পাওয়ার ঘটনা ১৬১
আপনাকে সৃষ্টি না করলে কিছুই সৃষ্টি করতাম না ১৬৩
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ছায়া প্রসঙ্গ ১৭০

নূরে মুহাম্মাদিবিষয়ক রেওয়ায়েতসমূহ
ভূমিকা: 'নূর' শব্দের অর্থ ও ব্যবহার ১৭৩
কোন্ নূর ফযীলতের মাপকাঠি ১৭৭
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাশার হয়েও নূর ১৭৮
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের
শরীর মুবারক কীসের তৈরি? ১৮৩
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানব ছিলেন ১৮৯

সর্বপ্রথম সৃষ্টি নূরে মুহাম্মাদি.. ১৯১-১৯২
নবীজীর নূরের বয়স-বিষয়ক জাল বর্ণনা ১৯৫
হযরত আদম (আ. )এর জন্মের চৌদ্দ হাজার বছর আগে আমি (রাসূল) নূর আকারে বিদ্যমান ছিলাম ১৯৫
‘আল্লাহ তাআলা আমাকে তাঁর নূর দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।.. আমার নূর দ্বারা আবু বকর.. আবু বকরের নূর দ্বারা উমর.. ’ ১৯৭



এসব হাদীস নয় ২ 2016

নবী-রাসূল, সাহাবী-তাবেঈ
দুই লক্ষ চক্বিশ হাজার পয়গম্বর ৩৫
সাপের মুখে করে ইবলীসের বেহেশতে প্রবেশ ৩৬
সেই উন্মতের নবী তাদের মধ্য থেকেই হবে ৩৭
সুলাইমান আ. এর আংটি হারানো ৩৮
সুলাইমান আ. এর সকল সৃষ্টিজীবকে মেহমানদারি করানো ৪০
কুষ্ঠরোগে আইযূব আ. এর সারা শরীর ঘা হয়ে যাওয়া ৪১
যাকারিয়া আ. কে করাত দিয়ে দ্বিখণ্ডিত করা ৪৪
ঈসা আ. এর বিসমিল্লাহ-এর ব্যাখ্যা প্রদান ৪৫
ঈদের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের একটি ছেলে পাওয়া ৪৫
আবু বকর রা. এর খেজুর পাতার পোশাক পরিধান ৪৭
উমর রা. এর ছেলে আবু শাহমার ব্যভিচারের শাস্তি ৪৮
ফাতেমার 'জারি' ৫০
বেলাল রা. এর 'সীন'কে 'শীন' উচ্চারণ করা ৫০
জাবের রা. এর ছেলে কর্তৃক ভাইকে হত্যা ৫২
হাসান ও হুসাইন রা. এর নতুন কাপড়ের জন্য কান্নাকাটি ৫৩
উয়াইস কারনী রহ. এর দাঁত ভেঙে ফেলা ৫৩
উয়াইস কারনী রহ. কে খিরকা দিয়ে যাওয়া ৫৫

ইলম অন্বেষণ, পড়াশোনা

আলেম-উলামা, মসজিদ-মাদরাসা
জ্ঞানার্জনের জন্য চীনে গমন ৫৭
আসরের পর পড়াশোনার ক্ষতি ৬০
মেয়েদের হস্তলিপি শেখা ৬১
ইলম অনুযায়ী আমল করার ফযীলত ৬২
জ্ঞানীর কলমের কালির মর্যাদা ৬২
মসজিদ-মাদ্ৰাসার ফযীলত ৬৫

তাসাওউফ, পীর-মুরীদী ও ওলী-বুযূর্গ
শায়খের মর্যাদা ৬৭
আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হওয়া ৬৮
ইলমে বাতেন ৬৯
নেকারদের আলোচনার ফযীলত ৭০
গোপন মুত্তাকী ৭১
বোরাকে ওঠার জন্য আব্দুল কাদের জিলানীর কাঁধ বাড়িয়ে দেওয়া ৭২

দুআ-দরূদ
দরূদ পাঠের নির্দিষ্ট ফযীলত ৭৭
ওযুর প্রত্যেক অঙ্গ ধোয়ার ভিন্ন ভিন্ন দুআ ৭৮
ওযুর শুরুতে পড়ার দুআ ৮২
হিযবুল বাহুর ৮৩
দুআয়ে ইবরাহীম ৮৫
দুআয়ে ক্বাদাহ ৮৬
দুআয়ে জামিলা ৮৯
আহাদনামা ৮৯
হাফতে হাইকাল ৯০
দুআয়ে হাবীবী ৯০
মুনাজাতে আবু বকর রা. ৯১
দুআয়ে গঞ্জুল আরশ ৯৩
দরূদে তাজ ৯৪
দরূদে হাজারি ৯৬
দরূদে শেফা ৯৬
দরূদে তুনাজ্জিনা দরূদে নাজিয়া ৯৬
দরূদে আকবর ৯৭
দরূদে নারিয়া ৯৮
দরূদে লাখী ৯৮

বিভিন্ন আমল
ফজরের নামাযের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত অপেক্ষা করে দু'রাকাত নামায আদায়ের নির্দিষ্ট সওয়াব ১০১
নামাযের পর নামাযের স্থানে বসে থাকার নির্দিষ্ট ফযীলত ১০২
তাকবীরে তাশরীকের প্রেক্ষাপট ১০৩
মসজিদে বাতি জ্বালানোর ফযীলত ১০৪
যোহরের নামাযের পর সূরা ‘ফাত্হ’.. ১০৫
চার হাজার দিনার সদকা দিয়ে ঘুমাবেন.. ১০৫
দানশীলতার ফযীলত ১০৭
দৈনিক বিশবার মৃত্যুকে স্মরণ করার সওয়াব ১০৮
দৈনিক বিশজনকে সালাম প্রদানের ফযীলত ১০৯
সালাম প্রদানে নব্বই নেকি আর উত্তরে দশ নেকি ১১১
 
মাস, দিন, তারিখ ইত্যাদি বিষয়ক
কোন্ দিন কী সৃষ্টি হয় ১১৩
আইয়ামে বীয নামকরণের কারণ ১১৭
আইয়ামে বীযে রোযার নির্দিষ্ট সওয়াব ১১৭
আশুরার রোযার নির্দিষ্ট ফযীলত ১১৮
আশুরায় রোগীর সেবার ফযীলত ১১৯
আশুরার নির্দিষ্ট নিয়মের নামাযের ফযীলত ১১৯
আশুরার দিন কেয়ামত সংঘটিত হওয়া ১২০
আশুরার গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি ১২০
রজব মাসের রোযার নির্দিষ্ট ফযীলত ১২৫
রজবের সাতাশ তারিখে রোযার ফযীলত ১২৬
শবে ইস্তিফতাহ ১২৬
২৭ রজব ইসরা ও মেরাজ সংঘটিত হওয়া ১২৯
রমযান মাসের নির্দিষ্ট ফযীলত ১৩০
রোয়া ত্রিশ হওয়ার তাংপর্য ১৩১
যিলহজের শেষ দিন এবং মহররমের প্রথম দিন রোযার ফযীলত ১৩১
যিলহজের প্রথম দশদিনের রোযার ফযীলত ১৩১

নারী-পুরুষ, স্বামী-স্ত্রী

পরিবার ও দাম্পত্য জীবন
নেককার নারী ও বদকার নারী ১৩৫
স্বামী-স্ত্রীর হাসি-খুশি দেখা-সাক্ষাতের সওয়াব ১৩৫
স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরে দুর্ব্যবহার সহ্য করার সওয়াব ১৩৬
পরিবারের জন্য নিজ হাতে আসবাব-পত্র বহনের সওয়াব ১৩৭
স্বামীর কাপড় ধুয়ে দেওয়ার সওয়াব ১৩৭
ডিমের গুণাগুণ ১৩৮
দাম্পত্য মিলনের বিধিনিষেধ ১৩৮
গর্ভাধারণ ও সন্তান প্রসবের পুরস্কার ১৪০

প্রবাদ-প্রবচন ও উক্তি
আচার-আচরণ কর ভাইয়ের মতো
লেনদেন কর অপরিচিতের মতো ১৪৩
অপবাদের জায়গা থেকে দূরে থাক ১৪৪
মুমিনদের সম্পর্কে সুধারণা পোষণ করবে ১৪৪
নামায মুমিনের মেরাজ ১৪৬
যে অপরকে নিয়ে হাসাহাসি করে সে নিজেও হাসির পাত্র হয় ১৪৭

বিবিধ
সৃষ্টি ও সৃষ্টিজগৎ: আঠারো হাজার মাখলুকাত ১৪৯
কালেমায়ে তাইয়েবা ও আরশ ১৫০
আমার জন্ম হয়েছে ন্যায়পরায়ণ শাসক 'নওশেরওঁয়া'র যুগে ১৫০
উম্মতে মুহাম্মদির শ্রেষ্ঠত্ব ১৫০
দুনিয়া আখেরাতের শস্যক্ষেত্র ১৫১
হক কথা না বলে যে চুপ থাকে সে বোবা শয়তান ১৫২
দারিদ্র্য ও ক্ষুধা: প্রত্যেকের একটি পেশা থাকে। আমার পেশা
দু'টি- জিহাদ ও দারিদ্র্য.. ' ১৫৩
ক্ষুধার সাহায্যে বেহেশতের দরজায় করাঘাত করতে থাক ১৫৩
আরবদের মর্যাদা: তিন কারণে আরবদের ভালোবাসবে-.. ১৫৫
আকিক পাথর: তোমরা আকিক পাথরের আংটি ব্যবহার কর, এ আংটি হাতে থাকলে কেউ পেরেশান হবে না ১৫৭

জাল পুস্তিকা
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসিয়ত ১৬০
মুনাব্বিহাতে ইবনে হাজার ১৬৯



প্রচলিত ভুল ১ 2012


সংখ্যাভিত্তিক সূচি
ভূল বিশ্বাস: দোকান খোলার পর প্রথম বিক্রি বাকীতে না করা, ফেরতও না নেওয়া!.. ২৯
হাদীস নয়: দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত ইল্ম অন্বেষণ কর!.. ৩০
ভূল উচ্চারণ 'আকামত' 'মুসওয়াদ্দা' 'আল-বিসমিল্লাহ'.. ৩১
ভূল ঘটনা: জাবের রাযি. এর দূই শিশু ছেলের বকরী জবাই খেলা!.. ৩১
ভূল বিশ্বাস: বিনা ওযুতে বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রহ. -এর নাম মুখে নেওয়া! ৩২
হাদীস নয়: যার কোন পীর নেই তার পীর শয়তান!.. ৩৩
ভূল ঘটনা: হযরত হাসান-হোসাইন রাযি. -এর ঈদের নতুন জামার জন্য কান্নাকাটি!.. ৩৩
ভূল উচ্চারণ: আহমেদ আহাম্মদ.. ৩৪
ভূল নাম: নবীউল্লাহ!.. ৩৫
সালামের কয়েকটি ভূল:.. ৩৫
বলার ভূল: মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়া!.. ৩৭
ভূল প্রবাদ: মহাভারত কি অশুদ্ধ হয়ে যাবে?.. ৩৭
বোরাকুন্নবী: একটি কান্ননিক ছবি.. ৩৭
একটি মারাআক জাল হাদীস: আমি 'মীম' বিহীন আহমাদ এবং 'আইন' বিহীন আরব!.. ৩৮
নামের ভূল: মুরসালীন মুস্তাকীন.. ৩৯
একটি নামেরভূল ব্যবহার.. ৩৯
সালাম দেওয়ার একটিভূল পদ্ধতি.. ৩৯
ভূল ঘটনা: হযরত আব্দুল কাদের জিলানী রহ. -এর বাঘের আকৃতি ধারণ!.. ৪০
ভূল প্রচলন: জানাযার নামাযের আগে মৃত ব্যক্তি 'ভাল ছিল' একথার স্বীকৃতি নেয়া!.. ৪০
সুন্নত: আযানের পর দরূদ ও দোয়া পাঠ করা!.. ৪১
বিদআত: আযান শুরুর আগে 'আসসালাতু.. ' ইত্যাদি পড়া!.. ৪১
হাদীস নয়: ভক্তি থাকলে পাথরেও মৃক্তি মিলে!.. ৪১
 ইনশাআল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ্.. ৪২
নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করা.. ৪২
গাড়ীতে আরোহণের দূআ.. ৪৩
সুন্নত: দরূদ পড়া!.. ৪৩
বিদআত: অঙ্গুল চুমু খেয়ে চোখে মোছা!.. ৪৩
একটি ঈমান বিধ্বংসী বাতিল আকীদা: মিরাজের নব্বই হাজার কালাম.. ৪৩
ভূল বিশ্বাস: রাতের বেলায় ঝুটা পানি বাইরে ফেলা কী অলুক্ষণে?.. ৪৫
অসত্য ঘটনা: ‘ফাতেমার জারি’.. ৪৬
ভূল কথা: তোমাকে শনির দশায় পেয়েছে!.. ৪৭
ভূল আমল: ইমামকে রুকুতে পেলে কি তাকবীর বলে হাত বেঁধে দাঁড়াতে হয়?.. ৪৭
সুন্নত: সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করা!.. ৪৭
বিদআত: সাক্ষাতে কদমবুসি করা বা সালামের ইশারা করা!.. ৪৮
হাদীস নয়: প্রতি ৪১ জনে একজন ওলী!.. ৪৮
ভূল ঘটনা: আব্দুল কাদের জিলানী রহ. -এর রূহ ফিরিয়ে দেওয়া!.. ৪৮
ভূল আমল: ইমামকে সিজদায় পেলে নিজে নিজে রুকু-সিজদা করা!.. ৪৯
একটি অবহেলা: জুমার নামাযের পর চার রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা আদায় না করা!.. ৫০
সুন্নত: সন্তান জন্মোর সাতদিন পর আকীকা করা!.. ৫০
বিদআত: জন্ম-অনুষ্ঠান পালন করা!.. ৫০
একটি অমার্জিত আচরণ.. ৫০
হাদীস নয়: আলেমের চেহারার দিকে তাকানোর সওয়াব!.. ৫১
ভূল বিশ্বাস: পরকালে লাইলি-মজনুর বিয়েতে শরীক হওয়া!.. ৫১
ভূল ঘটনা: রাবেয়া বসরীর জাহান্নামের আগুন নিভানো!.. ৫২
ভূল কথা: আল্লাহর সহ্য হবে না!.. ৫৩
সুন্নত: বিয়ের পর ওলীমা করা!.. ৫৩
 বিদআত: মেয়ের অভিভাবককে নির্দিষ্ট সংখ্যক মেহমানদারীতে বাধ্য করা!.. ৫৩
 হাদীস নয়: মসজিদে (দুনিয়াবী) কথাবার্তা নেকিকে এমনভাবে খতম করে, যেমন আগুন কাঠকে জ্বালিয়ে ভস্ম করে!.. ৫৩
ভূল বিশ্বাস: পৃথিবী ষাড়ের শিংয়ের উপর বিদ্যমান!.. ৫৪
ভূল প্রচলন: কবরের প্রথম কোপের মাটিকে কবরের নিশানা হিসেবে ব্যবহার করা!.. ৫৫
নামের উচ্চারণের ভূল: হেল্লাল বেল্লাল.. ৫৫
 হাদীস নয়: আযান, ইকামত ও তাকবীরে জযম হবে!.. ৫৫
ভুল আমল: গোসল শেষে ওজু করা!.. ৫৬
 ভুল প্রথা: স্বামী মারা গেলে স্বামীর গোসলের সাথে স্ত্রীকে গোসল করানো!.. ৫৭
একটি অমার্জনীয় আচরণ: বিনা ওযরে দাঁড়িয়ে পেশাব করা!.. ৫৭
সুন্নত: মৃত ব্যক্তির গোনাহমাফি, কবরে শান্তি ইত্যাদির জন্য দুআ করা! ৫৮
বিদআত: কবরের পাশে লোক দিয়ে কুরআন তেলাওয়াত করানো!.. ৫৮
ভুল কথা: সব ধরনের দীনী শিক্ষাকে হাফেজী পড়া বলা!.. ৫৮
 হাদীস নয়: আযানের সময় কথা বললে ঈমান যাওয়ার আশংকা রয়েছে!.. ৫৮
ভুল প্রচলন: উকিল বাবা!.. ৫৯
জুমার নামাযের নিয়ত.. ৬০
 ভুল মাসআলা: নামাযে ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়লে কি নামায ভেঙে যায়?.. ৬১
ভুল বিশ্বাস: কুরবানী দিতে অক্ষম ব্যক্তির মুরগী হাঁস কুরবানী দেওয়া!.. ৬১
 ভুল ধারণা: পশু জবাইয়ের সময় কুরবানীদাতাদের নাম পড়া কি জরুরি?.. ৬১
হাদীস নয়: প্রতি বছর ৬ লাখ হাজীর হজ্জ পালন!.. ৬২
ধর্মের বাপ ভাই.. ৬২
সুন্নত: মুসলমানের কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রমের সময় সালাম দেওয়া! ৬৩
বিদআত: কবর অতিক্রম করার সময় হাতে চুমু খাওয়া ইত্যাদি!.. ৬৩
 হাদীস নয়: আহারের শুরু ও শেষ লবন দিয়ে করা। কারণ লবন
 সত্তরটি রোগের ওষুধ। যথা পাগলামি, কুষ্ঠ, শ্বেত.. !.. ৬৩
ভুল ধারণা: ইসলামের ফরয কি সর্বমোট ১৩০টি?.. ৬৪
 ভুল মাসআলা: হাঁটুর কাপড় সরে গেলে ওযু ভেঙে যাবে!.. ৬৫
ভুল প্রচলন: দস্তরখানা 'লাল রঙ' হওয়া কি সুন্নত?.. ৬৫
সুন্নত: পড়ে যাওয়া খাবার উঠিয়ে খাওয়া!.. ৬৫
 হাদীস নয়: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদেরকে
'হস্তলিপি' শেখাতে বারণ করেছেন!.. ৬৬
ভুল রীতি: সালাম বা মুসাফাহার পর বুকে হাত রাখা!.. ৬৬
ভুল ধারণা: রাতের বেলা ঝাড় দেওয়া বা আয়না দেখা কি অশুভ?.. ৬৬
ভুল নিয়ম: পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে কাতার সোজা করা!.. ৬৭
একটি প্রচলিত মারাআক শুনাহ: মামি, চাচি এবং সৎ-শাস্ত্রীর সাথে পর্দা না করা!.. ৬৭
হাদীস নয়: উম্মতের হিসাব-নিকাশ আমার দায়িত্বে ছেড়ে দিন.. !.. ৬৭
ভূল ধারণা: এক সাথে মুনাজাত শুরু এবং শেষ করা!.. ৬৯
ভূল প্রথা: অপরিচিত ব্যক্তিকে সালাম না দেওয়া!.. ৭০
সালামে 'ভিআইপি নিয়ম' চালু না হওয়া উচিত!.. ৭০
ভূল পদ্ধতি: সালাম দেওয়ার সময় মাথা ও সিনা ঝুকিয়ে দেয়া!.. ৭১
হাদীস নয়: মদীনা মক্কা থেকে উত্তম!.. ৭১
ছাতায় অমঙ্গলের বিশ্বাস একটি ভিত্তিহীন কল্পনা!.. ৭১
একটি শিরকী আমল: ভারী বস্তু উঠাতে ইয়া আলী বলা!.. ৭২
আরেকটি শিরকী আমল: ইয়া গাউসুল আজম!.. ৭২
হাদীস নয়: সমস্যায় পড়লে কবরবাসীর সাহায্য প্রার্থনা কর!.. ৭৪
উচ্চারণের একটি ভূল: মুনকার-নাকীর.. ৭৪
ভূল ধারণা: কিরামান-কাতিবীন.. ৭৫
ভূল পন্থা: নামাযে যেখান থেকে ইচ্ছা কাতার করা!.. ৭৫
আরও একটিভূল পন্থা: সামনের কাতার খালি রেখে দাঁড়ানো!.. ৭৫
একটি বাহানা বা একটিভূল ধারণা: নামাযে মিলেমিলে দাঁড়ানো!.. ৭৬
হাদীস নয়: দানশীল ব্যক্তি আল্লাহর প্রিয় যদিও সে কাফের হয়!.. ৭৬
ভূল বিশ্বাস: মৃত বুযুর্গদের রূহ দুনিয়াতে ঘুরে এবং বিভিন্ন প্রয়োজন মিটায়!.. ৭৭
ভূল মাসআলা: মাসবুক মুসল্লীর ইমামের সাথে স্থিরতার স্থানে শিরিক হওয়া!.. ৭৭
ভিত্তিহীন রেওয়ায়াত এবংভূল উদ্বৃতি.. ৭৮
ভূল ভাবনা: রোয়া কি অনাহার যাপন?.. ৮০
 আরেকটিভূল ভাবনা: ঈদ বিজাতিদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মতই কি রেওয়াজী অনুষ্ঠান?.. ৮০
ভূল আমল: জায়নামাযে দাঁড়িয়ে আউযুবিল্লাহ্-বিসমিল্লাহ্ পড়া!.. ৮১
ভূল ধারণা: তারাবীহ পড়তে না পারলে রোয়াও হবে না!.. ৮১
হাদীস নয়: প্রতিদিনের তারাবীর ভিন্ন ভিন্ন ফযিলত!.. ৮২
কথা বলার একটি ভয়ানকভূল যা আকীদা-বিশ্বাসেও প্রভাব ফেলে!.. ৮৩
২৯ দিনে মাস হলে কি এক রোয়া কম হয়?.. ৮৪
প্রসিদ্ধ নামসমূহে প্রচলিত কিছু ভূল!.. ৮৫
ভূল বিশ্বাস: বাইবেল নামে যে গ্রন্থটি খৃস্টানদের নিকট সুপ্রসিদ্ধ সেটি কি আসল তাওরাত ও ইঞ্জিল?.. ৮৫
ভূল ধারণা: আযান ও ইকামতে 'আশহাদু আল্লা মুহাম্মদার রাসূলুল্লাহ' এর জবাবে কী বলবে?.. ৮৭
 হাদীস নয়: আল্লাহ্ র নিকট বেলালের 'সীন' উচ্চারণ 'শীন' ধর্তব্য হয়!.. ৮৭
একটি ভয়াবহ ভূল: কুরবানীর ঈদ কি জবাইয়ের উৎসব?.. ৮৮
ভূল কাজ: দুআর মধ্যেও কি মুকাব্বরের প্রয়োজন হয়?.. ৯০
ভূল ধারণা: ইজতিমার দিনগুলোতে কি রোযা রাখা মুস্তাহাব?.. ৯১
ভূল ধারণা: মনগড়াভাবে কোনো মসজিদকে বিশেষ ফযীলতের মসজিদ মনে করা.. ৯২
 একটিভূল কর্মপদ্ধতি: হিসনে হাসীন কি খতম বা অজীফা আকারে পড়ার কিতাব?.. ৯৪
ভূল নাম: 'আলহাজ্জুল আকবর' কি জুমার দিনের হজ্জুর নাম?.. ৯৪
হাদীস নয়: কবরকে সম্বোধন ও কবরের উত্তর!.. ৯৫
ভূল ধারণা: মৃতের বাড়িতে কি আগুন জ্লালানো নিষেধ?.. ৯৬
একটি শব্দেরভূল ব্যাখ্যা: হাজী ও আলহাজ্জ!.. ৯৭
ভূল মাসআলা: জুমার নামায কি খোলা ময়দানে সহীহ হয় না?.. ৯৭
হাদীস নয়: দীন ও সিয়াসত দুই সহোদর!,.. ৯৮
 একটি ভয়াবহ চিন্তাগত ভূল: সংস্কৃতি সম্পর্কে কি ইসলামের কোনো নির্দেশনা নেই?'.. ৯৯
 একটি ভিত্তিহীন ধারণা: চাশতের নামায ছুটে গেলে কি মানুষ অন্ধ হয়ে যায়?.. ১০১
ভূল মাসআলা: বিনা ওযুতে দরূদ পড়া কি জায়েজ ন্যা?.. ১০২
চিন্তাগত ভূল: আদাব ও নফল বিষয়াদির জ্ঞানচর্চাও কি নফল?.. ১০২
ভূল আমল: জায়নামাযের দূআ!.. ১০৩
ইতিহাসের ভূল: হাসান বসরী রাহ, কি সাহাবী ছিলেন?.. ১০৪
ভূল মাসআলা: মহিলারা নামাযে বিলম্ব করা!.. ১০৪
ভূল বিশ্বাস: মিরাজের উদ্দেশ্য কী ছিল?.. ১০৫
কুসংস্কার: রাতে সুই বিক্রি করা কি অশুভ?.. ১০৫
একটি অবিশ্বাস্যভূল মাসআলা: স্বামীর নাম মুখে নিলে কি স্ত্রী তালাক হয়ে যায়?.. ১০৬
হাদীস নয়: ওযুতে কি প্রত্যেক অঙ্গের জন্য ভিন্ন ডিন দূআ রয়েছে?.. ১০৬
ভূল ধারণা: সস্তান মারা গেলে মা আছরের পর খেতে পারেন না!.. ১০৭
ভূল মাসআলা: রোযা শুদ্ধ হওয়ার জন্য কি সাহরী খাওয়া অপরিহার্য?.. ১০৭
 ভুল ধারণা: ২৭-এর রাত্রিই কি শবে কদর?.. ১০৮
ইতিহাস বিষয়ক একটি ভুল: ফিরাউন কোথায় নিম্নজ্জিত হয়েছিল?.. ১০৯
ভুল চিন্তা: হজ্জ কি একটি বৈশ্বিক সম্মেলন মাত্র?.. ১১০
ভুল মাসআলা: খুতবার শুরুতে কি আউযুবিল্লাহ্-বিসমিল্লাহ্ পড়তে হয়?.. ১১১
ভুল ধারণা: ইফতারের ওয়াক্ত কি আযান শুরু হওয়ার পর হয়?.. ১১২
হাদীস নয়: চল্লিশ বছরের আমল বিনষ্ট হবে!.. ১১২
ভুল ধারণা: মিনার তিনটি ‘জামরা’ কি তিন শয়তান?.. ১১৩
ভুল প্রচলন: তাওয়াফের সাত চক্করের জন্য কি আলাদা আলাদা দুআ রয়েছে?.. ১১৫
একটি ভিত্তিহীন রসম: আখেরী চাহার শোম্বা কি উদযাপনের দিবস?.. ১১৬
ভুল মাসআলা: ইহরাম অবস্থায় কি চাদর বা লেপ দ্বারা পা আবৃত করা যায় না?.. ১২০
ভুল ধারণা: মায়ের মীরাসে কন্যা কি পুত্রের সমান বা দ্বিগুণ পাবে?.. ১২০
একটি জাহেলী রসম: বোন তার অংশ গ্রহণ করলে পিত্রালয়ে আসা-যাওয়া বন্ধ!.. ১২১
একটি ঘৃণ্য মানসিকতা: পুত্র হলে মিঠাই বিতরণ, কন্যা হলে.. !.. ১২২
ভুল চিন্তা: ইসলামে কি কোনো সংস্কৃতি নেই?.. ১২৩
ভুল রসম: ফাতিহায়ে ইয়ায়দহম-এর কোনো শরয়ী ভিত্তি আছে কি?.. ১২৪
এটি কি হাদীস? সালাম দিলে নব্বই নেকী আর জওয়াব দিলে দশ নেকী!.. ১২৫
একটি চরম ভ্রাস্তি: সৃফীবাদই কি প্রকৃত ইসলাম?.. ১২৬
এটি কি হাদীস? আসসালাতু মিরাজুল মুমিনীন!.. ১২৮
ওভাবে নয় এভাবে বলুন!.. ১২৮
ভুল ধারণা: ঈদের জন্য কি সবকিছুই নতুন হওয়া মাসনুন?.. ১২৯
এটি কি হাদীস? দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার?.. ১৩০
ভুল চিন্তা: ওযরের হালতে কি মাসআলা নেই?.. ১৩১
ভুল মাসআলা: সফরের হালতে কি রোয়া ভাঙ্গার অনুমতি আছে, না না-রাখার?.. ১৩১
ভুল ধারণা: খতমসমূহ কি ইমাম ছাহেবের মাধ্যমে বখশানো জরুরি?.. ১৩২
হাদীস নয়: মৃতদেরকে কেন্দ্র করে যে খানা খাওয়ানো হয় তা অন্তরকে মৃত বানিয়ে দেয়!.. ১৩২
মিনার জামারাগুলো কি স্মারক বা ভাস্কর্য?.. ১৩৩
 একটি ভিত্তিহীন রসম বা ভিত্তিহীন বর্ণনা: আসরের পর কিছু খাওয়া কি অনুত্তম?.. ১৫০
 ভূল প্রচলন: বিবাহের ইজাব-কবুলের পর সালাম-মুসাফাহা কি সুন্নত?.. ১৫০
ভূল মাসআলা: বিধবার অন্যত্র বিবাহ হলে সে কি পূর্বের স্বামীর মীরাস থেকে বঞ্চিত হয়?.. ১৫১
 এটি হাদীসের দূআ নয়: মুনাজাতে একবুলে উল্লিখিত 'দুআয়ে ইব্রাহীম' হাদীসের দোয়া নয়!.. ১৫১
মিরাজ বিষয়ক আলোচনা: কিছু অসতর্কতা.. ১৫২
 একটি এন্যায় কাজ: 'বিসমিল্লাহ্' ও 'দরূদ' অশুদ্ধ বা অসম্পূর্ণ বলা ও লেখা.. ১৫৩
একটি 'কাহিনী': 'দুআয়ে কদ্ হ' সম্পর্কিত বর্ণনার কোনো ভিত্তি নেই!.. ১৫৫
ভূল কাজ: জানাযার প্রতি তাকবীরে আকাশের দিকে চোখ উঠানো.. ১৫৫
 একটি চিস্তাগত দুর্বলতা: রমাযানুল মুবারকের সমাপ্তিতে আনন্দিত হওয়ার কারণ!.. ১৫৫
হিসনে হাসীন, মুনাজাতে মকবুলের সাত মঞ্জিল!.. ১৫৬
হরম ও মসজিদে হরম কি এক?.. ১৫৮
ইহরামের চাদরকেই ইহরাম মনে করা!.. ১৫৯
হিযবুল বাহ্ র মাছূর দূআ নয়!.. ১৬১
 একটি উদাসীনতা: হিজরী বর্ষ ও চান্দ্রমাসের তারিখ ব্যবহারে উদাসীনতা!.. ১৬১
 ভূল মাসআলা: শিশুর জন্য কি তার বোনের দুধ পান করা নিষেধ?.. ১৬২
 ভূল ধারণা: মসজিদে নববীতে চল্লিশ ওয়াক্ত নামায জরুরি মনে করা!.. ১৬৩
হাদীস নয়: জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও!.. ১৬৪
ভূল ধারণা: শাহজালাল রহ. ও শাহজালালের মাযার কি এক বিষয়?.. ১৬৫
ভূল চিন্তা: ইসলাহে নফস এবং যিকির ও অযীফা কি শুধু বাইয়াত হওয়া মুরীদের কাজ?.. ১৬৬
একটি আশ্চর্য অপবাদ:
কাফের মারা গেলে কি 'ফী নারি জাহান্নামা' বলতে হয়?.. ১৬৭
একটি কুসংস্কার: বৃষ্টির জন্য ব্যাঙ্গের বিয়ে!.. ১৬৭
ভূল ধারণা: চাশতের নামায কি আট রাকাতই পড়তে হবে?.. ১৬৮
হাদীস নয়: যে আমার সেবা করে, তুমি তার সেবা কর আর যে তোমার সেবা করে তাকে কষ্ট দাও.. !.. ১৬৯
একটি নতুন রসম: প্রবল বৃষ্টি বন্ধের জন্য আয়ান!.. ১৭০
হাদীস নয়: মকতবে ঈসা আ. -এর আলিফ, বা.. ইত্যাদির ব্যাখ্যা দেওয়া!.. ১৭১
ভুল শব্দ: অকাল মৃত্যু!.. ১৭২
একটি ভুল শ্লোগান: ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার!.. ১৭৩
ভুল ধারণা: ইস্তিখারার জন্য কি ঘুমাতে হয়?.. ১৭৫
হাদীস নয়: আঠারো হাজার মাখলুকাত!.. ১৭৬
 ভুল মাসআলা: রিকশা বা যানবাহনে বসে কুরআন তেলাওয়াত করা কি নিষেধ?.. ১৭৭
বিদআত: লাইলাতুর রাগাইব ও শবে ইস্তিফতাহ পালন!.. ১৭৭
একটি বদ রসম: প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন!.. ১৭৮
 ভুল মাসআলা: বছরের শুরু-শেষের মধ্যে সম্পদের সর্বনিম্ন পরিমাণের যাকাত দেওয়া! ১৭৯
 ভুল ধারণা: বিধর্মীদের ‘ঈয়াদাত’ ও তাদের সুস্থতার জন্য দুআ করা যাবে কি না?.. ১৮০
ভুল বিশ্বাস: আলোচনা চলাকালে উপস্থিত হলে হায়াত দীর্ঘ হয়!.. ১৮১
হাদীস নয়: মাদরাসা রাসূলের ঘর!.. ১৮১
একটি রসম: দিনের প্রথম উপার্জনকে ভক্তি জানানো!.. ১৮২
 একটি শব্দের অর্থহীন প্রয়োগ: ‘রূহ’ বা ‘বিদেহী আত্ম’র মাগফিরাত কামনা!.. ১৮৩
ভুল কথা: বিয়েতে ‘কালেমা’ পড়ানো!.. ১৮৪
নামাযে কয়েকটি ভুল.. ১৮৪
ভুল কথা: কার মুখ দেখে যে বের হয়েছিলাম!.. ১৮৬
ভুল চিন্তা: তাওবা করলে বা করালে কি মউত এসে যায়?.. ১৮৭
ভুল কথা: হাঁচি এল মানে কেউ স্মরণ করছে!.. ১৮৮
ঈমানবিধ্বংসী বানোয়াট কিসসা.. ১৮৮
হাদীস নয়: নেককারদের আলোচনাকালে রহমত নাযিল হয়!.. ১৮৯
 ভুল মাসআলা: দাফনের পূর্বে ঈসালে সওয়াব ও দুআ-ইস্তিগফার নিষেধ!.. ১৯০
ভুল কথা: হাত চুলকালে টাকা আসে!.. ১৯০
 ভুল ঘটনা: হযরত ওমরের ইসলাম গ্রহণের দিন কাবা শরীফে আয়ান শুরু!.. ১৯০
হাদীস নয়: যে ব্যক্তি ইল্ম অনুযায়ী আমল করে আল্লাহ্ তাকে না জানা বিষয়ের ইন্ম দান করেন!.. ১৯১
একটি রসম: ফাতিহায়ে ইয়ায়দহম পালন!.. ১৯২
 ভুল পদ্ধতি: নামাযে তাকবীরে তাহরীমা না বলে রুকুতে চলে যাওয়া!.. ১৯৩
 হাদীস নয়: আজানের জবাবে পুরুষ পাবে এক লক্ষ নেকী, মহিলা দুই লক্ষ নেকী!.. ১৯৪
একটি কু-রসম: শ্বশুর বাড়ি প্রবেশের আগে নববধুর পা ধোয়ানো!.. ১৯৪
দুটো ভুল ধারণা.. ১৯৫
তওবার জন্য কি ওযু জরুরি?.. ১৯৬
হাদীস নয়: মিরাজে নবীজীর সাতাশ বছর সময় লেগেছিল.. ১৯৮
 হাদীস নয়: একটি জনপদের উপর পবিত্রতা যখন পাখা বিস্তার করে আকাশ তখন শহীদের রক্ত ধারণ করে!.. ১৯৯
ভুল চিন্তা: কবরের দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা কি নিষেধ?'.. ২০০
ভুল তথ্য: সুরমা কি তুর এর তাজাল্লী থেকে সৃষ্টি?.. ২০০
ভুল ধারণা: কষ্টের সংবাদ দিয়ে না গেলে কবরে বৃক্ষ জন্মায় না!.. ২০১
 ভুল ধারণা: রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যামানায় কি দর্জি ছিল না?.. ২০১
 ভুল তথ্য: মুনাজাতে মকবুল-এ যা কিছু ছাপা হচ্ছে সবই কি থানভী রহ. -এর সংকলন?'.. ২০২
 ভুল ধারণা: যফর আহমদ উছমানী রাহ. কি শব্দীর আহমদ উছমানী রহ. -এর ভাই?'.. ২০২
 হাদীস নয়: লেন-দেন কর অপরিচিতের মতো। আর তোমাদের পারস্পরিক আচরণ যেন হয় ভাইয়ের মতো!.. ২০৩
 ভুল মাসআলা: আততাহিয়াতুর শুরুতে কি আউযুবিল্লাহ্-বিসমিল্লাহ্ পড়তে হয়?.. ২০৩
 ভুল মাসআলা: প্রত্যেক মুসল্লির জন্য কি ছানার পর আউযুবিল্লাহ্- বিসমিল্লাহ্ পড়তে হয়?'.. ২০৪
 একটি ভিত্তিহীন ঘটনা: হে নৃহ! কিশতী ভেঙে ফেল.. ২০৪
নাম সঠিকভাবে বলা ও লিখা.. ২০৫
 ভুল মাসআলা: কুরবানীর শরীক সংখ্যা কি বেজোড় হওয়া জরুরি!.. ২০৬
একটি অবাস্তব দাবি: বাস্তবেই কি তাঁরা শিয়াদের ইমাম!.. ২০৬

বিষয়ভিত্তিক সূচি

ভুল বিশ্বাস
দোকান খোলার পর প্রথম বিক্রি বাকীতে না করা, ফেরতও না নেওয়া!.. ২৯
বিনা ওয়ুতে বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রহ. -এর নাম মুখে নেওয়া!.. ৩২
ঈমান বিধ্বংসী বাতিল আকীদা: মিরাজের নব্বই হাজার কালাম.. ৪৩
রাতের বেলায় ঝুটা পানি বাইরে ফেলা কি অলুক্ষণে?.. ৪৫
পরকালে লাইলি-মজনুর বিয়েতে শরীক হওয়া!.. ৫১
পৃথিবী ষাড়ের শিংয়ের উপর বিদ্যমান!.. ৫৪
কুরবানী দিতে অক্ষম ব্যক্তির মুরগী হাঁস কুরবানী দেওয়া!.. ৬১
ছাতায় অমঙ্গলের বিশ্বাস একটি ভিত্তিহীন কল্পনা!.. ৭১
মৃত বুযুর্গদের রূহ দুনিয়াতে ঘুরে এবং বিভিন্ন প্রয়োজন মিটায়!.. ৭৭
বাইবেল নামে যে গ্রন্থটি খুস্টানদের নিকট সুপ্রসিদ্ধ সেটি কি আসল তাওরাত ও ইঞ্জিল?.. ৮৫
মিরাজের উদ্দেশ্য কী ছিল?.. ১০৫
ভ্রান্ত বিশ্বাস: শায়খ আবদুল কাদের জিলানী রহ. বা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহ. -এরও কি আসমায়ে হুসনা রয়েছে?.. ১৩৮
আলোচনা চলাকালে উপস্থিত হলে হায়াত দীর্ঘ হয়!.. ১৮১

হাদীস নয়
দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত ইল্ম অন্বেষণ কর!৩০
যার কোন পীর নেই তার পীর শয়তান! ৩৩
আমি ‘মীম’ বিহীন আহমাদ এবং ‘আইন’ বিহীন আরব! ৩৮
ভক্তি থাকলে পাথরেও মুক্তি মিলে! ৪১
প্রতি ৪০ জনে একজন ওলী! ৪৮
আলেমের চেহারার দিকে তাকানোর সওয়াব! ৫১
মসজিদে (দুনিয়াবী) কথাবার্তা নেকিকে এমনভাবে খতম করে, যেমন আগুন কাঠকে জ্বালিয়ে ভস্ম করে! ৫৩
আযান, ইকামত ও তাকবীরে জযম হবে! ৫৫
আযানের সময় কথা বললে ঈমান যাওয়ার আশংকা রয়েছে! ৬২
আহারের শুরু ও শেষ লবন দিয়ে করা। কারণ লবন সত্তরটি রোগের ওষুধ। যথা পাগলামি, কুষ্ঠ, শ্বেত.. ! ৬৩
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদেরকে 'হস্তলিপি' শেখাতে বারণ করেছেন! ৬৬
উম্মতের হিসাব-নিকাশ আমার দায়িত্বে ছেড়ে দিন.. ! ৬৭
মদীনা মক্কা থেকে উত্তম! ৭১
সমস্যায় পড়লে কবরবাসীর সাহায্য প্রার্থনা কর! ৭৪
দানশীল ব্যক্তি আল্লাহর প্রিয় যদিও সে কাফের হয়! ৭৬
ভিত্তিহীন রেওয়ায়াত এবং ভুল উদ্ধৃতি ৭৮
প্রতিদিনের তারাবীর ভিন্ন ভিন্ন ফযিলত! ৮২
আল্লাহর নিকট বেলালের সীন উচ্চারণ শীন ধর্তব্য হয়! ৮৭
কবরকে সম্বোধন ও কবরের উত্তর! ৯৫
দীন ও সিয়াসত দুই সহোদর ৯৮
ওযুতে কি প্রত্যেক অঙ্গের জন্য ভিন্ন ভিন্ন দুআ রয়েছে? ১০৬
চল্লিশ বছরের আমল বিনষ্ট হবে! ১১২
সালাম দিলে নব্বই নেকী আর জওয়াব দিলে দশ নেকী! ১২৫
দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার? ১৩০
আসসালাতু মিরাজুল মুমিনীন! ১২৮
মৃতদেরকে কেন্দ্র করে যে খানা খাওয়ানো হয় তা অন্তরকে মৃত বানিয়ে দেয়! তথা মৃত মিত বলো!.. ১৩২
আমার জন্ম হয়েছে ন্যায়পরায়ণ শাসক নতুন পরীক্ষার যুগে!.. ১৩৫
আশুরার দিন কিয়ামত হওয়া প্রসঙ্গে!.. ১৩৭
 শায়খের মর্যাদা তার অনুসারীদের মধ্যে তেমনই যেমন নবীর মর্যাদা তাঁর উম্মতের মধ্যে!.. ১৪২
আবু বকর সিদ্দীক রাযি. কি মিলাদ দিতেন?.. ১৪৫
হাদীসে কি ফুল কেনার প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে?.. ১৪৭
জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও! উপলব্ধি ও সুবর্ণ প্রযোগ ১৬৪
 যে আমার সেবা করে, তুমি তার সেবা কর আর যে তোমার সেবা করে তাকে কষ্ট দাও!.. ১৬৯
মকতবে ঈসা আ-এর আলিফ, বা.. ইত্যাদির ব্যাখ্যা দেওয়া!.. ১৭১
আঠারো হাজার মাঝলুকাত!.. ১৭৬
মাদরাসা রাসূলের ঘর!.. ১৮১
নেককারদের আলোচনাকালে রহমত নাযিল হয়! ১৮৯
 যে ব্যক্তি ইল্ম অনুযায়ী আমল করে আল্লাহ্ তাকে না জানা বিষয়ের ইল্ম দান করেন! মানুষ সক্তি হয়! ১৯১
আজানের জবাবে পুরুষ পাবে এক লক্ষ নেকী, মহিলা দুই লক্ষ নেকী!.. ১৯৪
মিরাজে নবীজীর সাতাশ বছর সময় লেগেছিল'.. ১৯৮
 একটি জনপদের উপর পবিত্রতা যখন পাখা বিস্তার করে আকাশ তখন শহীদের রক্ত ধারণ করে!.. ১৯৯
লেন-দেন কর অপরিচিতের মতো। আর তোমাদের পারস্পরিক আচরণ যেন হয় ভাইয়ের মতো! ২০৩

ভুল উচ্চারণ
ভুল উচ্চারণ: ‘আকামত’ ‘মুসওয়াদ্দা’ ‘আল-বিসমিল্লাহ’.. ৩১
আহমেদ আহাম্মদ.. ৩৪
হেল্লাল বেল্লাল.. ৫৫
মুনকার-নাকীর.. ৭৪
চান্দ্র পঞ্চম মাসের নামের সঠিক উচ্চারণ কী?.. ১৪৭

ভুল নাম
নবীউল্লাহ!.. ৩৫
মুরসালীন মুস্তাকীন.. ৩৯
নামের ভুল ব্যবহার.. ৩৯
প্রসিদ্ধ নামসমূহে প্রচলিত কিছু ভুল!.. ৮৫
'আলহাজ্জুল আকবর' কি জুমার দিনের হজ্জের নাম?.. ৯৪

ভুল কথা বলার ভুল
মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়া!.. ৩৭
মহাভারত কি অশুদ্ধ হয়ে যাবে?.. ৩৭
ইনশাআল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ.. ৪২
তোমাকে শনির দশায় পেয়েছে!.. ৪৭
আল্লাহর সহ্য হবে না!.. ৫৩
সব ধরনের দীনী শিক্ষাকে হাফেজী পড়া বলা!.. ৫৮
ভারী বস্তু উঠাতে ইয়া আলী বলা!.. ৭২
ইয়া গাউসুল আজম!.. ৭২
এখন বাচ্চা নিব না!.. ৮৩
ওভাবে নয় এভাবে বলুন!.. ১২৮
একটি শব্দের অর্থহীন প্রয়োগ:
'রূহ' বা 'বিদেহী আত্মা'র মাগফিরাত কামনা!.. ১৮৩
বিয়েতে 'কালেমা' পড়ানো!.. ১৮৪
কার মুখ দেখে যে বের হয়েছিলাম!.. ১৮৬
হাঁচি এল মানে কেউ স্মরণ করছে!.. ১৮৮
হাত চুলকালে টাকা আসে!.. ১৯০

ভুল কাজ
দুআর মধ্যেও কি মুকাব্বিরের প্রয়োজন হয়?.. ৯০
হিসনে হাসীন কি খতম বা অজীফা আকারে পড়ার কিতাব?.. ৯৩
মাঝে অনেক ফাঁকা রেখে ইকতিদা করা!.. ১৩৬
জানাযার প্রতি তাকবীরে আকাশের দিকে চোখ উঠানো.. ১৫৫

ভুল ঘটনা
জাবের রাযি. -এর দুই শিশু ছেলের বকরী জবাই খেলা!.. ৩১
হযরত হাসান-হোসাইন রাযি. -এর ঈদের নতুন জাঁমার জন্য কান্নাকাটি!.. ৩৩
হযরত আব্দুল কাদের জিলানী রহ. -এর বাঘের আকৃতি ধারণ!.. ৪০
'ফাতেমার জারি'.. ৪৬
আব্দুল কাদের জিলানী রহ. -এর রূহ ফিরিয়ে দেওয়া!.. ৪৮
রাবেয়া বসরীর জাহান্নামের আগুন নিভানো!.. ৫২
ঈমানবিধ্বংসী বানোয়াট কিসসা.. ১৮৮
হযরত ওমরের ইসলাম গ্রহণের দিন কাবা শরীফে আযান শুরু!.. ১৯০
একটি ভিত্তিহীন ঘটনা: হে নূহ! কিশতী ভেঙে ফেল.. ২০৪

ভুল প্রচলন
জানাযার নামাযের আগে মৃত ব্যক্তি 'ভাল ছিল' একথার স্বীকৃতি নেয়া!.. ৪০
গাড়ীতে আরোহণের দুআ.. ৪৩
কবরের প্রথম কোপের মাটিকে কবরের নিশানা হিসেবে ব্যবহার করা!.. ৫৫
উকিল বাবা!.. ৫৯
জুমার নামাযের নিয়ত.. ৬০
ধর্মের বাপ ভাই.. ৬২
দস্তরখানা 'লাল রঙ' হওয়া কি সুন্নত?.. ৬৫
বিবাহের ইজাব-কবুলের পর সালাম-মুসাফাহা কি সুন্নত?.. ১৫০
 
বিদআত
 আযান শুরুর আগে 'আসসালাতু.. ' ইত্যাদি পড়া!.. ৪১
অঙ্গুল চুমু খেয়ে চোখে মোছা!.. ৪৩
সাক্ষাতে কদমবুসি করা বা সালামের ইশারা করা!.. ৪৮
জন্ম-অনুষ্ঠান পালন করা!.. ৫০
মেয়ের অভিভাবককে নির্দিষ্ট সংখ্যক মেহমানদারীতে বাধ্য করা!.. ৫৩
কবরের পাশে লোক দিয়ে কুরআন তেলাওয়াত করানো!.. ৫৮
কবর অতিক্রম করার সময় হাতে চুমু খাওয়া ইত্যাদি!.. ৬৩
লাইলাতুর রাগাইব ও শবে ইস্তিফতাহ পালন!.. ১৭৭
 
ভুল আমল
সালামের কয়েকটি ভুল.. ৩৫
ইমামকে রুকুতে পেলে কি তাকবীর বলে হাত বেঁধে দাঁড়াতে হয়?.. ৪৭
ইমামকে সিজদায় পেলে নিজে নিজে রুকু-সিজদা করা!.. ৪৯
গোসল শেষে ওজু করা!.. ৫৬
অমার্জনীয় আচরণ: বিনা ওযরে দাঁড়িয়ে পেশাব করা! ৫৭
একটি প্রচলিত মারাআক গুনাহ:
মামি, চাচি এবং সং-শাস্ত্রীর সাথে পর্দা না করা! ৬৭
সালামে 'ভিআইপি নিয়ম' চালু না হওয়া উচিত! ৭০
জায়নামাযে দাঁড়িয়ে আউযুবিল্লাহ্-বিসমিল্লাহ্ পড়া! ৮১
জায়নামাযের দূআ! ১০৩
তাওয়াফের সাত চক্করের জন্য কি আলাদা আলাদা দূআ রয়েছে? ১১৫
নামাযে কয়েকটিভূল ১৮৪
 
ভূল ধারণা
বোরাকুন্নবী: একটি কাল্পনিক ছবি ৩৭
পশু জবাইয়ের সময় কুরবানীদাতাদের নাম পড়া কি জরুরি? ৬১
ইসলামের ফরয কি সর্বমোট ১৩০টি? ৬৪
রাতের বেলা ঝাড়ু দেওয়া বা আয়না দেখা কি অশুভ? ৬৬
এক সাথে মুনাজাত শুরু এবং শেষ করা! ৬৯
কিরামান-কাতিবীন ৭৫
নামাযে মিলেমিলে দাঁড়ানো! ৭৬
তারাবীহ পড়তে না পারলে রোযাও হবে না! ৮১
আযান ও ইকামতে 'আশহাদু আন্না মুহাম্মদার রাসূলুল্লাহ' এর জবাবে কী বলবে? ৮৭
ইজ্জতিমার দিনগুলোতে কি রোয়া রাখা মুস্তাহাব? ৯১
মনগড়াভাবে কোনো মসজিদকে বিশেষ ফযীলতের মসজিদ মনে করা.. ৯২
মৃতের বাড়িতে কি আগুন জ্বালানো নিষেধ? ৯৬
 চাশতের নামায ছুটে গেলে কি মানুষ অন্ধ হয়ে যায়? ১০১
সস্তান মারা গেলে মা আছে র পর খেতে পারেন না! ১০৭
২৭-এর রাত্রিই কি শবে কদর? ১০৮
ইফতারের ওয়াক্ত কি আযান শুরু হওয়ার পর হয়? ১১২
মিনার তিনটি 'জামরা' কি তিন শয়তান? ১১৩
মায়ের মীরাসে কন্যা কি পুত্রের সমান বা দ্বিগুণ পাবে? ১২০
ঈদের জন্য কি সবকিছুই নতুন হওয়া মাসনুন? ১২৯
হজ্জে কি মহিলাদের পর্দা করতে হয় না?' ১৩৫
৭৮৬ কি বিসমিল্লাহ-এর বিকল্প? ১৪০
ফাতিহা কি কিরাত নয়? ১৪০
দুআয়ে কুনৃত কি শুধু আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতাঈনুকা.. ?.. ১৪২
খাজা আবদুল্লাহ কি ভাইদের মধ্যে সবার বড় ছিলেন?.. ১৪৪
মুনাজাতে মকবুলে উল্লিখিত 'দুআয়ে ইব্রাহীম' হাদীসের দোয়া নয়!.. ১৫১
মসজিদে নববীতে চল্লিশ ওয়াক্ত নামায জরুরি মনে করা!.. ১৬৩
শাহজালাল রহ. ও শাহজালালের মাযার কি এক বিষয়?.. ১৬৫
চাশতের নামায কি আট রাকাতই পড়তে হবে?.. ১৬৮
বিধর্মীদের 'ঈয়াদাত' ও তাদের সুস্থতার জন্য কি দুআ করা যাবে না?.. ১৮০
ভূল ধারণা.. ১৯৫
কষ্টের সংবাদ দিয়ে না গেলে কবরে বৃক্ষ জন্মায় না!.. ২০১
রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যামানায়
কি দর্জি ছিল না?.. ২০১
যফর আহমদ উছমানী রাহ. কি শাব্বীর আহমদ
উছমানী রহ. -এর ভাই?'.. ২০২
 
 ভূল মাসআলা
 নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করা.. ৪২
হাঁটুর কাপড় সরে গেলে ওযু ভেঙে যাবে!.. ৬৫
নামাযে ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়লে কী নামায ভেঙে যায়?.. ৬১
মাসবুক মুসল্লীর ইমামের সাথে স্থিরতার স্থানে শরিক হওয়া!.. ৭৭
জুমার নামায কি খোলা ময়দানে সহীহ হয় না?.. ৯৭
বিনা ওযুতে দরূদ পড়া কি জায়েজ নয়?.. ১০২
মহিলারা নামাযে বিলম্ব করা!.. ১০৪
স্বামীর নাম মুখে নিলে কি স্ত্রী তালাক হয়ে যায়?.. ১০৬
রোয়া শুদ্ধ হওয়ার জন্য কি সাহরী খাওয়া অপরিহার্য?.. ১০৭
খুতবার শুরুতে কি আউযুবিল্লাহ্-বিসমিল্লাহ্ পড়তে হয়?.. ১১১
ইহরাম অবস্থায় কি চাদর বা লেপ দ্বারা পা আবৃত করা যায় না?.. ১২০
সফরের হালতে কি রোয়া ভাঙ্গার অনুমতি আছে, না না-রাখার?.. ১৩১
ইহরামের অবস্থায় কি মীকাতের সীমানা থেকে বের হওয়া ঠিক নয়?.. ১৩৫
দাড়ি লম্বা করার শরয়ী বিধান!.. ১৩৯
মাকরূহ ওয়াক্তে কি যিকির-তিলাওয়াত মাকরূহ?.. ১৪৪
বিধবার অন্যত্র বিবাহ হলে সে কি পূর্বের স্বামীর মীরাস থেকে
বঞ্চিত হয়?.. ১৫১
শিশুর জন্য কি তার বোনের দুধ পান করা নিষেধ?.. ১৬২
 রিকশা বা যানবাহনে বসে কুরআন তেলাওয়াত করা কি নিষেধ?.. ১৭৭
বছরের শুরু-শেষের মধ্যে সম্পদের সর্বনিম্ন পরিমাণের যাকাত দেওয়া!.. ১৭৯
দাফনের পূর্বে ঈসালে সওয়াব ও দুআ-ইস্তিগফার নিষেধ!.. ১৯০
নামাযে তাকবীরে তাহরীমা না বলে রুকুতে চলে যাওয়া!.. ১৯৩
আততাহিয়্যাতুর শুরুতে কি আউযুবিল্লাহ্-বিসমিল্লাহ্ পড়তে হয়?'.. ২০৩
প্রত্যেক মুসল্লির জন্য কি ছানার পর আউযুবিল্লাহ্- বিসমিল্লাহ্ পড়তে হয়?'.. ২০৪
কুরবানীর শরীক সংখ্যা কি বেজোড় হওয়া জরুরি!.. ২০৬
 
ভুল প্রথা রীতি নিয়ম পদ্ধতি রসম পহ্ব চিন্তা
স্বামী মারা গেলে স্বামীর গোসলের সাথে স্ত্রীকে গোসল করানো!.. ৫৭
সালাম বা মুসাফাহার পর বুকে হাত রাখা!.. ৬৬
পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে কাতার সোজা করা!.. ৬৭
অপরিচিত ব্যক্তিকে সালাম না দেওয়া'.. ৭০
সালাম দেওয়ার সময় মাথা ও সিনা ঝুঁকিয়ে দেয়া!.. ৭১
নামাযে যেখান থেকে ইচ্ছা কাতার করা!.. ৭৫
সামনের কাতার খালি রেখে দাঁড়ানো!.. ৭৫
রাতে সুঁই বিক্রি করা কি অশুভ?.. ১০৫
হজ্জ কি একটি বৈশ্বিক সম্মেলন মাত্র?.. ১১০
আঞ্চেরী চাহার শোষ্যা কি উদযাপনের দিবস?.. ১১৬
ইসলামে কি কোনো সংস্কৃতি নেই?.. ১২৩
ফাতিহায়ে ইয়াযদহম-এর কোনো শরয়ী ভিত্তি আছে কি?.. ১২৪
একটি চরম ভ্রান্তি: সৃফীবাদই কি প্রকৃত ইসলাম?.. ১২৬
ওযরের হালতে কি মাসআলা নেই?.. ১৩১
চার রাকাতের সময় না থাকলে দুই রাকাতও না-পড়া!.. ১৪৪
দেশের রাজনৈতিক পরিচিতির কারণে আপনজনকে পর মনে করা.. ১৪৮
আসরের পর কিছু খাওয়া কি অনুস্তম?.. ১৫০
ইসলাহে নফস এবং যিকির ও অযীফা কি শুধু বাইয়াত হওয়া মুরীদের কাজ?.. ১৬৬
বৃষ্টির জন্য ব্যাঙ্গের বিয়ে!.. ১৬৭
প্রবল বৃষ্টি বন্ধের জন্য আযান!.. ১৭০
লাইলাতুর রাগাইব ও শবে ইস্তিফতাহ পালন!.. ১৭৭
প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন!.. ১৭৮
 দিনের প্রথম উপার্জনকে ভক্তি জানানে!.. ১৮২
ফাতহায়ে ইয়ায়দহম পালন!.. ১৯২
শ্বশুর বাড়ি প্রবেশের আগে নববধুর পা ধোয়ানো!.. ১৯৪
 
 ভুল ভাবনা
 রোয়া কি অনাহার যাপন?.. ৮০
ঈদ বিজাতিদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মতই কি রেওয়াজী অনুষ্ঠান?.. ৮০
২৯ দিনে মাস হলে কি এক রোয়া কম হয়?.. ৮৪
কুরবানীর ঈদ কি জবাইয়ের উৎসব?.. ৮৮
সংস্কৃতি সম্পর্কে কি ইসলামের কোনো নির্দেশনা নেই?'.. ৯৯
আদাব ও নফল বিষয়াদির জ্ঞানচর্চাও কি নফল?.. ১০২
বোন তার অংশ গ্রহণ করলে পিত্রালয়ে আসা-যাওয়া বন্ধ!.. ১২১
পুত্র হলে মিঠাই বিতরণ, কন্যা হলে.. !.. ১২২
খতমসমূহ কি ইমাম ছাহেবের মাধ্যমে বখশানো জরুরি?.. ১৩২
মিনার জামারাগুলো কি স্মারক বা ভাস্কর্য?.. ১৩৩
হারাম শরীফে একটি গোনাহও কি লক্ষ গোনাহর মতো?.. ১৩৭
রমাযানুল মুবারকের সমাপ্তিতে আনন্দিত হওয়ার কারণ!.. ১৫৫
হিসনে হাসীন, মুনাজাতে মকবুলের স্তাত মঞ্জিল!.. ১৫৬
হরম ও মসজিদে হরম কি এক?.. ১৫৮
ইহরামের চাদরকেই ইহরাম মনে করা!.. ১৫৯
হিযবুল বাহুর মাছূর দুআ নয়!.. ১৬১
তাওবা করলে বা করালে কি মউত এসে যায়?.. ১৮৭
তাওবার জন্য কি ওযু জরুরি?.. ১৯৬
কবরের দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা কি নিষেধ?'.. ২০০
 
ইতিহাস বিষয়ক ভুল
 ফিরাউন কোথায় নিমজ্জিত হয়েছিল?.. ১০৯
 আবু জাহল কি রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা ছিল?.. ১৪৩
 
 ভুল তথ্য
 হাসান বসরী রাহ. কি সাহাবী ছিলেন?.. ১০৪
 তাফসীর বিষয়ক একটি ভুল: ‘আবাবীল’ কি কোনো বিশেষ পাখির নাম?.. ১৪৬
 সুরমা কি তুর এর তাজাল্লী থেকে সৃষ্টি?.. ২০০
মুনাজাতে মকবুল-এ যা কিছু ছাপা হচ্ছে সবই কি থানভী রহ. -এর সংকলন?'.. ২০২
একটি অবাস্তব দাবি: বাস্তবেই কি তাঁরা শিয়াদের ইমাম!.. ২০৬
 
 অন্যান্য
 সালাম দেওয়ার একটি ভুল পদ্ধতি.. ৩৯
 একটি অবহেলা: জুমার নামাযের পর চার রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা আদায় না করা!.. ৫০
একটি অমার্জিত আচরণ.. ৫০
একটি শব্দের ভুল ব্যাখ্যা: হাজী ও আলহাজ্জ!.. ৯৭
 আরবী ব্যাকরণগত ভুল.. ১৪৬
তরজমার ভুল: মন্ত্রণা ও অনুযায়ী এর অর্থ কী?.. ১৪৯
মিরাজ বিষয়ক আলোচনা: কিছু অসতর্কতা.. ১৫২
 একটি অন্যায় কাজ: 'বিসমিল্লাহ্' ও 'দরূদ' অশুদ্ধ বা অসম্পূর্ণ বলা ও লেখা.. ১৫৩
একটি 'কাহিনী': 'দূআয়ে কদ্দহ' সম্পর্কিত বর্ণনার কোনো ভিত্তি নেই!.. ১৫৫
 একটি উদাসীনতা: হিজরী বর্ষ ও চান্দ্রমাসের তারিখ ব্যবহারে উদাসীনতা!.. ১৬১
 একটি আশ্চর্য অপবাদ: কাফের মারা গেলে কি 'ফী নারি জাহান্নামা' বলতে হয়?.. ১৬৭



প্রচলিত ভুল ২ 2023


সংখ্যাভিত্তিক সূচি

আযানের আগে কি সুন্নত পড়া নিষেধ ৩৭
একটি ভুল ধারণা: তাকাব্বুরের নিয়ত না থাকলে কি
টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরা যায় ৩৮
একটি ভুল রেওয়ায়েত ৩৮
একটি ভুল দরূদ: দরূদে হাজারী সঠিক দরূদ নয় ৩৯
একটি ভুল মাসআলা: হাঁটী খুলে গেলে কি ওয় ভেঙে যায় ৩৯
দুটি ভুল প্রচলন: ১. মুসাফাহার সময় ঝোঁকা ৪০
২. মুসাফাহার পর বুকে হাত লাগানো ৪০
এটি হাদীস নয়: জুমার রাত কি কদরের রাত থেকেও উত্তম! ৪১
একটি গর্হিত বিদআত ও মারাত্মক বিকৃতি: ইসলামে কি তৃতীয় কোনো ঈদ আছে ৪২
একটি ভুল মাসআলা: কেরাতে লোকমা হলে কি সাহু সেজদা করা জরুরি ৪৩
এটি হাদীস নয়: আবু বকর রা. -এর কাছে জিবরীল আ. কি নিজের সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন? ৪৪
একটি ভুল মাসআলা: মা ভিন্ন হওয়ার কারণে সন্তানরা কি পিতার মীরাছ থেকে অংশ পায় না? ৪৫
পিতা ভিন্ন হওয়ার কারণে কি সন্তানেরা মায়ের মীরাছ থেকে বঞ্চিত হয়? ৪৫
একটি ভিত্তিহীন ধারণা: দাফনের পর জুমা বা রমযান এলে কি কিয়ামত পর্যন্ত আযাব মাফ হয়ে যায়? ৪৬
একটি ভিত্তিহীন ধারণা: মুত্তালিব নাম আসমায়ে হুসনার অন্তর্ভুক্ত নয় আবদুল মুত্তালিব নাম রাখার বিধান ৪৭
একটি ভুল প্রচলন: আযানের আগে কি সালাত ও সালাম কিংবা যিকির ও তাসবীহ মুস্তাহাব? ৪৭
একটি ভুল ধারণা: ইস্তেখারার জন্য কি দুআ পড়ে ঘুমাতেই হয় ৪৮
 
তালাক সম্পর্কিত কিছু ভুলক্রটি: ৫০
১. তিন তালাক ছাড়া কি তালাক হয় না? ৫১
২. তালাকের সঙ্গে কি বায়েন শব্দ ব্যবহার করা জরুরি? ৫২
৩. একসঙ্গে তিন তালাক দিলে কি তালাক হয় না? ৫২
৪. গর্ভাবস্থায় তালাক দিলে কি তালাক পতিত হয় না? ৫৩
৫. তালাক পতিত হওয়ার জন্য কি সাক্ষীর উপস্থিতি জরুরি? ৫৩
৬. রাগের অবস্থায় তালাক দিলে কি তালাক হয় না? ৫৩

একটি মারাত্মক ভুল কর্মপন্থা: দলিল নয়, এমন বিষয়কে দলিল বানানো.. ৫৪
একটি ভুল ধারণা: দরূদে ইবরাহীমী কি শুধু নামায়ে পড়ার জন্য? ৫৭
একটি ভুল রীতি: খতম কি বখশানো জরুরি? ৫৮
একটি ভুল মাসআলা: নাম বদলালে কি আকীকা দোহরাতে হয়? ৫৯
একটি ভুল আমল: ইমামকে রুকুতে পেলেও কি 'ছানা' পড়তে হবে? ৫৯
একটি ভুল বিশ্বাস: কিয়ামতের আলামত: বেগুন গাছ তলায় হাট বসবে.. ৬০
বলার ভুল: আপনি আমার লক্ষ্মী! ৬০
আরেকটি বলার ভুল: ষাট ষাট, বালাই ষাট.. , ৬১
একটি ভুল ধারণা: টাখনুর ওপর কাপড় কি শুধু নামায়ের সময়? ৬২
একটি ভুল আমল: মসজিদে গিয়ে কি আগে বসতে হয় ৬৩
তারপর নামায় পড়তে হয়? ৬৩
আরেকটি ভুল ধারণা: 'ইন্না-লিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন' ৬৩
কি শুধু মৃত্যু সংবাদ শুনলে? ৬৩
একটি ভুল দরূদ: দরূদে হাজারীর ফযীলত ৬৪
একটি ভুল আমল: ছেলের পিতাও কি পাত্রী দেখবে? ৬৪
একটি ভুল ধারণা: যাকাত কি শুধু রমযান মাসে আদায় করতে হয়? ৬৫
একটি ভুল মাসআলা: গায়রে মাহরামের সঙ্গে কথা ৬৫
বললে কি ওয়ু নষ্ট হয়ে যায়? ৬৫
একটি অবহেলা: মেয়ে সন্তান হলে কানে আয়ান না দেওয়া ৬৫
একটি ভুল প্রচলন: বদনজর থেকে হেফায়তের জন্য ৬৬
শিশুর কপালে টিপ দেওয়া ৬৬
এটি হাদীস নয় ৬৬
একটি অনুত্তম আমল: মাসবুক অবশিষ্ট নামায়ের জন্য কখন দাঁড়াবে? ৬৭
একটি ভুল ধারণা: জায়নামায় বিছিয়ে রাখলে কি ৬৭
শয়তান এসে তাতে নামায় পড়ে? ৬৭
একটি অনর্থক কাজ: খুতবা চলাকালীন দানবাস্ক চালানো ৬৭
একটি ভুল আমল: দুআর শেষে কি হাতে চুমু খেতে হয়?.. ৬৮
একটি অমার্জিত আচরণ: মাইক টেস্টের জন্য কুরআন তেলাওয়াত করা.. ৬৮
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: সুলাইমান আ. -এর যিয়াফত.. ৬৯
একটি ভুল কাজ: কুরআন তেলাওয়াত চালু করে অন্য কাজ করা.. ৭০
এটি হাদীস নয়: যারা শিক্ষা লাভ করে এবং সে অনুযায়ী কাজ করে তারাই প্রকৃত বিদ্বান.. ৭১
একটি অবহেলা: উদাসীনতার সঙ্গে দুআ করা.. ৭২
একটি ভুল ধারণা: মাইয়েতের রূহ চল্লিশ দিন বাড়ি আসা-যাওয়া করা.. ৭৩
এটি হাদীস নয়: আপনার জুতায় আরশ ধন্য হবে.. ৭৩
একটি ভুল কথা: খোদার পর বাবা-মা তারপর নবীজী!.. ৭৪
এটি হাদীস নয়: শয়তান ঈদের দিন রোয়া রাখে.. ৭৬
একটি ভিত্তিহীন কথা: আলমে আরওয়াহের সেজদা.. ৭৬
আরেকটি ভিত্তিহীন কথা: কিয়ামতের দিন কি নবীজী তিন স্থানে বেহুঁশ হবেন? (নাউয়ু বিল্লাহ!).. ৭৭
একটি ভুল আমল: বরকতের জন্য সকালে গোলাপজল সন্ধ্যায় আগরবাতি.. ৭৭
এটি হাদীস নয়: জিবরীলের চার প্রশ্ন.. আপনি বড় না দ্বীন বড়?.. ৭৮
একটি ভুল প্রচলন: সালামের জবাব না দিয়ে ‘কেমন আছেন’ বলা.. ৭৯
একটি ভুল মাসআলা: রোয়ার নিয়ত কি মুখে করা জরুরি?.. ৮০
নামের ভুল উচ্চারণ: প্রসিদ্ধ দুইজন মুহাদ্দিসের নামের ভুল উচ্চারণ- ১. ইমাম তবারানী রাহ. ২. ইমাম দারাকুত্তনী রাহ.. ৮০
একটি ভুল মাসআলা: সন্তানের আকীকার গোস্ত কি মা-বাবা খেতে পারবে না?.. ৮১
নামের ভুল উচ্চারণ: প্রসিদ্ধ কয়েকজন মুহাদ্দিসের নামের ভুল উচ্চারণ- ১. ইমাম দারিমী রাহ.. ৮১
২. ইকরিমা ৩. ইয়াহুইয়া ইবনে মাঈন রাহ.. ৮২
একটি ভুল মাসআলা: যে মহিলাকে দিনে চল্লিশজন বেগানা পুরুষ দেখল সে পুরুষের হুকুমে.. ৮২
একটি ভুল আমল: কুনূতের জন্য তাকবীর বলার সময় কি প্রথমে হাত ছেড়ে তারপর বাঁধতে হয়?.. ৮৩
একটি ভুল ধারণা: সন্ধ্যার বাতি.. ৮৩
নামের বিকৃত উচ্চারণ: মেহবুব, রেহমান, মেহমুদ.. ৮৩
একটি ভুল আমল: দুআয়ে মা'সূরা কি শুধু 'আল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফসী.. '.. ৮৪
 একটি ভুল প্রচলন: চেয়ারে বসে নামায আদায় করা কি ইচ্ছাধীন বিষয়?.. ৮৫
একটি ভুল প্রচলন: ডানে শুভলক্ষণ বামে কুলক্ষণ.. ৮৬
একটি বলার ভুল: আলাইহিস সাল্লাম.. ৮৬
 ভুল উচ্চারণে দরূদ পাঠ: সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সালামু দুলাই আলাইকা.. ৮৭
একটি ভুল ধারণা: জুমার আগের বাংলা বয়ানকে খুতবা মনে করা.. ৮৮
 একটি ভুল ধারণা: ভাত পড়লে তুলে না খেলে কি তা কবরে বিচ্ছু হয়ে কামড়াবে?.. ৮৮
বলার ভুল: সন্তানকে বলা: তুমি আমার লক্ষ্মী!.. ৮৯
একটি ভুল প্রচলন: কবরের চার কোণে চার কুল.. ৮৯
ভুল উচ্চারণে কালেমা পাঠ: লা-ইলাহা ইল্লেল্লাহ.. ৯০
একটি বানোয়াটি কিসসা: কোহে কাফের মোরগ.. ৯০
 এটি হাদীস নয়: ফেরেশতারা গোনাহ মাথায় নিয়ে মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন.. ৯১
একটি ভুল ধারণা: মহররম মাসে বিয়ে করা কি অশুভ!.. ৯২
 আরেকটি ভুল ধারণা: আগের উন্মত কি নবীর মাধ্যম ছাড়া দুআ করতে পারত না?.. ৯৩
১. মূসা আলাইহিস সালামের উন্মত ফেরাউনের স্ত্রীর দুআ.. ৯৩
২. আসহাবে কাহফ তথা তৎকালীন নবীর উন্মতের দুআ.. ৯৪
৩. ইমরানের স্ত্রীর দুআ.. ৯৪
এটি হাদীস নয়: আশুরার রোয়া: ষাট বছর ইবাদতের সওয়াব.. ৯৪
একটি ভুল ঘটনা: হযরত আবু বকর রা. -এর চট পরিধান করা.. ৯৫
 এটি হাদীস নয়: জ্ঞান-সাধকের দোয়াতের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে মূল্যবান.. ৯৬
একটি ভুল মাসআলা: মহিলাদের জবাইকৃত পশু কি হালাল নয়?.. ৯৭
একটি ভুল ধারণা: পায়ে মেহেদি দেওয়া কি নিষেধ?.. ৯৭
একটি ভুল আমল: নামাযে পায়ের আঙ্গুল কেবলামুখী না রাখা.. ৯৭
বলার ভুল: লাল বাতি জ্বললে নামায পড়া নিষেধ.. ৯৯
 একটি মনগড়া আমল: মুসাফাহা করে বিসমিল্লাহির
রাহমানির রাহীম, ইয়া রাসূলাল্লাহ!.. ৯৯
একটি ভুল ধারণা: প্রজাপতিকে পানি পান করালে মৃত ব্যক্তিকে পান করানো হয়.. ১০০
একটি বলার ভুল:.. ইন্নী কুনতুম মিনায় যলিমীন.. ১০২
একটি ভুল ধারণা: দুপুরে নামাযের নিষিদ্ধ সময় কি ঠিক ১২টা?.. ১০৩
একটি ভুল প্রথা: দোকান ঝাড়ু দেওয়ার আগে
ভিক্ষা না দেওয়া বা বেচাকেনা না করা.. ১০৩
একটি গর্হিত রসম: বিয়েতে রং মাখা-মাখি করা.. ১০৪
একটি নাজায়েয় প্রচলন: চুল বিক্রি করা.. ১০৪
এটি হাদীস নয়: তালেবে ইলমের জন্য সত্তর হাজার ফেরেশতা ডানা বিছিয়ে দেন.. ১০৪
একটি ভুল কথা: রোযাদারের খাবারের হিসাব হবে না.. ১০৫
 এটি হাদীস নয়: শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বানালে আরশের নিচে ছায়া পাবে.. ১০৬
আরেকটি ভিত্তিহীন রেওয়ায়েত: শবে বরাতের গোসল.. ১০৭
একটি ভুল উচ্চারণ: সালামের জবাবে ‘অলাইকুম সালাম’.. ১০৮
 একটি ভুল ধারণা: পাত্রে দু'বার খাবার তুলে না দিলে কি আহার গ্রহণকারী ব্যক্তি পানিতে পড়ে মারা যায়?.. ১০৯
একটি ভুল ভাবনা: বাসন চেটে খেলে কি কন্যা সন্তান হয়?.. ১০৯
একটি ভুল চিন্তা: আমরা ইবাদত করলে কি আল্লাহ্র লাভ?!.. ১১০
একটি ভিত্তিহীন ঘটনা: ওয়ায়েস করনীর দাঁত ভাঙার গল্প.. ১১১
 একটি ভুল আমল: মাসবুক ব্যক্তি ভুলে দুই দিকে সালাম ফিরিয়ে ফেললে কি নামায় বাতিল হয়ে যায়?.. ১১৩
একটি বাতিল বর্ণনা: আল্লাহ সুস্থতার নেয়ামত চাইতেন (নাউয়ু বিল্লাহ!).. ১১৩
 একটি ভুল ধারণা: শুকরের নাম মুখে নিলে কি চল্লিশ দিন মুখ নাপাক থাকে?.. ১১৪
একটি নামের ভুল: ইবনুল কায়িয়ম জাওয়িয়্যাহ.. ১১৫
 একটি ভুল মাসআলা: নাপাকি লাগলে কি কাপড়ের কোণা ধুলেই চলবে?
 একটি ভিত্তিহীন ঘটনা: হাসান বসরীর পানির ওপর জায়নামায় বিছিয়ে নামায পড়া এবং রাবেয়া বসরীর শূন্যের ওপর.. নামায পড়া.. ১১৬
একটি ভুল উচ্চারণ: এস্তেমা বা ইস্তেমা.. ১১৭
আরেকটি ভুল উচ্চারণ: মুআজ্জিম বা মুআজ্জেম.. ১১৮
 একটি ভিত্তিহীন ঘটনা: নূহ আলাইহিস সালামের কিশতিতে মলত্যাগের ঘটনা.. ১১৮
আরেকটি ভিত্তিহীন ঘটনা: নূহ আ. -এর প্লাবন ও বুড়ির ঘটনা.. ১১৮
একটি ভুল বিশ্বাস: চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী মহিলা কিছু কাটলে কি গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হয়?.. ১১৯
একটি ভুল ধারণা: কলা কি হাত দিয়ে ভেঙে ভেঙে খাওয়া সুন্নত বা না-ভেঙে খাওয়া কি আদব পরিপল্পী?.. ১১৯
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: মূসা আ. -এর পেটব্যথা ও গাছের পাতা খাওয়ার কাহিনী.. ১২০
একটি অমূলক ধারণা: একটি দাড়িতে সত্তরজন ফেরেশতা থাকে.. ১২১
একটি ভিত্তিহীন কথা: একটি ভাতের দানা বানাতে সত্তরজন ফেরেশতা লাগে.. ১২১
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: ইদরীস আ. -এর জান্নাত দেখতে গিয়ে আর বের না হওয়া.. ১২২
এটি হাদীস নয়: দুনিয়া পচা মরদেহের মতো, আর যে ব্যক্তি (আল্লাহুর নাফরমানির মাধ্যমে) এর পিছে ছোটে সে কুকুরের মতো.. ১২৩
একটি ভুল নাম: আম্বিয়া খাতুন.. ১২৪
একটি ভুল বিশ্বাস: কবরের দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করলে কি আঙ্গুল পচে যায়?.. ১২৪
একটি ভুল রসম: মায়ের মাথা ছুঁয়ে কসম করা.. ১২৪
এটি হাদীস নয়: এক মুহূর্ত চিন্তা-ভাবনা করা মুহূর্তকালের ধ্যানমগ্নতা ষাট বছরের ইবাদতের চেয়ে উত্তম.. ১২৫
অনির্ভরযোগ্য সনদে বর্ণিত আমর ইবনে কায়েসের বালাগ.. ১৩১
নির্ভরযোগ্য মাওকুফ বর্ণনা.. ১৩২
‘তাফক্কুর’-এর অর্থ.. ১৩২
একটি ভুল কথা: শিক্ষক ছাত্রকে শরীরের যে স্থানে আঘাত করবে তা জান্নাতে যাবে!.. ১৩৩
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: ওয়ায়েস করনীর জন্য কি নবীজী কোনো জুব্বা দিয়ে গিয়েছিলেন?.. ১৩৪
একটি রসম: কালেমার মাধ্যমে দুআ শেষ করা.. ১৩৫
কয়েকটি অবহেলা: দস্তরখানে খাদ্য পড়লে তুলে না খাওয়া, দস্তরখানকে কাঁটা-হাড্ডি রাখার পাত্র বানানো এবং অপরিষ্কার রাখা.. ১৩৫
একটি মারাত্মক ভুল চিন্তা: হারাম মাল ভক্ষণ বলতে কি শুধু হারাম মাল দ্বারা পানাহার বুঝায়?.. ১৩৬
একটি ভুল ধারণা: ইস্তেঞ্জা করার পর পাত্রের অবশিষ্ট পানি দ্বারা ওয়ু না করা.. ১৩৭
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: মূসা আ. ও আল্লাহুর মাঝে কথোপকথন.. ১৩৭
এটি হাদীস নয়: যে ব্যক্তি মসজিদ থেকে একটি চুল ফেলে দিল সে যেন একটি মৃত গাধা ফেলে দিল.. ১৩৮
একটি ভুল কথা: খাওয়ার মাঝে মাঝে কি পানি পান করা সুন্নত.. ১৩৯
একটি মারাত্মক ভ্রান্ত চিন্তা: কর্মই ধর্ম.. ১৩৯
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: ফজরের নামায তরক করলে চেহারার জ্যোতি কমে যায়, যোহরের নামায তরক করলে.. ,.. ১৪১
একটি বানোয়াটি কিস্সা: শাদ্দাদের বেহেশত.. ১৪৩
একটি ভুল উচ্চারণ: তাহাজ্জুতের নামায.. ১৪৪
একটি বানোয়াটি কাহিনী: নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্কাশা রা. -এর প্রতিশোধ গ্রহণের কাহিনী.. ১৪৪
একটি ভুল ধারণা: রুকু-সেজদার তাসবীহ কি তিনবারের বেশি পড়া নিষেধ?.. ১৪৬
এটি হাদীসের পাঠ নয়: স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত.. ১৪৬
কুসংস্কার: রাতে নিচের কাজগুলো করা যাবে না-.. ১৪৭
একটি ভুল ধারণা: কুরবানীর ঈদের দিন কি দুই পা-বিশিষ্ট প্রাণী (হাঁস-মুরগি ইত্যাদি) জবাই করা নিষেধ?.. ১৪৮
একটি ভিত্তিহীন কথা: ইবরাহীম আ. কি আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়ার সময় আল্লাহুর কাছে সাহায্য চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন?.. ১৪৮
একটি ভিত্তিহীন কথা: সাত আসমানের কোনোটি লোহা দিয়ে তৈরি, কোনোটি.. ,.. ১৪৯
একটি কুসংস্কার: প্রথম সন্তান মারা গেলে কি পরের সন্তানের কান ফুটো করে দিতে হয়!.. ১৫০
একটি ভুল প্রচলন: সালোয়ার-পায়জামা কি বসে পরা সুন্নত?.. ১৫১
একটি ভুল মাসআলা: কাপড় পাক করার সময় বিসমিল্লাহ না বললে কি কাপড় পাক হয় না!.. ১৫১
আরেকটি ভুল মাসআলা: কাপড় বা শরীরে কি কুকুরের স্পর্শ লাগলে নাপাক হয়ে যায়?.. ১৫১
একটি ভুল ধারণা: যে ঘরে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় সে ঘর কি চল্লিশ দিন নাপাক থাকে?.. ১৫২
একটি ভুল রসম: ঝুড়িতে করে কবরের মাটি এনে বাড়ির মহিলাদের থেকে ছুঁয়ে নেওয়া.. ১৫২
একটি জানার ভুল: বিধর্মী ভিক্ষুককে কি ভিক্ষা দেওয়া নিষেধ?.. ১৫৩
একটি বানোয়াট কিছু: নবীজীর ওফাতের সময় মালাকুল মাওতের অনুমতি প্রার্থনা.. ১৫৩
একটি অবাস্তব কথা: বিদায় হজের ভাষণ শেষে সাহাবীগণের যার ঘোড়া যেদিকে মুখ করা ছিল তিনি সেদিকেই বেরিয়ে পড়েছেন.. !.. ১৫৩
একটি ভুল ধারণা: 'কবুল' শব্দ না বললে কি বিয়ে সহীহ হয় না?.. ১৫৪
একটি ভুল রসম: দাফনের পর কবরে আযান দেওয়া.. ১৫৫
একটি ভুল ধারণা: মাদা বকরি দিয়ে কি আকীকা সহীহ হয় না?.. ১৫৫
একটি ভুল মাসআলা: স্বামী কি মৃত স্ত্রীকে দেখতে পারবে না?.. ১৫৫
একটি ভুল ধারণা: রোয়া অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে কি রোয়া ভেঙে যায়?.. ১৫৫
একটি ভুল প্রচলন: আয়নের দুআর জন্য হাত তোলা.. ১৫৬
একটি ভুল ধারণা: সফর অবস্থায় কি সুন্নত নামায় পড়া যাবে না?.. ১৫৬
একটি অলীক কাহিনী: আখেরী জমানায় একজন পুরুষের বিপরীতে ১৫ ২০জন নারী হবে এবং.. ,.. ১৫৭
একটি ভুল রসম: তিনবার কবুল না বললে কি বিয়ে সহীহ হবে না?.. ১৫৭
একটি ভুল ধারণা: অবিবাহিত ইমামের পেছনে কি নামায় পড়া যাবে না?.. ১৫৭
একটি ভুল প্রচলন: কুরআন মাজীদ পড়ে গেলে কি তা ওজন করে চাল সদকা করতে হয়?.. ১৫৮
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: আসহাবে কাহফের কুকুর, সুলাইমান আ. -এর পিঁপড়া, সালেহ আ. -এর উটনী, ইসমাঈল আ. -এর দুম্বা ইত্যাদি কি জান্নাতে প্রবেশ করবে?.. ১৫৮
একটি ভুল ধারণা: কনে থেকে 'ইযুন' নেওয়ার সময় কি সাক্ষী জরুরি?.. ১৫৯
ভুল বিশ্বাস: কোনো ঘরে পেঁচা বসলে কি সে ঘরের কেউ মারা যাবে বা বিপদ আসবে?.. ১৫৯
একটি ভুল কথা: জানায়র নামাযের কাতার কি বেজোড় হওয়া জরুরি?.. ১৬০
একটি ভুল আমল: জামাতের কাতারে দাঁড়িয়ে ফজরের সুন্নত আদায় করা.. ১৬১
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: সারা জীবনের কায় নামাযের কাফফারা.. ১৬১
একটি ভুল মাসালা: আত্মহত্যাকারীর কি জানায় পড়া নিষেধ বা তার জন্য কি মাগফেরাতের দুআ করা নিষেধ?.. ১৬২
 একটি বানোয়াটি কিসসা: ইবরাহীম আ. কি ইসমাঈল আ. ও তার মাকে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে নিয়ে যান?.. ১৬৩
 একটি ভিত্তিহীন কথা: নবীজী কি জন্মের সঙ্গে সঙ্গে উঠে আল্লাহকে সেজদা করেছিলেন এবং.. ?.. ১৬৪
 একটি কুসংস্কার: বিয়ের পরে মেয়েরা চুড়ি বা নাকফুল না পরলে কি স্বামীর হায়াত কমে যায়?.. ১৬৪
 একটি মনগড়া ফয়ীলত: সুন্নত অনুযায়ী বড় ইস্তেঞ্জা করলে পনেরো পারা কুরআন তেলাওয়াতের সওয়াব হবে!.. ১৬৫
একটি ভুল আমল: শেষ বৈঠকের সময় উপস্থিত হলে জামাতে শরিক না হওয়া.. ১৬৫
একটি ভুল নাম: আব্দুন নবী.. ১৬৫
একটি ভুল ধারণা: মুসাফাহা কি শুধু পুরুষদের জন্য?.. ১৬৬
 একটি অমূলক ধারণা: পিতলের তৈরি প্লেট, গ্লাস ইত্যাদি ব্যবহার করা কি নিষেধ?.. ১৬৬
 একটি ভুল ধারণা: পানি পান করার সময় গোঁফে পানি লাগলে কি তা পান করা হারাম বা নাপাক হয়ে যায়?.. ১৬৭
একটি বানোয়াটি কিস্সা: প্ল্যাবনের পর নূহ আ. -কে হত্যার ষড়যন্ত্র!.. ১৬৭
 একটি ভুল পদ্ধতি: রুকু না পেলে আবার নতুন করে তাকবীর বলে হাত বাঁধা.. ১৬৮
 একটি মারাত্মক অবহেলা: রুশো, নিউটন, ফ্যান্সি ইত্যাদি বিজাতীয় নাম রাখা.. ১৬৯
 একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: সাপের পেটে করে ইবলিস জান্নাতে প্রবেশ করে এবং আদম-হাওয়া আ. -কে ধোঁকা দেয়.. ১৭০
 একটি ভুল ধারণা: ইশার নামাযের মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হয় কি রাত ১২টার পর থেকে?.. ১৭১
 আরেকটি ভুল ধারণা: বিদায়ের সময় সালাম-মুসাফাহা করা কি সুন্নতের খেলাফ?.. ১৭২
 একটি ভুল পছা: ফরয নামাযের পরের তাসবীহ কি দ্রুত পড়াই নিয়ম!.. ১৭৩
একটি কুসংস্কার: গর্ভাবস্থায় আগের সন্তানের খতনা করানো যাবে না.. ১৭৪
একটি ভুল পদ্ধতি: সময় বিবেচনা ছাড়াই সুন্নতের জন্য দাঁড়িয়ে যাওয়া.. ১৭৪
 একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: যে যতবার লাব্বাইক বলেছে ততবার হজে যাবে ১৭৬
একটি অলীক কাহিনী: স্ত্রীকে মাছ কাটতে দিয়ে গোসল করতে ১৭৬
একটি মনগড়া রসম: দেনমোহরের ক্ষেত্রে জোড় সংখ্যা রাখা যাবে না, বেজোড় সংখ্যা হতে হবে ১৭৭
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: দুই ব্যক্তির রূহ কবয করতে মালাকুল মাওতের কষ্ট হয়েছে ১৭৮
একটি ভুল মাসআলা: নামাযের সময় নারীদের একটি চুল বেরিয়ে থাকলেও কি নামায হবে না! ১৭৯
একটি ভুল কথা: কোনো নারী নাক কান না ফোঁড়ালে কিয়ামতের দিন লোহা দিয়ে তা ছিদ্র করে দেওয়া হবে ১৮০
একটি ভিত্তিহীন কথা: এক নামের সবাইকে মাফ করে দেওয়া হবে ১৮০
একটি অনুচিত কাজ: মাসবুক মুসল্লীর দিকে মুখ করে দ্রুত নামায শেষ করার তাগাদা দেওয়া ১৮২
একটি ভুল মাসআলা: কুরআন তেলাওয়াত বা অন্য আমলের নিয়তে ওয়ু করলে কি সে ওয়ু দিয়ে নামায পড়া যাবে না? ১৮২
একটি ভুল আমল: সেজদার আয়াত বাদ দিয়ে তেলাওয়াত করা ১৮৩
একটি মনগড়া রসম: কাফনের ওপর ইয়াসীন, কালেমা ও মুনকার নাকীরের প্রশ্নের উত্তর লিখে দেওয়া ১৮৩
একটি দরূদ ও ভিত্তিহীন ফযীলত: দরূদে মাহি ১৮৪
একটি নামের ভুল উচ্চারণ: ফাতেমাতুয যুহরা ১৮৫
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: ওয়ুর পর সূরা কদৃর পাঠ করা এবং তার ফযীলত ১৮৫
একটি বানোয়াট কিসসা: কা'বা ঘর নির্মাণের পর বেঁচে যাওয়া বালু পাথর যেখানে পড়েছে সেখানে মসজিদ হবে ১৮৬
একটি ভুল মাসআলা: কেরোসিন তেল কি নাপাক? ১৮৭
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: হে আলী! পাঁচটি কাজ না করে ঘুমাবে না.. ,.. ১৮৭
আরেকটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: কিয়ামতের দিন মসজিদসমূহ বগির মতো কা'বার সঙ্গে.. ,.. ১৮৯
মুসাফাহার ভিত্তিহীন ফযীলত: কেউ যদি দিনে পঁচিশজনের সঙ্গে মুসাফাহা করে আর সেদিন মারা যায় তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে ১৯০
একটি বানোয়াট কিসসা: আওজ ইবনে উনুক, নূহ আলাইহিস সালাম এবং বিসমিল্লাহ্ র ঘটনা ১৯০
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: যৌবনে ইবাদতের সওয়াব জিবরীল আ. গুনে শেষ করতে পারেন না!.. ১৯২
 একটি অসচেতনতা: কোনো মজমা থেকে বের হওয়ার সময় অন্যের জুতা-সেন্ডেল মাড়ানো.. ১৯২
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: জুমাবার হজ হলে সত্তর হজের সওয়াব.. ১৯৩
একটি ভুল ধারণা: মেহরাব কি মসজিদের অংশ নয়?.. ১৯৪
 একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: মায়ের অসন্তুষ্টির কারণে মৃত্যুশ্যয় যুবকের কালেমা বলতে না পারা.. ১৯৪
একটি অসচেতনতা: নিঃশব্দের কেরাত কি দ্রুত পড়াই নিয়ম!.. ১৯৬
 এটি হাদীস নয়: যে তার চোখ দুটিকে ভালোবাসে সে যেন আসরের পরে না লেখে.. ১৯৬
 একটি অসতর্কতা: রিংটোন হিসেবে আযান, কুরআন তেলাওয়াত ইত্যাদির ব্যবহার.. ১৯৭
 একটি বাড়াবাড়ি: জামাত চলাকালীন কারো ফোন এলে ফোনদাতাকে বেনামাযী বলে গালি দেওয়া.. ১৯৭
 মূসা আ. ও আল্লাহুর মাঝে কথোপকথন: আল্লাহ! আসমান-জমিন-সূর্য এত বড় বড় সৃষ্টি, আপনার নাফরমানী করলে কী করবেন?.. ১৯৯
 একটি ভুল ধারণা: ওলী-বুযুর্গদের কবরকে কি কবর বলা যাবে না, মায়ার বলতে হবে?.. ২০০
বলার ভুল: আল্লাহ সুব্রহান্ত্রণালুহু তাআলা.. ২০১
একটি অলীক কাহিনী: জিবরীল আ. -এর জান্নাত মাপার কাহিনী.. ২০১
 একটি ভুল ধারণা: বানর প্রাণিটি কি বনী ইসরাঈলের বানরে রূপান্তরিত হওয়া মানুষের বংশধর?.. ২০৩
একটি অনুচিত কাজ: খবরের কাগজের টুকরো দিয়ে হাত মোছা.. ২০৪
 একটি অলীক কাহিনী: মূসা আলাইহিস সালাম ও এক পাপিষ্ঠা নারীর কাহিনী.. ২০৪
 একটি মনগড়া কথা: দুআর সময়ে প্রবাহিত চোখের পানি চেহারায়
 মুছে নিলে সেই চেহারা জাহান্নামের আগুনে জ্বলবে না.. ২০৬
ভিত্তিহীন বর্ণনা: রজব মাসের নামায় বিষয়ে কিছু ভিত্তিহীন বর্ণনা.. ২০৭
 একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: শবে বরাতে ইবাদতের ফযীলত বিষয়ে ঈসা আ. ও বুযুর্গ বৃদ্ধের কাহিনী.. ২০৯
একটি ভুল আমল: পারিশ্রমিক দিয়ে ইতেকাফ করানো.. ২১২
একটি ভিত্তিহীন আমল: জুমাতুল বিদা ও তার বিশেষ নামায়.. ২১২
 একটি ভুল ধারণা: কবরের সওয়াল-জওয়াবের সময় কি নবীজীর ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন করা হবে? ২১৩
একটি ভুল মাসআলা: তিন আয়াত পরিমাণ পড়ার পর কেরাতে নামায ফাসেদ হওয়ার মতো ভুল হলেও কি নামায হয়ে যাবে? ২১৪
একটি বানোয়াট কিসসা: মিষ্টি খেতে বারণ করার জন্য নবীজী বললেন, তিন দিন পরে এসো.. ২১৫
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: যিলকদ মাসের রোযার বিশেষ ফযীলত ২১৫
একটি ভুল ধারণা: কুরবানীর গোশত কি অমুসলিমদের দেওয়া যায় না?.. ২১৬
একটি কুফুরি বাক্য: আল্লাহ আমার সন্তান ছাড়া আর কাউকে দেখল না! ২১৭
একটি ভুল মাসআলা: সন্তান প্রসবের পর চল্লিশের আগে পবিত্র হয়ে গেলেও কি চল্লিশ দিন পর্যন্ত নামায-রোযা নিষেধ? ২১৯
একটি বানোয়াট কিসসা: মূসা আলাইহিস সালাম ও তিন ব্যক্তির কাহিনী ২২০
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বকর রা. -এর একান্ত আলাপচারিতা ওমর রা. -ও বুঝতেন না! ২২১
একটি ভিত্তিহীন কথা: কিয়ামতের দিন প্রতিটি মসজিদ তার মুসল্লীদের নিয়ে জান্নাতে যাবে ২২২
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: দাওয়াতের কাজের বিশেষ ফযীলত ২২৩
একটি বানোয়াট কিসসা: নবীজীকে হুসাইন রা. -এর প্রশ্ন- নানাজী! আপনি বড় না আমি বড়? ২২৩
একটি ভুল প্রথা: বিয়ের দিন-তারিখ নির্বারণের ক্ষেত্রে পঞ্চিকা দেখে শুভ-অশুভ দিন-তারিখ নির্বয় করা ২২৪
আরেকটি ভুল ধারণা: কা'বা শরীফ দেখলে বা ওমরা করলে কি হজ ফরয হয়ে যায়? ২২৫
মূসা আ. ও আবেদের কিসসা: আমি ছাড়া আর কেউ যেন জাহান্নামে না যায় ২২৫
একটি জাহেলি কথা: নামায না পড়লে কী হয়েছে, ঈমান ঠিক আছে! ২২৬
একটি ভিত্তিহীন কথা: যে রাস্তায় দাওয়াতের কাজ নিয়ে মানুষ চলে সে রাস্তা অন্যান্য রাস্তার ওপর গর্ব করতে থাকে ২২৬
একটি ভুল রসম: দাফনের পরপর মৃতের বাড়িতে খাবারের আয়োজন করা ২২৮
একটি সূরার নামের ভুল উচ্চারণ: সূরা আল-ইমরান ২২৮
একটি ভুল বিশ্বাস: ঘরে মাকড়সার জাল থাকলে কি অভাব-অনটন দেখা দেয়?.. ২২৯
একটি ভুল মাসআলা: মশার রক্ত লেগে থাকলে কি নামায হয় না?.. ২২৯
 একটি গর্হিত কাজ: যাকাত থেকে বাঁচার জন্য নাবালেগ সন্তানকে মালিক বানিয়ে দেওয়া!.. ২২৯
 একটি ভিত্তিহীন কথা: কিয়ামতের দিন কি আলেমদের হিসাব-নিকাশ হবে পর্দার আড়ালে?.. ২৩১
একটি সংশোধনযোগ্য প্রবাদ বাক্য: কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না.. ২৩১
 এ বর্ণনাটির পাঠ ওভাবে নয় এভাবে: আল্লাহ তোমাদের চেহারা-আকৃতি ও আমলের দিকে তাকান না; বরং.. ,.. ২৩২
একটি অসতর্কতা: আকীকার দিন গুনতে ভুল করা.. ২৩৩
একটি ভুল আমল: কাতার ঠিক হওয়ার আগেই নিয়ত বেঁধে ফেলা.. ২৩৪
যিলকদ মাসকেন্দ্রিক কিছু ভিত্তিহীন আমল ও ফযীলত.. ২৩৪
 একটি ভিত্তিহীন কথা: মাটির ঢিলা-কুলুখ ব্যবহারের আগে কি ‘উসকুত আন যিকরিল্লাহ’ বলতে হয়!.. ২৩৬
 একটি ভিত্তিহীন ফযীলত: আল্লাহ্ র রাস্তায় মেহনতকারীর জন্য আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণ তিন দুআ করেন.. ২৩৭
যিলহজ্জ মাসকেন্দ্রিক কিছু ভিত্তিহীন বর্ণনা.. ২৩৮
১. যিলহজ মাসের বিভিন্ন নামায.. ২৪০
২. পাঁচ যিলহজ পর্যন্ত ফজরের নামাযের পর বিশেষ দুআ.. ২৪০
৩. নয় যিলহজের প্রতিদিনের রোযার ভিন্ন ভিন্ন ফযীলত.. ২৪১
 একটি জাল বর্ণনা: যিলহজের শেষ দিন ও মহররমের প্রথম দিন রোয়া রাখার ফযীলত.. ২৪২
একটি ভুল আমল: কবরে রাখার পর মাইয়েতের শুধু চেহারা কেবলামুখী করে দেওয়া.. ২৪৩
 একটি ভুল রসম: মাইয়েতের খাটিয়া বহনের সময় উচ্চেঃস্বরে কালেমা পড়তে থাকা.. ২৪৪
একটি ভিত্তিহীন কথা: ইবলিস কি ‘মুআল্লিমুল মালাইকাহ’ ছিল?.. ২৪৫
একটি ভিত্তিহীন আমল: আখেরী চাহার শোম্বার নামায.. ২৪৭
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: নবীজীর বাড়িতে দুষ্টু মেহমান.. ২৪৭
 একটি অনুচিত কাজ: কালেমা বা আয়াত খচিত কাপড় দ্বারা মাইয়েতের খাটিয়া ঢাকা.. ২৫০
ভিত্তিহীন আমল: রবিউল আখির-এর বিশেষ নামায ও আমল.. ২৫০
একটি ভিত্তিহীন কিসসা: আবু জেহেলের গর্ত খোঁড়ার কিসসা.. ২৫১
একটি ভুল ধারণা: সূর্যগ্রহণের সময় কি গর্ভবতী নারী কিছু খেতে পারবে না? ২৫২
একটি ভুল নাম: মানতাশা ২৫৩
একটি ভুল ধারণা: জান্নাতের সুসংবাদ কি কেবল দশজন সাহাবীই লাভ করেছেন? ২৫৪
এটি কি নাম হতে পারে?: আলফে সানী ২৫৬
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: নবীকন্যা ফাতেমা রা. -এর ঘরে জান্নাতের খাবার ২৫৬
এটি কি কারো নাম হতে পারে?: সাবেরীন ২৫৯
একটি নামের ভুল উচ্চারণ: ইবনুল কাইয়ম ২৫৯
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: আলী রা. -এর ছয় দিরহাম দান এবং জিবরীল আ. ও মিকাঈল আ. -এর উটনী ক্রয়-বিক্রয় ২৬০
একটি ভিত্তিহীন কথা: ২৩ বছরে জিবরীল আ. নবীজীর কাছে এসেছেন ৪০,০০০ বার আর নূহ আ. -এর ৯৫০ বছরে মাত্র ৫ বার! ২৬৩
শব্দের ভুল ব্যবহার: একজন সাহাবা সাহাবাগণ ২৬৪
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: জান্নাতে মূসা আলাইহিস সালামের সঙ্গী কে? ২৬৫
একটি ভুল ধারণা: জবাই কি আড়াই পোঁচেই করতে হবে? ২৬৬
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: ফেরেশতাদের দরূদ ও তার ফযীলত ২৬৬
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: মহররমের প্রথম দশদিন রোযা রাখার ফযীলত ২৬৮
একটি ভুল আমল: ইমাম সাহু সেজদার জন্য সালাম ফেরালে কি মাসবুকও সালাম ফেরাবে? ২৭০
একটি ভিত্তিহীন কিসসা: জিবরীল আ. -কে নবীজীর জিজ্ঞাসা আপনার বয়স কত?.. নবীজী বললেন, আমিই ওই তারকা.. !! ২৭১
একটি ভুল নাম: জাফী ২৭২
আরেকটি ভুল নাম: মাহীন ২৭২
ভিত্তিহীন বর্ণনা: রবিউল আউয়ালে বিশেষ নামায় এবং দরূদ পাঠের ফযীলত ২৭৪

বিষয়ভিত্তিক সূচি

ভুল বিশ্বাস
একটি ভুল বিশ্বাস: কিয়ামতের আলামত: বেগুন গাছ তলায় হাট বসবে.. ৬০
একটি ভুল বিশ্বাস: চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী মহিলা কিছু কাটলে কি গর্ভের সন্তানের ক্ষতি হয়?.. ১১৯
একটি ভুল বিশ্বাস: কবরের দিকে আঙুল দিয়ে ইশারা করলে কি আঙুল পচে যায়?.. ১২৪
 ভুল বিশ্বাস: কোনো ঘরে পেঁচা বসলে কি সে ঘরের কেউ মারা যাবে বা বিপদ আসবে?.. ১৫৯
 একটি ভুল বিশ্বাস: ঘরে মাকড়সার জাল থাকলে কি অভাব-অনটন দেখা দেয়?.. ২২৯
 
হাদীস নয় ভিত্তিহীন বর্ণনা
এটি হাদীস নয়: জুমার রাত কি কদরের রাত থেকেও উত্তম!.. ৪১
এটি হাদীস নয়: আবু বকর রা. -এর কাছে জিবরীল আ. কি নিজের সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন?.. ৪৪
 এটি হাদীস নয়: যারা শিক্ষা লাভ করে এবং সে অনুযায়ী কাজ করে তারাই প্রকৃত বিদ্বান.. ৭১
এটি হাদীস নয়: আপনার জুতায় আরশ ধন্য হবে.. ৭৩
এটি হাদীস নয়: শয়তান ঈদের দিন রোয়া রাখে.. ৭৬
এটি হাদীস নয়: জিবরীলের চার প্রশ্ন.. আপনি বড় না দ্বীন বড়?.. ৭৮
 এটি হাদীস নয়: ফেরেশতারা গোনাহ মাথায় নিয়ে মসজিদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন.. ৯১
এটি হাদীস নয়: আশুরার রোয়া: ষাট বছর ইবাদতের সওয়াব.. ৯৪
 এটি হাদীস নয়: জ্ঞান-সাধকের দোয়াতের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে মূল্যবান.. ৯৬
 এটি হাদীস নয়: তালেবে ইলমের জন্য সত্তর হাজার ফেরেশতা ডানা বিছিয়ে দেন.. ১০৪
 এটি হাদীস নয়: শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বানালে আরশের নিচে ছায়া পাবে.. ১০৬
 এটি হাদীস নয়: দুনিয়া পচা মরদেহের মতো, আর যে ব্যক্তি (আল্লাহুর নাফরমানির মাধ্যমে) এর পিছে ছোটে সে কুকুরের মতো ১২৩
এটি হাদীস নয়: এক মুহূর্ত চিন্তা-ভাবনা করা মুহূর্তকালের ধ্যানমগ্নতা ষট বছর ইবাদতের চেয়ে উত্তম ১২৫
এটি হাদীস নয়: যে ব্যক্তি মসজিদ থেকে একটি চুল ফেলে দিল সে যেন একটি মৃত গাধা ফেলে দিল ১৩৮
এটি হাদীস নয়: যে তার চোখ দুটিকে ভালোবাসে সে যেন আসরের পরে না লেখে ১৯৬
এটি হাদীসের পাঠ নয়: স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত ১৪৬
আরেকটি ভিত্তিহীন রেওয়ায়েত: শবে বরাতের গোসল ১০৭
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: মূসা আ. -এর পেটব্যথা ও গাছের পাতা খাওয়ার কাহিনী ১২০
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: ওয়ায়েস করনীর জন্য কি নবীজী কোনো জুব্বা দিয়ে গিয়েছিলেন? ১৩৪
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: ফজরের নামায তরক করলে চেহারার জ্যোতি কমে যায়, যোহরের নামায তরক করলে.. ১৪১
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: আসহাবে কাহফের কুকুর, সুলাইমান আ. -এর পিংপড়া, সালেহ আ. -এর উটনী.. ইত্যাদি কি জান্নাতে প্রবেশ করবে? ১৫৮
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: সারা জীবনের কায় নামাযের কাফফারা ১৬১
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: যে যতবার লাব্বাইক বলেছে ততবার হজে যাবে ১৭৬
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: ওয়ুর পর সূরা কদৃর পাঠ করা এবং তার ফযীলত ১৮৫
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: হে আলী! পাঁচটি কাজ না করে ঘুমাবে না.. ১৮৭
আরেকটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: কিয়ামতের দিন মসজিদসমূহ বগির মতো কাবার সঙ্গে.. ১৮৯
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: যৌবনে ইবাদতের সওয়াব জিবরীল আ. গুনে শেষ করতে পারেন না! ১৯২
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: জুমাবার হজ হলে সত্তর হজের সওয়াব ১৯৩
ভিত্তিহীন বর্ণনা: রজব মাসের নামায বিষয়ে কিছু ভিত্তিহীন বর্ণনা ২০৭
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: যিলকদ মাসের রোযার বিশেষ ফযীলত ২১৫
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বকর রা. -এর একান্ত আলাপচারিতা ওমর রা. -ও বুঝতেন না! ২২১
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: দাওয়াতের কাজের বিশেষ ফযীলত ২২৩
 
যিলহজ্জ মাসকেন্দ্রিক কিছু ভিত্তিহীন বর্ণনা.. ২৩৮
১. যিলহজ মাসের বিভিন্ন নামায.. ২৪০
২. পাঁচ যিলহজ পর্যন্ত ফজরের নামাযের পর বিশেষ দুআ.. ২৪০
৩. নয় যিলহজের প্রতিদিনের রোযার ভিন্ন ভিন্ন ফজীলত.. ২৪১

একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: ফেরেশতাদের দরূদ ও তার ফজীলত.. ২৬৬
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: মহররমের প্রথম দশদিন রোযা রাখার ফজীলত.. ২৬৮
ভিত্তিহীন বর্ণনা: রবিউল আউয়ালে বিশেষ নামায এবং দরূদ পাঠের ফজীলত.. ২৭৪
একটি জাল বর্ণনা: যিলহজের শেষ দিন ও মহররমের প্রথম দিন রোযা রাখার ফজীলত.. ২৪২
একটি বাতিল বর্ণনা: আল্লাহ সুস্থতার নেয়ামত চাইতেন (নাউয়ু বিল্লাহ!).. ১১৩

ভুল ধারণা
একটি ভুল ধারণা: তাকাব্বুরের নিয়ত না থাকলে কি টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরা যায়.. ৩৮
একটি ভুল ধারণা: ইস্তেখারার জন্য কি দুআ পড়ে ঘুমাতেই হয়.. ৪৮
একটি ভুল ধারণা: দরূদে ইবরাহীমী কি শুধু নামাযে পড়ার জন্য?.. ৫৭
একটি ভুল ধারণা: টাখনুর ওপর কাপড় কি শুধু নামাযের সময়?.. ৬২
 আরেকটি ভুল ধারণা: 'ইন্না-লিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন' কি শুধু মৃত্যু সংবাদ শুনলে?.. ৬৩
একটি ভুল ধারণা: যাকাত কি শুধু রমযান মাসে আদায় করতে হয়?.. ৬৫
একটি ভুল ধারণা: জায়নামায বিছিয়ে রাখলে কি শয়তান এসে তাতে নামায পড়ে?.. ৬৭
একটি ভুল ধারণা: মাইয়েতের রূহ চল্লিশ দিন বাড়ি আসা-যাওয়া করা.. ৭৩
একটি ভুল ধারণা: সন্ধ্যার বাতি.. ৮৩
একটি ভুল ধারণা: জুমার আগের বাংলা বয়ানকে খুতবা মনে করা.. ৮৮
 একটি ভুল ধারণা: ভাত পড়লে তুলে না খেলে কি তা কবরে বিছু হয়ে কামড়াবে?.. ৮৮
একটি ভুল ধারণা: মহররম মাসে বিয়ে করা কি অশুভ!.. ৯২
 আরেকটি ভুল ধারণা: আগের উম্মত কি নবীর মাধ্যম ছাড়া দুআ করতে পারত না?.. ৯৩
একটি ভুল ধারণা: পায়ে মেহেদি দেওয়া কি নিষেধ?.. ৯৭
 একটি ভুল ধারণা: প্রজাপতিকে পানি পান করালে মৃত ব্যক্তিকে পান করানো হয়.. ১০০
 একটি ভুল ধারণা: দুপুরে নামাযের নিষিদ্ধ সময় কি ঠিক ১২টা? ১০৩
একটি ভুল ধারণা: পাত্রে দু'বার খাবার তুলে না দিলে কি আহার গ্রহণকারী ব্যক্তি পানিতে পড়ে মারা যায়? ১০৯
একটি ভুল ধারণা: শুকরের নাম মুখে নিলে কি চল্লিশ দিন মুখ নাপাক থাকে? ১১৪
একটি ভুল ধারণা: ইস্তেঞ্জা করার পর পাত্রের অবশিষ্ট পানি দ্বারা ওয়ু না করা ১৩৭
একটি ভুল ধারণা: রুকু-সেজদার তাসবীহ কি তিনবারের বেশি পড়া নিষেধ? ১৪৬
একটি ভুল ধারণা: কুরবানীর ঈদের দিন কি দুই পা-বিশিষ্ট প্রাণী (হাঁস-মুরগি ইত্যাদি) জবাই করা নিষেধ? ১৪৮
একটি ভুল ধারণা: যে ঘরে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় সে ঘর কি চল্লিশ দিন নাপাক থাকে? ১৫২
একটি ভুল ধারণা: 'কবুল' শব্দ না বললে কি বিয়ে সহীহ হয় না? ১৫৪
একটি ভুল ধারণা: মাদা বকরি দিয়ে কি আকীকা সহীহ হয় না? ১৫৫
একটি ভুল ধারণা: রোয়া অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে কি রোয়া ভেঙে যায়? ১৫৫
একটি ভুল ধারণা: সফর অবস্থায় কি সুন্নত নামায পড়া যাবে না? ১৫৬
একটি ভুল ধারণা: অবিবাহিত ইমামের পেছনে কি নামায পড়া যাবে না? ১৫৭
একটি ভুল ধারণা: কনে থেকে 'ইযৃন' নেওয়ার সময় কি সাক্ষী জরুরি? ১৫৯
একটি ভুল ধারণা: মুসাফাহা কি শুধু পুরুষদের জন্য? ১৬৬
একটি ভুল ধারণা: পানি পান করার সময় গৌঁফে পানি লাগলে কি তা পান করা হারাম বা নাপাক হয়ে যায়? ১৬৭
একটি ভুল ধারণা: ইশার নামাযের মাকরূহ ওয়াক্ত শুরু হয় কি রাত ১২টার পর থেকে? ১৭১
আরেকটি ভুল ধারণা: বিদায়ের সময় সালাম-মুসাফাহা করা কি সুন্নতের খেলাফ? ১৭২
একটি ভুল ধারণা: মেহরাব কি মসজিদের অংশ নয়? ১৯৪
একটি ভুল ধারণা: ওলী-বুযুর্গদের কবরকে কি কবর বলা যাবে না, মাযার বলতে হবে? ২০০
একটি ভুল ধারণা: বানর প্রাণিটি কি বনী ইসরাঈলের বানরে রূপান্তরিত হওয়া মানুষের বংশধর? ২০৩
একটি ভুল ধারণা: কবরের সওয়াল-জওয়াবের সময় কি নবীজীর ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন করা হবে? ২১৩
একটি ভুল ধারণা: কুরবানীর গোশত কি অমুসলিমদের দেওয়া যায় না?.. ২১৬
 আরেকটি ভুল ধারণা: কা'বা শরীফ দেখলে বা ওমরা করলে কি হজ ফরয হয়ে যায়?.. ২২৫
 একটি ভুল ধারণা: সূর্যগ্রহণের সময় কি গর্ভবতী নারী কিছু খেতে পারবে না?.. ২৫২
 একটি ভুল ধারণা: জান্নাতের সুসংবাদ কি কেবল দশজন সাহাবীই লাভ করেছেন?.. ২৫৪
একটি ভুল ধারণা: জবাই কি আড়াই পোঁচেই করতে হবে?.. ২৬৬
 একটি ভিত্তিহীন ধারণা: দাফনের পর জুমা বা রমযান এলে কি কিয়ামত পর্যন্ত আযাব মাফ হয়ে যায়?.. ৪৬
 একটি ভিত্তিহীন ধারণা: মুত্তালিব নাম আসমায়ে হুসনার অন্তর্ভুক্ত নয়: আবদুল মুত্তালিব নাম রাখার বিধান.. ৪৭
 একটি ভুল ধারণা: কলা কি হাত দিয়ে ভেঙে ভেঙে খাওয়া সুন্নত বা না-ভেঙে খাওয়া কি আদব পরিপল্লী?.. ১১৯
 একটি অমূলক ধারণা: পিতলের তৈরি প্লেট, গ্লাস ইত্যাদি ব্যবহার করা কি নিষেধ?.. ১৬৬
একটি অমূলক ধারণা: একটি দাড়িতে সত্তরজন ফেরেশতা থাকে.. ১২১
 
ভুল মাসআলা
 একটি ভুল মাসআলা: কেরাতে লোকমা হলে কি সাহু সেজদা করা জরুরি.. ৪৩
 একটি ভুল মাসআলা: মা ভিন্ন হওয়ার কারণে সন্তানরা কি পিতার মীরাছ থেকে অংশ পায় না?.. ৪৫
একটি ভুল মাসআলা: নাম বদলালে কি আকীকা দোহরাতে হয়?.. ৫৯
 একটি ভুল মাসআলা: গায়রে মাহরামের সঙ্গে কথা বললে কি ওয়ু নষ্ট হয়ে যায়.. ৬৫
একটি ভুল মাসআলা: রোযার নিয়ত কি মুখে করা জরুরি?.. ৮০
একটি ভুল মাসআলা: সন্তানের আকীকার গোস্ত কি মা-বাবা খেতে পারবে না?.. ৮১
 একটি ভুল মাসআলা: যে মহিলাকে দিনে চল্লিশজন বেগানা পুরুষ দেখল সে পুরুষের হুকুমে.. ৮২
একটি ভুল মাসআলা: মহিলাদের জবাইকৃত পশু কি হালাল নয়?.. ৯৭
একটি ভুল মাসআলা: নাপাকি লাগলে কি কাপড়ের কোণা ধুলেই চলবে?.. ১১৬
 একটি ভুল মাসআলা: কাপড় পাক করার সময় বিসমিল্লাহ না বললে কি কাপড় পাক হয় না!.. ১৫১
একটি ভুল মাসআলা: কাপড় বা শরীরে কি কুকুরের স্পর্শ লাগলে নাপাক হয়ে যায়? ১৫১
একটি ভুল মাসআলা: স্বামী কি মৃত স্ত্রীকে দেখতে পারবে না? ১৫৫
একটি ভুল মাসআলা: আত্মহত্যাকারীর কি জানাযা পড়া নিষেধ বা তার জন্য কি মাগফেরাতের দুআ করা নিষেধ? ১৬২
একটি ভুল মাসআলা: নামাযের সময় নারীদের একটি চুল বেরিয়ে থাকলেও কি নামায হবে না! ১৭৯
একটি ভুল মাসআলা: কুরআন তেলাওয়াত বা অন্য আমলের নিয়তে ওয়ু করলে কি সে ওয়ু দিয়ে নামায পড়া যাবে না? ১৮২
একটি ভুল মাসআলা: কেরোসিন তেল কি নাপাক? ১৮৭
একটি ভুল মাসআলা: তিন আয়াত পরিমাণ পড়ার পর কেরাতে নামায ফাসেদ হওয়ার মতো ভুল হলেও কি নামায হয়ে যাবে? ২১৪
একটি ভুল মাসআলা: সন্তান প্রসবের পর চল্লিশের আগে পবিত্র হয়ে গেলেও কি চল্লিশ দিন পর্যন্ত নামায-রোয়া নিষেধ? ২১৯
একটি ভুল মাসআলা: মশার রক্ত লেগে থাকলে কি নামায হয় না? ২২৯
 
ভুল আমল কাজ
 একটি ভুল আমল: ইমামকে রুকুতে পেলেও কি 'ছানা' পড়তে হবে? ৫৯
একটি ভুল আমল: মসজিদে গিয়ে কি আগে বসতে হয় তারপর নামায পড়তে হয়? ৬৩
একটি ভুল আমল: ছেলের পিতাও কি পাত্রী দেখবে? ৬৪
একটি ভুল মাসআলা: গায়রে মাহরামের সঙ্গে কথা বললে কি ওয়ু নষ্ট হয়ে যায়? ৬৫
একটি ভুল আমল: দুআর শেষে কি হাতে চুমু খেতে হয়? ৬৮
একটি ভুল আমল: বরকতের জন্য সকালে গোলাপজল সন্ধ্যায় আগরবাতি ৭৭
একটি ভুল আমল: কুনৃতের জন্য তাকবীর বলার সময় কি প্রথমে হাত ছেড়ে তারপর বাঁধতে হয়? ৮৩
একটি ভুল আমল: দুআয়ে মা'সূরা কি শুধু 'আল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফসী.. ' ৮৪
একটি ভুল আমল: নামাযে পায়ের আঙ্গল কেবলামুখী না রাখা ৯৭
একটি মনগড়া আমল: মুসাফাহা করে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ৯৯
একটি ভুল আমল: মাসবুক ব্যক্তি ভুলে দুই দিকে সালাম ফিরিয়ে ফেললে কি নামায বাতিল হয়ে যায়?.. ১১৩
 একটি ভুল আমল: জামাতের কাতারে দাঁড়িয়ে ফজরের সুন্নত আদায় করা.. ১৬১
একটি ভুল আমল: শেষ বৈঠকের সময় উপস্থিত হলে জামাতে শরিক না হওয়া.. ১৬৫
একটি ভুল আমল: সেজদার আয়াত বাদ দিয়ে তেলাওয়াত করা.. ১৮৩
একটি ভুল আমল: পারিশ্রমিক দিয়ে ইতেকাফ করানো.. ২১২
একটি ভুল আমল: কাতার ঠিক হওয়ার আগেই নিয়ত বেঁধে ফেলা.. ২৩৪
যিলকদ মাসকেন্দ্রিক কিছু ভিত্তিহীন আমল ও ফযীলত.. ২৩৪
একটি ভুল আমল: কবরে রাখার পর মাইয়েতের শুধু চেহারা কেবলামুখী করে দেওয়া.. ২৪৩
একটি ভিত্তিহীন আমল: আখেরী চাহার শোম্বার নামায.. ২৪৭
ভিত্তিহীন আমল: রবিউল আখির-এর বিশেষ নামায ও আমল.. ২৫০
 একটি ভুল আমল: ইমাম সাহু সেজদার জন্য সালাম ফেরালে কি মাসবুকও সালাম ফেরাবে?.. ২৭০
একটি অনর্থক কাজ: খুতবা চলাকালীন দানবাক্স চালানো.. ৬৭
একটি ভুল কাজ: কুরআন তেলাওয়াত চালু করে অন্য কাজ করা.. ৭০
একটি অমার্জিত আচরণ: মাইক টেস্টের জন্য কুরআন তেলাওয়াত করা.. ৬৮
 একটি গর্হিত কাজ: যাকাত থেকে বাঁচার জন্য নাবালেগ সন্তানকে মালিক বানিয়ে দেওয়া!.. ২২৯
একটি অনুচিত কাজ: খবরের কাগজের টুকরো দিয়ে হাত মোছা.. ২০৪
একটি জাহেলি কথা: নামায না পড়লে কী হয়েছে, ঈমান ঠিক আছে!.. ২২৬
 একটি অনুচিত কাজ: কালেমা বা আয়াত খচিত কাপড় দ্বারা মাইয়েতের খাটিয়া ঢাকা.. ২৫০
একটি অনুচিত কাজ: মাসবুক মুসল্লীর দিকে মুখ করে দ্রুত নামায শেষ করার তাগাদা দেওয়া.. ১৮২
 
ভুল উচ্চারণ
নামের ভুল উচ্চারণ: প্রসিদ্ধ দুইজন মুহাদ্দিসের নামের ভুল উচ্চারণ-
 ১. ইমাম তবারানী রাহ.. ৮০
২. ইমাম দারাকুত্ নী রাহ.. ৮০
নামের ভুল উচ্চারণ: প্রসিদ্ধ কয়েকজন মুহাদ্দিসের নামের ভুল উচ্চারণ-
 ১. ইমাম দারিমী রাহ.. ৮১
২. ইকরিমা.. ৮২
৩. ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রাহ. ৮২
একটি ভুল উচ্চারণ: সালামের জবাবে 'অলাইকুম সালাম' ১০৮
একটি ভুল উচ্চারণ: এস্তেমা বা ইস্তেমা ১১৭
আরেকটি ভুল উচ্চারণ: মুআজ্জিম বা মুআজ্জেম ১১৮
একটি ভুল উচ্চারণ: তাহাজ্জুতের নামায ১৪৪
একটি নামের ভুল উচ্চারণ: ফাতেমাতুয যুহরা ১৮৫
একটি সূরার নামের ভুল উচ্চারণ: সূরা আল-ইমরান ২২৮
একটি নামের ভুল উচ্চারণ: ইবনুল কাইয়ুম ২৫৯
ভুল উচ্চারণে কালেমা পাঠ: লা-ইলাহা ইল্লেল্লাহ ৯০
নামের বিকৃত উচ্চারণ: মেহবুব, রেহমান, মেহমুদ ৮৩
ভুল উচ্চারণে দরূদ পাঠ: সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সালামু দুলাই আলাইকা ৮৭
শব্দের ভুল ব্যবহার: একজন সাহাবা সাহাবাগণ ২৬৪

ভুল নাম
একটি ভুল নাম: আম্বিয়া খাতুন ১২৪
একটি ভুল নাম: আব্দুন নবী ১৬৫
একটি ভুল নাম: মানতাশা ২৫৩
এটি কি নাম হতে পারে?: আলফে সানী ২৫৬
এটি কি কারো নাম হতে পারে?: সাবেরীন ২৫৯
একটি ভুল নাম: জাফী ২৭২
আরেকটি ভুল নাম: মাহীন ২৭২
একটি নামের ভুল: ইবনুল কায়িম জাওয়িয়্যাহ ১১৫
 
ভুল প্রচলন
 দুটি ভুল প্রচলন:
১. মুসাফাহার সময় ঝোঁকা ৪০
২. মুসাফাহার পর বুকে হাত লাগানো ৪০
একটি ভুল প্রচলন: আযানের আগে কি সালাত ও সালাম কিংবা যিকির ও তাসবীহ মুস্তাহাব? ৪৭
একটি ভুল প্রচলন: বদনজর থেকে হেফাযতের জন্য শিশুর কপালে টিপ দেওয়া ৬৬
একটি ভুল প্রচলন: সালামের জবাব না দিয়ে 'কেমন আছেন' বলা ৭৯
একটি ভুল প্রচলন: চেয়ারে বসে নামায আদায় করা কি ইচ্ছাধীন বিষয়? ৮৫
একটি ভুল প্রচলন: ডানে শুভলক্ষণ বামে কুলক্ষণ ৮৬
 একটি ভুল প্রচলন: কবরের চার কোণে চার কুল.. ৮৯
একটি ভুল প্রচলন: সালোয়ার-পায়জামা কি বসে পরা সুন্নত?.. ১৫১
একটি ভুল প্রচলন: আয়ানের দুআর জন্য হাত তোলা.. ১৫৬
একটি ভুল প্রচলন: কুরআন মাজীদ পড়ে গেলে কি তা ওজন করে চাল সদকা করতে হয়?.. ১৫৮
একটি নাজায়েয প্রচলন: চুল বিক্রি করা.. ১০৪
 
ভুল কথা বলার ভুল ভিত্তিহীন কথা
একটি ভুল কথা: খোদার পর বাবা-মা তারপর নবীজী!.. ৭৪
একটি ভুল কথা: রোয়াদারের খাবারের হিসাব হবে না.. ১০৫
একটি ভুল কথা: শিক্ষক ছাত্রকে শরীরের যে স্থানে আঘাত করবে তা জান্নাতে যাবে!.. ১৩৩
একটি ভুল কথা: খাওয়ার মাঝে মাঝে কি পানি পান করা সুন্নত.. ১৩৯
একটি ভুল কথা: জানায়ার নামাযের কাতার কি বেজোড় হওয়া জরুরি?.. ১৬০
একটি ভুল কথা: কোনো নারী নাক কান না ফোঁড়ালে কিয়ামতের দিন লোহা দিয়ে তা ছিদ্র করে দেওয়া হবে.. ১৮০
বলার ভুল: আপনি আমার লক্ষ্মী!.. ৬০
আরেকটি বলার ভুল: ষাট ষাট, বালাই ষাট.. ,.. ৬১
একটি বলার ভুল: আলাইহিস সাল্লাম.. ৮৬
বলার ভুল: সন্তানকে বলা: তুমি আমার লক্ষ্মী!.. ৮৯
বলার ভুল: লাল বাতি জ্বললে নামায পড়া নিষেধ.. ৯৯
একটি বলার ভুল:.. ইন্নী কুনতুম মিনায যলিমীন.. ১০২
বলার ভুল: আল্লাহ সুব্হানাল্লাহু তাআলা.. ২০১
একটি ভিত্তিহীন কথা: আলমে আরওয়াহের সেজদা.. ৭৬
আরেকটি ভিত্তিহীন কথা: কিয়ামতের দিন কি নবীজী তিন স্থানে বেহুঁশ হবেন? (নাউয়ু বিল্লাহ!).. ৭৭
একটি ভিত্তিহীন কথা: একটি ভাতের দানা বানাতে সত্তরজন ফেরেশতা লাগে.. ১২১
একটি ভিত্তিহীন কথা: ইবরাহীম আ. কি আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়ার সময় আল্লাহ্ র কাছে সাহায্য চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন?.. ১৪৮
একটি ভিত্তিহীন কথা: সাত আসমানের কোনোটি লোহা দিয়ে তৈরি, কোনোটি.. ,.. ১৪৯
একটি ভিত্তিহীন কথা: নবীজী কি জন্মের সঙ্গে সঙ্গে উঠে আল্লাহকে সেজদা করেছিলেন এবং.. ?.. ১৬৪
একটি ভিত্তিহীন কথা: এক নামের সবাইকে মাফ করে দেওয়া হবে ১৮০
একটি মনগড়া কথা: দুআর সময়ে প্রবাহিত চোখের পানি চেহারায় মুছে নিলে সেই চেহারা জাহান্নামের আগুনে জ্বলবে না ২০৬
একটি ভিত্তিহীন আমল: জুমাতুল বিদা ও তার বিশেষ নামায ২১২
একটি ভিত্তিহীন কথা: কিয়ামতের দিন প্রতিটি মসজিদ তার মুসলীদের নিয়ে জান্নাতে যাবে ২২২
একটি ভিত্তিহীন কথা: যে রাস্তায় দাওয়াতের কাজ নিয়ে মানুষ চলে সে রাস্তা অন্যান্য রাস্তার ওপর গর্ব করতে থাকে ২২৬
একটি ভিত্তিহীন কথা: কিয়ামতের দিন কি আলেমদের হিসাব-নিকাশ হবে পর্দার আড়ালে? ২৩১
একটি ভিত্তিহীন কথা: মাটির ঢিলা-কুলুখ ব্যবহারের আগে কি 'উসকুত আন যিকরিল্লাহ' বলতে হয়! ২৩৬
একটি ভিত্তিহীন কথা: ইবলিস কি 'মুআল্লিমুল মালাইকাহ' ছিল? ২৪৫
একটি ভিত্তিহীন কথা: ২৩ বছরে জিবরীল আ. নবীজীর কাছে এসেছেন ৪০,০০০ বার আর নূহ আ. -এর ৯৫০ বছরে মাত্র ৫ বার! ২৬৩
একটি অবাস্তব কথা: বিদায় হজের ভাষণ শেষে সাহাবীগণের যার ঘোড়া যেদিকে মুখ করা ছিল তিনি সেদিকেই বেরিয়ে পড়েছেন.. ! ১৫৩
একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা: আসহাবে কাহফের কুকুর.. , ইসমাঈল আ. -এর দুষা ইত্যাদি কি জান্নাতে প্রবেশ করবে? ১৫৮

ভূল ঘটনা কিসসা কাহিনী
একটি ভূল ঘটনা: হযরত আবু বকর রা. -এর চট পরিধান করা ৯৫
একটি ভিত্তিহীন ঘটনা: ওয়ায়েস করনীর দাঁত ভাঙার গল্প ১১১
একটি ভিত্তিহীন ঘটনা: হাসান বসরীর পানির ওপর জায়নামায বিছিয়ে নামায পড়া এবং রাবেয়া বসরীর শূন্যের ওপর.. নামায পড়া ১১৬
একটি ভিত্তিহীন ঘটনা: নূহ আলাইহিস সালামের কিশতিতে মলত্যাগের ঘটনা ১১৮
আরেকটি ভিত্তিহীন ঘটনা: নূহ আ. -এর প্লাবন ও বুড়ির ঘটনা ১১৮
একটি বানোয়াট কিসসা: আওজ ইবনে উনুক, নূহ আলাইহিস সালাম এবং বিসমিল্লাহুর ঘটনা ১৯০
একটি বানোয়াট কিসসা: কোহে কাফের মোরগ ৯০
একটি বানোয়াট কিসসা: ইবরাহীম আ. কি ইসমাঈল আ. ও তার মাকে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে নিয়ে যান? ১৬৩
একটি বানোয়াট কিসসা: কা'বা ঘর নির্মাণের পর বেঁচে যাওয়া বালু পাথর যেখানে পড়েছে সেখানে মসজিদ হবে ১৮৬
একটি বানোয়াট কিসসা: মিষ্টি খেতে বারণ করার জন্য নবীজী বললেন, তিন দিন পরে এসো.. , ২১৫
একটি বানোয়াট কিসসা: নবীজীকে হুসাইন রা. -এর প্রশ্ন- নানাজী! আপনি বড় না আমি বড়? ২২৩
মূসা আ. ও আবেদের কিসসা: আমি ছাড়া আর কেউ যেন জাহান্নামে না যায় ২২৫
একটি ভিত্তিহীন কিসসা: আবু জেহেলের গর্ত খোঁড়ার কিসসা ২৫১
একটি ভিত্তিহীন কিসসা: জিবরীল আ. -কে নবীজীর জিজ্ঞাসা আপনার বয়স কত?.. নবীজী বললেন, আমিই ওই তারকা.. !! ২৭১
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: সুলাইমান আ. -এর যিয়াফত ৬৯
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: ইদরীস আ. -এর জান্নাত দেখতে গিয়ে আর বের না হওয়া ১২২
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: মূসা আ. ও আল্লাহুর মাঝে কথোপকথন ১৩৭
একটি বানোয়াট কিস্সা: শাদ্দাদের বেহেশত ১৪৩
একটি বানোয়াট কাহিনী: নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্কাশা রা. -এর প্রতিশোধ গ্রহণের কাহিনী ১৪৪
একটি বানোয়াট কিচ্ছা: নবীজীর ওফাতের সময় মালাকুল মাওতের অনুমতি প্রার্থনা ১৫৩
একটি অলীক কাহিনী: আখেরী জমানায় একজন পুরুষের বিপরীতে ১৫ ২০জন নারী হবে এবং.. , ১৫৭
একটি বানোয়াট কিস্সা: প্লাবনের পর নূহ আ. -কে হত্যার ষড়যন্ত্র! ১৬৭
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: সাপের পেটে করে ইবলিস জান্নাতে প্রবেশ করে এবং আদম-হাওয়া আ. -কে ঘোঁকা দেয় ১৭০
একটি অলীক কাহিনী: স্ত্রীকে মাছ কাটতে দিয়ে গোসল করতে যায়.. , ১৭৬
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: দুই ব্যক্তির রূহ কবয করতে মালাকুল মাওতের কষ্ট হয়েছে ১৭৮
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: মায়ের অসম্ভব্যির কারণে মৃত্যুশ্য্যায় যুবকের কালেমা বলতে না পারা ১৯৪
একটি অলীক কাহিনী: জিবরীল আ. -এর জান্নাত মাপার কাহিনী ২০১
একটি অলীক কাহিনী: মূসা আলাইহিস সালাম ও এক পাপিষ্ঠা নারীর কাহিনী ২০৪
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: শবে বরাতে ইবাদতের ফযীলত বিষয়ে ঈসা আ. ও বুযুর্গ বৃদ্ধের কাহিনী ২০৯
 একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: নবীজীর বাড়িতে দুষ্ট মেহমান.. ২৪৭
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: নবীকন্যা ফাতেমা রা. -এর ঘরে জান্নাতের খাবার.. ২৫৬
 একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: আলী রা. -এর ছয় দিরহাম দান এবং জিবরীল আ. ও মিকাঈল আ. -এর উটনী ক্রয়-বিক্রয়.. ২৬০
একটি ভিত্তিহীন কাহিনী: জান্নাতে মূসা আলাইহিস সালামের সঙ্গী কে?.. ২৬৫
 
ভুল রসম-প্রথা-রীতি কুসংস্কার পন্থা চিন্তা-ভাবনা
 একটি ভুল চিন্তা: আমরা ইবাদত করলে কি আল্লাহুর লাভ?!.. ১১০
 একটি মারাত্মক ভুল চিন্তা: হারাম মাল ভক্ষণ বলতে কি শুধু হারাম মাল দ্বারা পানাহার বুঝায়?.. ১৩৬
একটি ভুল রসম: মায়ের মাথা ছুঁয়ে কসম করা.. ১২৪
 একটি ভুল রসম: ঝুড়িতে করে কবরের মাটি এনে বাড়ির মহিলাদের থেকে ছুঁয়ে নেওয়া.. ১৫২
একটি ভুল রসম: দাফনের পর কবরে আযান দেওয়া.. ১৫৫
একটি ভুল রসম: তিনবার কবুল না বললে কি বিয়ে সহীহ হবে না?.. ১৫৭
একটি ভুল প্রচলন: কুরআন মাজীদ পড়ে গেলে কি তা ওজন করে চাল সদকা করতে হয়?.. ১৫৮
 একটি ভুল রসম: দাফনের পরপর মৃতের বাড়িতে খাবারের আয়োজন করা.. ২২৮
একটি ভুল রসম: মাইয়েতের খাটিয়া বহনের সময় উচ্চেঃস্বরে কালেমা পড়তে থাকা.. ২৪৪
একটি রসম: কালেমার মাধ্যমে দুআ শেষ করা.. ১৩৫
একটি গর্হিত রসম: বিয়েতে রং মাখা-মাখি করা.. ১০৪
 একটি মনগড়া রসম: কাফনের ওপর ইয়াসীন, কালেমা ও মুনকার নাকীরের প্রশ্নের উত্তর লিখে দেওয়া.. ১৮৩
একটি ভুল রীতি: খতম কি বখশানো জরুরি?.. ৫৮
 একটি ভুল প্রথা: দোকান ঝাড়ু দেওয়ার আগে ভিক্ষা না দেওয়া বা বেচাকেনা না করা.. ১০৩
কুসংস্কার: রাতে নিচের কাজগুলো করা যাবে না-.. ১৪৭
একটি কুসংস্কার: প্রথম সন্তান মারা গেলে কি পরের সন্তানের কান ফুটো করে দিতে হয়!.. ১৫০
একটি কুসংস্কার: বিয়ের পরে মেয়েরা চুড়ি বা নাকফুল না পরলে কি স্বামীর হায়াত কমে যায়?.. ১৬৪
 একটি কুসংস্কার: গর্ভাবস্থায় আগের সন্তানের খতনা করানো যাবে না.. ১৭৪
একটি ভুল পদ্ধতি: সময় বিবেচনা ছাড়াই সুন্নতের জন্য দাঁড়িয়ে যাওয়া.. ১৭৪
একটি মনগড়া রসম: দেনমোহরের ক্ষেত্রে জোড় সংখ্যা রাখা যাবে না, বেজোড় সংখ্যা হতে হবে.. ১৭৭
একটি মারাত্মক ভ্রান্ত চিন্তা: কর্মই ধর্ম.. ১৩৯
একটি ভুল পদ্ধতি: রুকু না পেলে আবার নতুন করে তাকবীর বলে হাত বাঁধা.. ১৬৮
একটি ভুল পছা: ফরয নামাযের পরের তাসবীহ কি দ্রুত পড়াই নিয়ম!.. ১৭৩
একটি ভুল প্রথা: বিয়ের দিন-তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে পঞ্জিকা দেখে শুভ-অশুভ দিন-তারিখ নির্ণয় করা.. ২২৪
একটি মারাত্মক ভুল কর্মপছা: দলিল নয়, এমন বিষয়কে দলিল বানানো.. ৫৪
একটি ভুল ভাবনা: বাসন চেটে খেলে কি কন্যা সন্তান হয়?.. ১০৯
 
ভুল দরূদ ভিত্তিহীন ফযীলত
একটি ভুল দরূদ: দরূদে হাজারী সঠিক দরূদ নয়.. ৩৯
একটি ভুল দরূদ: দরূদে হাজারীর ফযীলত.. ৬৪
একটি দরূদ ও ভিত্তিহীন ফযীলত: দরূদে মাহি.. ১৮৪
একটি ভিত্তিহীন ফযীলত: আল্লাহ্ র রাস্তায় মেহনতকারীর জন্য
আরশ বহনকারী ফেরেশতাগণ তিন দুআ করেন.. ২৩৭
মুসাফাহার ভিত্তিহীন ফযীলত: কেউ যদি দিনে পঁচিশজনের সঙ্গে
মুসাফাহা করে আর সেদিন মারা যায় তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে.. ১৯০
একটি মনগড়া ফযীলত: সুন্নত অনুযায়ী বড় ইস্তেঞ্জা করলে পনেরো
পারা কুরআন তেলাওয়াতের সওয়াব হবে!.. ১৬৫

অবহেলা অসতর্কতা ইত্যাদি
একটি অবহেলা: মেয়ে সন্তান হলে কানে আযান না দেওয়া.. ৬৫
একটি অবহেলা: উদাসীনতার সঙ্গে দুআ করা.. ৭২
কয়েকটি অবহেলা: দস্তরখানে খাদ্য পড়লে তুলে না খাওয়া, দস্তরখানকে কাঁটা-হাড়ি রাখার পাত্র বানানো এবং অপরিষ্কার রাখা.. ১৩৫
একটি মারাত্মক অবহেলা: রুশো, নিউটন.. বিজাতীয় নাম রাখা.. ১৬৯
একটি অসচেতনতা: কোনো মজমা থেকে বের হওয়ার সময় অন্যের জুতা-সেন্ডেল মাড়ানো.. ১৯২
একটি অসচেতনতা: নিঃশব্দের কেরাত কি দ্রুত পড়াই নিয়ম!.. ১৯৬
 একটি অসতর্কতা: রিংটোন হিসেবে আযান, কুরআন তেলাওয়াত ইত্যাদির ব্যবহার ১৯৭
একটি অসতর্কতা: আকীকার দিন গুনতে ভুল করা ২৩৩
আযানের আগে কি সুন্নত পড়া নিষেধ ৩৭
একটি অনুস্তম আমল: মাসবুক অবশিষ্ট নামাযের জন্য কখন দাঁড়াবে? ৬৭
১. মূসা আলাইহিস সালামের উম্মত ফেরাউনের স্ত্রীর দুআ ৯৩
২. আসহাবে কাহফ তথা তৎকালীন নবীর উম্মতের দুআ ৯৪
৩. ইমরানের স্ত্রীর দুআ ৯৪
একটি গর্হিত বিদাত ও মারাত্মক বিকৃতি: ইসলামে কি তৃতীয় কোনো ঈদ আছে ৪২



হাদীসের নামে জালিয়াতি প্রচলিত মিথ্যা হাদীস ও ভিত্তিহীন কথা


৯. ১. মাওলানা রুহুল আমিন বশিরহাটী ২২৬
৯. ১. ১. আপনি না হলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করতাম না ২২৭
৯. ১. ২. যে নিজেকে চিনল সে তার রক্বকে চিনল ২২৮
৯. ১. ৩. যার পীর নেই তার পীর শয়তান ২২৮
৯. ১. ৪. ওলীগণ মরেন না ২২৯
৯. ১. ৫. হাদীস গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান জাল হাদীস ২২৯
৯. ১. ৬. তাফসীর-গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান জাল হাদীস ২৩১
৯. ১. ৭. ফিকহ গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান জাল হাদীস ২৩২
 ৯. ১. ৮. তাসাউফ গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান জাল হাদীস ২৩৪
 
৯. ২. আল্লামা আবূ জাফর সিদ্দিকী ফুরফুরাবী ২৩৫
 ৯. ২. ১. যেসকল হাদীস জাল বলে চিহ্নিত করেছেন ২৩৬
৯. ২. ২. যেসকল মত, বিশ্বাস বা কর্মকে ভিত্তিহীন বলেছেন ২৪০
৯. ২. ৩. যেসকল বই পড়তে নিষেধ করেছেন ২৪৩
৯. ২. ৪. যেসকল বইয়ের হাদীস জাল বলেছেন ২৪৪
৯. ২. ৪. ১. সুনান ইবন মাজাহ ২৪৪
৯. ২. ৪. ২. আল-ফিরদাউস ও মুসনাদুল ফিরদাউস ২৪৫
৯. ২. ৪. ৩. 'আল-জামি আস-সাগীর ও কানযুল উম্মাল ২৪৫
৯. ২. ৪. ৪. এহইয়াউ উলূমিদ্দীন ২৪৫
৯. ২. ৪. ৫. তাফসীর কাশ্চাফ ২৪৬
৯. ২. ৪. ৬. গুনইয়াতুত তালিবীন ২৪৬
৯. ২. ৪. ৭. হেদায়া ২৪৬
৯. ২. ৪. ৮. তাফসীর কাবীর ২৪৭
৯. ২. ৪. ৯. তাফসীর বাইযাবী ২৪৭
৯. ২. ৪. ১০. শারহুল আকায়িদ আন-নাসাফিয়্যাহ ২৪৭
৯. ২. ৪. ১১. আস-সীরাহ আল-হালাবিয়্যাহ ২৪৮
৯. ২. ৪. ১২. তাফসীর রুহুল বায়ান ২৪৮
৯. ২. ৪. ১৩. কাসিদা- ই- নু'মান ২৪৮
৯. ৩. মাওলানা আবদুল মালেক ও মুতিউর রহমান ২৪৯
৯. ৪. আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী ও যাকারিয়া হাসানাবাদী ২৫১

(ক) উমার ইবনু বাদর মাউসিলী হানাফী ২৬১
১. ঈমানের হ্রাস-বৃদ্ধি ২৬২
২. মুরজিয়া, জাহমিয়া, কাদারিয়া ও আশআরিয়া ২৬২
৩. আল্লাহর বাণী সৃষ্ট নয় ২৬২
৪. নূরের সমূদ্রে ফিরিশতাগণের সৃষ্টি ২৬৩
৫. মুহাম্মাদ বা আহমাদ নাম রাখার ফযীলত ২৬৩
৬. আকল অর্থাৎ বুদ্ধি বা জ্ঞানেন্দ্রিয় ২৬৩
৭. খিয়ির ই ও ইলিয়াস ই-এর দীর্ঘ জীবন ২৬৩
৮. কুরআনের বিভিন্ন সূরার ফযীলত ২৬৪
৯. রোদে গরম করা পানি ২৬৫
১০. আবু হানীফা ই ও শাফিয়ী ই-এর প্রশংসা বা নিন্দা ২৬৫
১১. যার দায়িত্বে সালাত (কাযা) রয়েছে তার সালাত হবে না ২৬৫
১২. মসজিদের মধ্যে জানাযার সালাত আদায়ে নিষেধাজ্ঞা ২৬৫
১৩. ওয়ূর পরে রুমাল ব্যবহার বা আদ্র অঙ্গগুলো মোছা ২৬৫
১৪. সালাতের মধ্যে সশব্দে বিসমিল্লাহ পাঠ ২৬৫
১৫. জানাযার তাকবীরগুলোতে হাত উঠানো ২৬৫
১৬. সালাতুর রাগাইব ২৬৫
১৭. শবে মিরজ-এর সালাত ২৬৫
১৮. শবে বরাতের সালাত ২৬৫
১৯. সপ্তাহের দিন ও রাতের নফল সালাত ২৬৫
২০. ঈদের তাকবীরের সংখ্যা ২৬৬
২১. সুন্দর চেহারার প্রশংসায় বর্ণিত সকল হাদীস বানোয়াট। ২৬৬
২২. আশুরার ফযীলত ২৬৬
২৩. রজব মাসে সিয়ামের ফযীলত ২৬৬
২৪. ঋণ থেকে উপকার নেওয়াই সুদ ২৬৬
২৫. অবিবাহিতদের প্রশংসায় কথিত সকল কথা ভিত্তিহীন। ২৬৬
২৬. ছুরি দিয়ে মাংস কেটে খাওয়ার নিষেধাজ্ঞা ২৬৬
২৭. আখরোট, বেগুন, বেদানা.. ইত্যাদির গুণাগুণ ২৬৭
২৮. মোরগ বা সাদা মোরগের প্রশংসা ২৬৭
২৯. আকীক ও অন্যান্য পাথরের গুণাগুণ ২৬৭
৩০. স্বপ্নের কথা মহিলাদেরকে বলা যাবে না ২৬৭
৩১. রাসূলুল্লাহ ফাসী ভাষায় কথা বলেছেন বা ফাসী ভাষার নিন্দা করেছেন ২৬৭
৩২. জারজ সন্তান জান্নাতে প্রবেশ করবে না ২৬৭
৩৩. ফাসেক ব্যক্তির গীবত করার বৈধতা ২৬৭
৩৪. তারিখ ও স্থানভিত্তিক ভবিষ্যদ্বাণী ২৬৭
৩৫. দাবা খেলার নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক ২৬৭

(খ) মোল্লা আলী কারী ও দরবেশ হূত ২৬৮
১. ভবিষ্যতের যুদ্ধ-বিগ্রহ বিষয়ক বর্ণনাসমূহ প্রায় সবই অনির্ভরযোগ্য ২৬৮
২. রাসূলুল্লাহ ই-এর যুদ্ধবিগ্রহ ২৬৮
৩. তাফসীর বিষয়ক হাদীস ২৬৯
৪. নবীগণের কবর ২৬৯
৫. মক্কায় খাদীজা শুল্লা ও সাহাবীগণের কবর ২৬৯
৬. রাসূলুল্লাহ শুল্লা জন্মালাভের স্থান ২৬৯
৭. কুদায়ীর 'আশ-শিহাব' গ্রন্থের অতিরিক্ত হাদীসসমূহ ২৬৯
৮. ইবনু ওয়াদ‘আনের ‘চল্লিশ হাদীস’ গ্রন্থের সকল হাদীস ২৭০
৯. শারাফ বালখী রচিত 'ফায়লুল উলামা' বইয়ের সকল হাদীস। ২৭০
১০. 'কিতাবুল আরুস' গ্রন্থের হাদীস ২৭০
১১. 'হাকিম তিরমিয়ী'-এর গ্রন্থাবলির হাদীস ২৭০
১২. ইমাম গাযালীর গ্রন্থাবলির হাদীস ২৭০
১৩. আবুল লাইস সামারকান্দীর 'তাম্বিহুল গাফিলীন' ২৭১
১৪. খুরাইফীশ-এর 'আর-রাওদুল ফাইক' ২৭১
১৫. তাসাউফের গ্রন্থাবলির হাদীস ২৭১
১৬. হাকিম-এর 'আল-মুসতাদরাক' গ্রন্থের হাদীস ২৭১
১৭. আল আমিরীর 'শারহুশ শিহাব' গ্রন্থের হাদীস ২৭১
১৮. 'আলীর প্রতি রাসূলুল্লাহ' শুল্লা-এর ওসীয়ত' নামে প্রচলিত ওসীয়ত ২৭১
১৯. আবু হুরাইরার প্রতি রাসূলুল্লাহ শুল্লা-এর ওসীয়ত ২৭২
২০. বিলালের মদীনা ত্যাগ ও স্বপ্ন দেখে মদীনায় আগমনের কাহিনী ২৭২
২১. সপ্তাহের বিভিন্ন দিনের বা রাতের বিশেষ নামায় ২৭২
২২. হাসান বসরী আলী শুল্লা থেকে খিরকা বা সূফী তরীক লাভ ২৭৩
২৩. উয়াইস কারনীর খিরকা লাভ ২৭৩
২৪. কুতুব গওস, নকীব নাজীব আওতাদ বিষয়ক হাদীস ২৭৩
২৫. মেন্দির বিশেষ ফযীলত ২৭৩
২৬. আজগুবি সাওয়াব বা শাস্তি ২৭৩
২৭. স্বাভাবিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার বিপরীত কথা ২৭৪
২৮. অপ্রয়োজনীয়, অবান্তর বা ফালতু বিষয়ের আলোচনা ২৭৪
২৯. চিকিৎসা, টোটকা বা খাদ্য বিষয়ক অধিকাংশ কথাই বানোয়াট। ২৭৫
৩০. উজ পালোয়ান, কোহে কাফ ইত্যাদি বিষয়ক কথাবার্তা ২৭৫
৩১. বিশুদ্ধ হাদীসের সুস্পষ্ট বিরোধী কথাবার্তা ২৭৫

শ্রষ্টা, সৃষ্টি ও পূর্ববর্তী নবীগণ ২৭৭

(ক) মহান শ্রষ্টা বিষয়ক জাল হাদীস ২৭৭
১. আল্লাহকে কোনো আকৃতিতে দেখা ২৭৭
২. ৭, ৭০ বা ৭০ হাজার পর্দা ২৭৯
৩. আরশের নিচের বিশাল মোরগ বিষয়ে ২৭৯
৪. যে নিজেকে চিনল সে আল্লাহকে চিনল ২৭৯
৫. মুমিনের কালব আল্লাহর আরশ ২৮০
৬. আমি গুপ্তভাণ্ডার ছিলাম ২৮০
৭. কিয়ামতে আল্লাহ মানুষদেরকে মায়ের নামে ডাকবেন ২৮১
৮. জান্নাতের অধিবাসীদের দাড়ি থাকবে না ২৮১
৯. আল্লাহ ও জান্নাত-জাহান্নাম নিয়ে চিন্তা-ফিকির করা ২৮১

(খ) পূর্ববর্তী সৃষ্টি, নবীগণ ও তাফসীর বিষয়ক জাল হাদীস ২৮১
১. বিশ্ব সৃষ্টির তারিখ বা বিশ্বের বয়স বিষয়ক ২৮৩
২. মানুষের পূর্বে অন্যান্য সৃষ্টির বিবরণ ২৮৩
৩. ১৮ হাজার মাখলুখাত ২৮৪
৪. নবী-রাসূলগণের সংখ্যা: ১ বা ২ লক্ষ ২৪ হাজার ২৮৪
৫. নবী-রাসূলগণের নাম ২৮৭
৬. আসমানী সহীফার সংখ্যা ২৮৮
৭. নবী-রাসূলগণের বয়স বিষয়ক বর্ণনা ২৮৯
৮. নবী-রাসূলগণের জীবন-বৃত্তান্ত ২৮৯
৯. আদম ও হাওয়া এর গন্দম ফল ভক্ষণ ২৮৯
১০. আদম ও হাওয়া এর বিবাহ ও মোহরানা ২৯০
১১. ইবলিস কর্তৃক ময়ূর ও সাপের সাহায্য গ্রহণ ২৯০
১২. আদম-হাওয়া এর পৃথিবীতে অবতরণের পরে ২৯০
১৩. আদম কর্তৃক কা'বা ঘর নির্মাণ ২৯১
১৪. নূহ এর নৌকায় মলত্যাগ করা ও পরিষ্কার করা ২৯১
১৫. ইদরীস এর সশরীরে আসমানে গমন ২৯১
১৬. হুদ ও শাদ্দাদের বেহেশত ২৯২
১৭. ইবরাহীম এর পিতা ২৯৩
১৮. ইবরাহীম এর তাওয়াকুল ২৯৫
১৯. ইসমাঈল এর গলায় ছুরি চালানো ২৯৬
২০. আইউব এর বালা-মুসিবৎ ২৯৭
২১. দায়ুদ এর প্রেম ২৯৮
২২. হারুত মারুত ২৯৯

রাসূলুল্লাহ বিষয়ক জাল হাদীস ৩০২

প্রথম প্রসঙ্গ: জন্ম, মর্যাদা ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি ৩০৩
১. রাসূলুল্লাহ এর অলৌকিক জন্মগ্রহণ ৩০৩
২. রাসূলুল্লাহ জন্ম থেকেই কুরআন জানতেন ৩০৫
৩. রাসূলুল্লাহ জন্ম থেকেই লেখা পড়া জানতেন! ৩০৫
৪. আপনি না হলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করতাম না ৩০৫
৫. আরশের গায়ে রাসূলুল্লাহ -এর নাম ৩০৬
৬. খলীলুল্লাহ ও হাবীবুল্লাহ ৩০৯
৭. আমি শেষ নবী, আমার পরে নবী নেই, তবে.. ৩১০

দ্বিতীয় প্রসঙ্গ: নূর মুহাম্মদী ৩১১
 (ক) আল-কুরআন ও নূর মুহাম্মদী ৩১৪
(খ) হাদীস শরীফে নূর মুহাম্মদী ৩১৯
৮. রাসূলুল্লাহ -এর পবিত্র দাঁতের নূর ৩১৯
৯. রাসূলুল্লাহ ও আলী নূর থেকে সৃষ্ট ৩২০
১০. রাসূলুল্লাহ -কে আল্লাহর নূর, আবৃ বকরকে তাঁর নূর.. থেকে সৃষ্টি ৩২০
১১. আল্লাহর মুখমণ্ডলের নূরে রাসূলুল্লাহ -এর সৃষ্টি ৩২১
১২. রাসূলুল্লাহর নূরে ধান-চাউল সৃষ্টি! ৩২১
১৩. জৈনানদার মুসলমান আল্লাহর নূর দ্বারা সৃষ্ট ৩২২
১৪. নূর মুহাম্মদীর ময়ূর রূপে থাকা ৩২২
১৫. রাসূলুল্লাহ তারকা-রূপে ছিলেন ৩২২
১৬. নূর মুহাম্মদীই প্রথম সৃষ্টি ৩২৪

ষষ্ঠ প্রসঙ্গ: সহীহ হাদীসে রাসূলুল্লাহ -এর মর্যাদার প্রাচীনত্ব ৩৪৫
১৭. আদম যখন পানি ও মাটির মধ্যে ৩৪৮
১৮. যখন পানিও নেই মাটিও নেই ৩৪৮

সপ্তম প্রসঙ্গ: তুরবায়ে মুহাম্মদী বা রাসূলুল্লাহ -এর সৃষ্টির মাটি ৩৪৮
১৯. রাসূলুল্লাহ, আবৃ বকর ও উমার একই মাটির ৩৪৮
২০. রাসূলুল্লাহ, আলী, হারূন.. একই মাটির ৩৪৯
২১. রাসূলুল্লাহ, ফাতেমা, হাসান, হুসাইন একই মাটির ৩৫০

অষ্টম প্রসঙ্গ: হিজরত, মি'রাজ, ওফাত ইত্যাদি বিষয়ক জাল হাদীস ৩৫০
২২. সাওর গুহায় আবৃ বকর -কে সাপে কামড়ানো ৩৫০
২৩. মি'রাজের রাত্রিতে পাদুকা পায়ে আরশে আরোহণ ৩৫১
২৪. মি'রাজের রাত্রিতে 'আত-তাহিয়্যাতু' লাভ ৩৫৪
২৫. মুহূর্তের মধ্যে মি'রাজের সকল ঘটনা সংঘটিত হওয়া ৩৫৪
২৬. মি'রাজ অস্বীকারকারীর মহিলায় রূপান্তরিত হওয়া ৩৫৫
২৭. হরিণীর কথা বলা বা সালাম দেওয়া ৩৫৬
২৮. হাসান-হুসাইনের ক্ষুধা ও রাসূলুল্লাহ -এর প্রহৃত হওয়া ৩৫৬
২৯. জাবির -এর সন্তানদের জীবিত করা ৩৫৬
৩০. বিলালের জারি ৩৫৬
৩১. উসমান ও কুলসূম -এর দা'ওয়াত সংক্রান্ত জারি ৩৫৭
৩২. রাসূলুল্লাহ -এর ছায়া না থাকা প্রসঙ্গ ৩৫৭
৩৩. উকাশার প্রতিশোধ গ্রহণ ৩৬৩
৩৪. ওফাতের সময় মালাকুল মাউতের আগমন ও কথাবার্তা ৩৬৪
৩৫. স্বয়ং আল্লাহ তাঁর জানাযার সালাত পড়েছেন! ৩৬৫
৩৬. ইন্তেকালের পরে ১০ দিন দেহ মুবারক রেখে দেওয়া! ৩৬৫

নবম প্রসঙ্গ: হায়াতুন্নবী বা রাসূলুল্লাহ -এর ওফাত পরবর্তী জীবন ৩৬৬
৩৭. তাঁর ইন্তিকাল পরবর্তী জীবন জাগতিক জীবনের মতই ৩৬৯
৩৮. তিনি আমাদের দরুদ-সালাম শুনতে বা দেখতে পান ৩৭১
৩৯. তিনি মীলাদের মাহফিলে উপস্থিত হন ৩৭১

দশম প্রসঙ্গ: আলিমুল গাইব ও হাযির-নাযির প্রসঙ্গ ৩৭১
৪০. রাসূলুল্লাহ -এর ইলমুল গাইবের অধিকারী হওয়া ৩৭১
৪১. রাসূলুল্লাহ -এর হাযির-নাযির হওয়া ৩৭২
৪২. এ সকল মিথ্যার উৎস ও কারণ ৩৭৩
৪৩. দলীল ও ব্যাখ্যার তুলনামূলক পর্যালোচনা ৩৭৭

একাদশ প্রসঙ্গ: মীলাদুন্নবী উদযাপন ৩৮৮
৪৬. ৬০০ বছর যাবৎ সকল ইমাম ও বুযুর্গই কি মীলাদ বিরোধী? ৩৯৬
৪৭. ৮০০ বছরের সকল মীলাদ-পন্থীই কি সত্য গোপনকারী? ৩৯৯

আহল বাইত, সাহাবী-তাবিয়ী ও উন্মাত ৪০২
১. পাক-পাঞ্জাতন ৪০২
২. বিষাদ সিন্ধু ও অন্যান্য প্রচলিত পুঁথি ও বই ৪০৩
৩. ফাতিমা -এর শরীর টেপার জন্য বাঁদী চাওয়া! ৪০৩
৪. আবূ বকর -এর খেজুর পাতা পরিধান ৪০৫
৫. আবূ বাকরের সাথে রাসূলুল্লাহ -এর কথা উমার বুঝতেন না ৪০৬
৬. উমার কর্তৃক নিজ পুত্র আবূ শাহমাকে দোররা মারা ৪০৬
৭. উমার ছ-এর ইসলাম গ্রহণের দিনে কাবাঘরে আযান শুরু ৪০৭
৮. রাসূলুল্লাহ ছ ইলমের শহর ও আলী ছ তার দরজা ৪০৮
৯. আলী ছ-কে দরবেশী খিরকা প্রদান ৪০৮
১০. আলীকে ডাক, বিপদে তোমাকে সাহায্য করবে! ৪০৮
১১. আলী ছ-কে দাফন না করে উটের পিঠে ছেড়ে দেওয়া ৪১০
১২. আমার সাহাবীগণ নক্ষত্রতুল্য ৪১১
১৩. আমার আহলু বাইত নক্ষত্রতুল্য ৪১২
১৪. সাহাবীগণের বা উম্মতের মতভেদ রহমত ৪১২
১৫. মুআবিয় ছ-এর কাঁধে ইয়াযীদ: বেহেশতীর কাঁধে দোযখী ৪১৩
১৬. সাহাবীগণের যুগে 'যমিন-বুসি' ৪১৩
১৭. উয়াইস কারনী ছ ৪১৪
১৮. হাসান বসরী ছ ৪১৭
১৯. আখেরী যামানার উম্মাতের জন্য চিন্তা ৪১৯
 
বেলায়াত, আওলিয়া ও ইলম বিষয়ক ৪২০
১. ওলীদের কারামত বা অলৌকিক ক্ষমতা সত্য ৪২০
২. ওলীগণ মরেন না ৪২৫
৩. ওলীগণ কবরে সালাত আদায়ের ত ৪২৬
৪. ওলীগণ আল্লাহর সুবাস ৪২৬
৫. ওলীগণ আল্লাহর জুব্বার অন্তরালে ৪২৬
৬. ওলীদের খাস জান্নাত: শুধুই দীদার ৪২৭
৭. ওলী-আল্লাহদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাত সবই হারাম! ৪২৭
৮. শরীয়ত, তরীকত, মারিফত ও হাকীকত ৪২৮
৯. ছোট জিহাদ ও বড় জিহাদ ৪৩১
১০. প্রবৃত্তির জিহাদই কঠিনতম জিহাদ ৪৩১
১১. আলিম বনাম আরিফ ৪৩২
১২. আল্লাহর স্বভাব গ্রহণ কর ৪৩২
১৩. একা হও আমার নিকটে পেঁছাবে ৪৩২
১৪. সামা বা প্রেম-সঙ্গীত শ্রবণ কারো জন্য ফরয.. ৪৩২
১৫. যার ওয়াজদ বা উন্নত্তা নেই তার ধর্মও নেই, জীবনও নেই ৪৩৪
১৬. যে গান শুনে আন্দোলিত না হয় সে মর্যাদাশালী নয় ৪৩৪
১৭. গওস, কুতুব, আওতাদ, আকতাব, আবদাল, নুজাবা ৪৩৪
১৮. আব্দুল কাদির জীলানী ছ বিষয়ক ৪৪২
১৯. পীর-মুরীদি: যার পীর নেই তার পীর শয়তান ৪৪২
২০. শহীদের রক্তের চেয়ে জ্ঞানীর কালি উত্তম ৪৪৫
২১. আমার উন্মতের আলিমগণ বনী ইসরাঈলের নবীগণের মত ৪৪৫
২২. আলিমের চেহার দিকে তাকানো ৪৪৬
২৩. আলিমের ঘুম ইবাদত ৪৪৬
২৪. মুর্খের ইবাদতের চেয়ে আলিমের ঘুম উত্তম ৪৪৬
২৫. আলিমের সাহচর্য হাজার রাক'আত সালাতের চেয়ে উত্তম ৪৪৭
২৬. আসরের পরে লেখাপড়া না করা ৪৪৭
২৭. চীনদেশে হলেও জ্ঞান সন্ধান কর ৪৪৮
২৮. রাতের কিছু সময় ইলম চর্চা সারা রাত ইবাদতের চেয়ে উত্তম ৪৪৮
২৯. ইলম, আমল ও ইখলাসের ফযীলত ৪৪৮
৩০. ইল্ম সন্ধান করা পূর্বের পাপের মার্জনা ৪৪৯
৩১. খালি পায়ে ভাল কাজে বা ইলম শিখতে যাওয়া ৪৫০
৩২. ইলম যাহির ও ইলম বাতিন ৪৫১
৩৩. বাতিনী ইলম গুপ্ত রহস্য নবী-ফিরিশতাগণও জানে না! ৪৫৫
৩৪. বাতিনী ইলম গুপ্ত রহস্য আল্লাহ ইচ্ছামত নিক্ষেপ করেন ৪৫৫
৩৫. মানুষই আল্লাহর গুপ্ত রহস্য ৪৫৬
৩৬. বাতিনী ইলম লুক্কায়িত রহস্য শুধু আল্লাহওয়ালারাই জানেন ৪৫৬
৩৭. মি'রাজের রাতে ত্রিশ হাজার বাতিনী ইলম গ্রহণ ৪৫৭
৩৮. রাসূলুল্লাহ -এর বিশেষ বাতিনী ইলম ৪৫৭
৩৯. আলিম বা তালিব ইমলের জন্য ৪০ দিন কবর আযাব মাফ ৪৫৮
৪০. আলিমের সাথে সাক্ষাতে রাসূলুল্লাহ -এর সাথে সাক্ষাত ৪৫৮
৪১. যে দিন আমি নতুন কিছু শিখিনি সে দিন বরকত হীন ৪৫৯
৪২. কুরআন দিয়ে হাদীস বিচার ৪৬০
৪৩. 'ভাল' অর্থ দেখে হাদীস বিচার ৪৬১
৪৪. ভক্তিতেই মুক্তি! ৪৬২
৪৫. কিছু সময় চিন্তা-ফিকর হাজার বৎসর ইবাদত থেকে উত্তম ৪৬৩
৪৬. চিন্তা-ফিকর, মুরাকাবা ও ধ্যান ৪৬৪
৪৭. মারিফতের প্রাবল্যে আত্মবিলুপ্তি ৪৬৫
 
ঈমান বিষয়ক ৪৬৬
 ১. স্বদেশ প্রেম ঈমানের অংশ ৪৬৬
২. প্রচলিত পাঁচ কালিমা ও দুই ঈমান ৪৬৭
 
সালাত ও আনুষঙ্গিক প্রসঙ্গ ৪৭২

 (ক) পবিত্রতা বিষয়ক ৪৭২
১. 'কুলুখ' ব্যবহার না করলে গোর আযাব হওয়া ৪৭২
২. বেলালের ফযীলতে কুলুখের উল্লেখ ৪৭৪
৩. খোলা স্থানে মলমুত্র ত্যাগ করা ৪৭৪
৪. ফরয় গোসলে দেরি করা ৪৭৫
৫. শবে বরাত বা শবে কদরের গোসল ৪৭৫
৬. ওয়, গোসল ইত্যাদির নিয়্যাত ৪৭৫
৭. ওয়র আগের দু'আ ৪৭৬
৮. ওয়র ভিতরের দু'আ ৪৭৬
৯. ওয়র সময়ে কথা না বলা ৪৭৬
১০. ওয়র পরে সূরা 'কাদ্ৰ' পাঠ করা ৪৭৬

(খ) মসজিদ ও আযান বিষয়ক ৪৭৭
১. মসজিদে দুনিয়াবী কথাবার্তা ৪৭৭
২. মসজিদে বাতি জ্ঞালানো ও ঝাড়ু দেওয়া ৪৭৮
৩. আযানের সময় বৃদ্ধাঙ্গুলি চোখে বুলানো ৪৭৯
৪. আযানের জাওয়াবে 'সাদাকতা ও বারিরতা' ৪৮১
৫. আযানের দু'আর মধ্যে 'ওয়াদ দারাজাতার রাফীয়াহ' ৪৮১
৬. আযানের দু'আয়: “ওয়ারযুকনা শাফাআতাহু” ৪৮২
৭. আযানের সময় কথা বলার ভয়াবহ পরিণতি! ৪৮৩

(গ) পাঁচ ওয়াক্ত সালাত বিষয়ক ৪৮৪
১. সালাতের ৫ প্রকার ফযীলত ও ১৫ প্রকার শাস্তি ৪৮৪
২. সালাত মুমিনদের মি'রাজ ৪৮৫
৩. ৮০ হুক্ৰবা বা ১ হুকবা শাস্তি ৪৮৬
৪. জামাআতে সালাত আদায়ে নবীগণের সাথে হজ্জ ৪৮৭
৫. মুত্তাকী আলিমের পিছনে সালাত নবীর পিছনে সালাত ৪৮৮
৬. আলিমের পিছনে সালাত ৪৪৪০ গুণ সাওয়াব ৪৮৯
৭. পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের রাক'আত সংখ্যার কারণ ৪৮৯
৮. উমরী কায়া ৪৯০
৯. কাফ্ফারা ও এস্কাত ৪৯১

(ঘ) সুন্নাত-নফল সালাত বিষয়ক ৪৯২
১. বিভিন্ন সালাতের জন্য নির্দিষ্ট সূরা বা আয়াত নির্ধারণ করা ৪৯৪
২. তারাবীহের সালাতের দু'আ ও মুনাজাত ৪৯৪
৩. সালাতুল আওয়াবীন ৪৯৬
৪. সালাতুল হাজাত ৪৯৮
৫. সালাতুল ইসতিখারা ৪৯৮
৬. হালকী নফল ৪৯৯
৭. আরো কিছু বানোয়াট “সালাত” ৪৯৯
৮. সপ্তাহের ৭ দিনের সালাত ৪৯৯

বার চাঁদের সালাত ও ফযীলত ৫০১

১. মুহারাম মাস ৫০১
 (গ) মুহারাম মাস বিষয়ক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথাবার্তা ৫০৪
১. মুহারাম বা আশূরার সিয়াম ৫০৪
২. মুহারাম মাসের সালাত ৫০৬
৩. আশুরার দিনে বা রাতে বিশেষ সালাত ৫০৬
৪. আশুরায় অতীত ও ভবিষ্যত ঘটনাবলির বানোয়াট ফিরিস্তি ৫০৬

২. সফর মাস ৫০৮
 (ক) সফর মাসের অশুভত্ব ও এ মাসের বালা-মুসিবত ৫০৮
(খ) সফর মাসের ১ম রাতের সালাত ৫০৯
(গ) সফর মাসের শেষ বুধবার ৫০৯
১. রাসূলুল্লাহ -এর সর্বশেষ অসুস্থতা ৫১১
২. আখেরী চাহার শোম্বার সালাত ৫১৩
 
৩. রবিউল আউয়াল মাস ৫১৩
 (ক) রাসূলুল্লাহ -এর জন্ম দিবস ৫১৪
(খ) রাসূলুল্লাহ -এর ওফাত দিবস ৫১৬
(গ) রবিউল আউয়াল বিষয়ক ভিত্তিহীন কথাবার্তা ৫১৮

৪. রবিউস সানী মাস ৫১৯
৫. জমাদিউল আউয়াল মাস ৫২০
৬. জমাদিউস সানী মাস ৫২০

৭. রজব মাস ৫২১
 (খ) রজব মাসের সালাত ৫২২
(গ) রজব মাসের দান, যিকর ইত্যাদি ৫২৩
(ঘ) রজব মাসের সিয়াম ৫২৩
(ঙ) লাইলাতুর রাগাইব ৫২৪
(চ) রজব মাসের ২৭ তারিখ ৫২৫
১. লাইলাতুল মি‘রাজ ৫২৫
২. ২৭ রজবের ইবাদত ৫২৬

৮. শাবান মাস ৫২৮
 (খ) শা'বান মাস বিষয়ক জাল ও ভিত্তিহীন কথাবার্তা ৫২৯
(গ) শবে বরাত বিষয়ক সহীহ, যয়ীফ ও জাল হাদীস ৫২৯
১. মধ্য শাবানের রাত্রির বিশেষ মাগফিরাত ৫৩০
২. মধ্য শাবানের রাত্রিতে ভাগ্য লিখন ৫৩০
৩. মধ্য-শাবানের রাত্রিতে দু'আ-মুনাজাত ৫৩২
৪. অনির্ধারিত সালাত ও দু'আ ৫৩২
৫. নির্ধারিত রাক'আত, সূরা ও পদ্ধতিতে সালাত ৫৩৩
৬. ৩০০ রাক'আত, প্রতি রাক'আতে ৩০ বার সূরা ইখলাস ৫৩৩
৭. ১০০ রাক'আত, প্রতি রাক'আতে ১০ বার সূরা ইখলাস ৫৩৩
৮. ৫০ রাক'আত ৫৩৫
৯. ১৪ রাক'আত ৫৩৬
১০. ১২ রাক'আত, প্রত্যেক রাক'আতে ৩০ বার সূরা ইখলাস ৫৩৬
১. মধ্য শাবানের রাতে কিয়াম ও দিনে সিয়াম ৫৩৮
২. দুই ঈদ ও মধ্য-শাবানের রাত্রিভর ইবাদত ৫৩৯
৩. পাঁচ রাত্রি ইবাদতে জাগ্রত থাকা ৫৪০
৪. এ রাত্রিতে রহমতের দরজাগুলো খোলা হয় ৫৪১
৫. পাঁচ রাতের দু'আ বিফল হয় না ৫৪১
৬. শবে বরাতের গোসল ৫৪৩
৭. এ রাতে নেক আমলের সুসংবাদ ৫৪৩
৮. এ রাতে হালুয়া-রুটি বা মিষ্টান্ন বিতরণ ৫৪৪
৯. ১৫ শা'বানের দিনে সিয়াম পালন ৫৪৪

৯. রামাদান মাস ৫৪৬
১. আল্লাহর রহমতের দৃষ্টি ও আযাব-মুক্তি ৫৪৭
২. সাহরীর ফযীলত ও সাহরী ত্যাগের পরিণাম ৫৪৭
৩. লাইলাতুল কাদুর বনাম ২৭ রমযান ৫৪৮
৪. লাইলাতুল কাদুরের গোসল ৫৪৮
৫. লাইলাতুল কাদুরের সালাতের নিয়্যাত ৫৪৯
৬. লাইলাতুল কাদুরের সালাতের পরিমাণ ও পদ্ধতি ৫৪৯
৭. লাইলাতুল কাদুরের কারণে কদর বৃদ্ধি ৫৫১
৮. জুমু'আতুল বিদা বিষয়ক জাল কথা ৫৫১

১০. শাওয়াল মাস ৫৫৫
 (খ) শাওয়াল মাস বিষয়ক কিছু জাল হাদীস ৫৫৬
১. ৬ রোয়া ও অন্যান্য ফযীলত ৫৫৬
২. ঈদুল ফিতরের দিনের বা রাতের বিশেষ সালাত ৫৫৭
৩. ঈদুল ফিতরের পরে ৪ রাকঃআত সালাত ৫৫৮

১১. যুলকাদ মাস ৫৫৮

১২. যুলহাজ্জ মাস ৫৫৯
 খ) যুলহাজ্জ মাস বিষয়ক কিছু বানোয়াট কথা ৫৬০
১. যুলহাজ্জ মাসের প্রথম দিন ৫৬০
২. যুলহাজ্জ মাসের ৮ তারিখ, ইয়াওমুত তারবিয়া ৫৬১
৩. যুলহাজ্জ মাসের ৯ তারিখ: আরাফার দিন ৫৬১
৪. যুলহাজ্জ মাসের বানোয়াট সালাত ৫৬১
৫. যুলহাজ্জ মাসের বানোয়াট সিয়াম ৫৬২
৬. যুলহাজ্জের শেষ দিন ও মুহার্বামের প্রথম দিনের সিয়াম ৫৬২

যাকাত, সিয়াম ও হজ্জ ৫৬৫

(ক) যাকাত ৫৬৫
১. মুমিনের জমিতে খারাজ ও উশর একত্রিত হয় না ৫৬৫
২. অলঙ্কারের যাকাত নেই ৫৬৭

(খ) সিয়াম ৫৬৭
১. সিয়ামের নিয়্যাত ৫৬৭
২. ৩০ দিন সিয়াম ফরয় হওয়ার কারণ ৫৬৮
৩. ইফতার, সাহরী ইত্যাদি খানার হিসাব না হওয়া ৫৬৮
৪. আইয়াম বীযের নামকরণ ৫৬৮
৫. আইয়াম বীযের সিয়াম পালনের ফযীলত ৫৬৯

(গ) হজ্জ ৫৭০
১. সাধ্য হলেও হজ্জ না করলে ইহুদী বা খ্রিস্টান হয়ে মরা ৫৭০
২. রাসূলুল্লাহ -এর কবর যিয়ারত বিষয়ক হাদীসসমূহ ৫৭২
৩. যিয়ারতকারীর জন্য সুসংবাদ ৫৭২
৪. ওফাত-পরবর্তী যিয়ারতে জীবদ্দশার যিয়ারতের মর্যাদা ৫৭৮
৫. যিয়ারত পরিত্যাগকারীর প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ ৫৮১
 ৬. বিবাহের আগে হজ্জ পালনের প্রয়োজনীয়তা ৫৮৪
৭. হজ্জের কারণে বান্দার হক্ক ক্ষমা হওয়া ৫৮৫
 
মৃত্যু, জানাযা, দু'আ, যিকর ইত্যাদি ৫৮৬
(ক) মৃত্যু, জানাযা, যিয়ারত ইত্যাদি ৫৮৬
 ১. প্রতিদিন ২০ বার মৃত্যুর স্মরণে শাহাদতের মর্যাদা ৫৮৬
২. মৃত্যুর কষ্টের বিস্তারিত বিবরণ ৫৮৬
৩. ইবরাহীম -এর মৃত্যু যন্ত্রণা ৫৮৬
৪. চারদিক থেকে দশ পা করে জানাযা বহন ৫৮৬
৫. নেকাকার মানুষদের পাশে কবর দেওয়া ৫৮৯
৬. কবর যিয়ারতের ফযীলত ৫৮৯
৭. শুক্রবারে কবর যিয়ারতের বিশেষ ফযীলত ৫৮৯
৮. কবর যিয়ারতের সময় সূরা ইয়াসীন পাঠ ৫৯০
৯. কবর যিয়ারতের সময় সূরা ইখলাস পাঠ ৫৯১
১০. মৃত্যুর সময় শয়তান পিতামাতার রূপ ধরে আসে ৫৯২
১১. গায়েবানা জানাযা আদায় করা ৫৯২
১২. মৃত লাশকে সামনে রেখে উপস্থিতগণকে প্রশ্ন করা ৫৯২
১৩. মৃতকে কবরে রাখার সময় বা পরে আয়ান দেওয়া ৫৯৩
১৪. ভূত-প্রেতের ধারণা ৫৯৩
১৫. মৃত্যুর পরে লাশের নিকট কুরআন তিলাওয়াত করা ৫৯৩
১৬. লাশ বহনের সময় সশব্দে কালিমা, দু'আ বা কুরআন পাঠ ৫৯৩
১৭. কবরের কাছে দান-সাদকা করা ৫৯৪
১৮. সন্তান ছাড়া অন্যদের দান সাদকা ৫৯৪
১৯. মৃতের জন্য জীবিতের হাদিয়া ৫৯৫
২০. মৃতের জন্য খানাপিনা, দান বা দু'আর অনুষ্ঠান ৫৯৬
২১. অসুস্থ ও মৃত ব্যক্তির জন্য বিভিন্ন প্রকারের খতম ৫৯৭
২২. মৃত ব্যক্তির জন্য কুরআন খতম ৫৯৭
২৩. দশ প্রকার লোকের দেহ পচবে না ৫৯৮
 
(খ) কুরআন সংশ্লিষ্ট দু'আ-তদবীর ৫৯৮

(গ) আমল-তদবীর ও খতম ৫৯৯
১. লা হাওলা.. দারিদ্র্য বিমোচনের আমল ৫৯৯
২. ঋণমুক্তির আমল ৬০০
৩. সূরা ফাতিহার আমল ৬০০
৪. বিভিন্ন প্রকারের খতম ৬০০

 (ঘ) যিকর, দু'আ ও ওযীফা ৬০৩
১. মহান আল্লাহর নামের ওযীফা বা আমল ৬০৩
২. আল্লাহর যিক্ র সর্বোত্তম যিক্ র ৬০৫
৩. যিকরে কলবে ও কবরে নূর ৬০৫
৪. ১০০ বার আল্লাহ নাম ও ৬টি নামের যিকর: ৬০৫
৫. “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” কালেমার খাস যিকর ৬০৫
৬. পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পরে ওযীফা ৬০৭
৭. “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম.. -এ সংযোজন ৬০৭
৮. দু'আয়ে গঞ্জল আরশ ৬০৮
৯. দু'আয়ে আহাদ নামা ৬০৮
১০. দু'আয়ে কাদাহ ৬০৯
১১. দু'আয়ে জামীলা ৬০৯
১২. হাফতে হাইকাল ৬০৯
১৩. দু'আয়ে আমান ৬০৯
১৪. দু'আয়ে হিযবুল বাহার ৬০৯

(ঙ) দরুদ-সালাম ৬১০
১. জুমু'আর দিনে নির্দিষ্ট সংখ্যায় দরুদের ফযীলত ৬১১
২. দরুদে মাহি বা মাছের দরুদ ৬১১
৩. দরুদে তাজ, দরুদে হক্কানী, তুনাজ্জিনা, ফুতুহাত, শিফা ইত্যাদি ৬১২

শুভাশুভ, সাজসজ্জা, পানাহার ও বিবিধ ৬১৩
 (ক) শুভ, অশুভ, উন্নতি, অবনতি ইত্যাদি ৬১৩
শুভাশুভ ও উন্নতি-অবনতি বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা ৬১৩
শুভ, অশুভ. উন্নতি, অবনতি ইত্যাদি বিষয়ক ভিত্তিহীন কথাবার্তা ৬১৪
১. শনি, মক্সল, অমাবস্যা, পূর্ণিমা ইত্যাদি ৬১৪
২. চন্দ্রগ্রহণ, সূর্যগ্রহণ, রংধনু, ধুমকেতু ইত্যাদি ৬১৪
৩. বুধবার বা মাসের শেষ বুধবার ৬১৫
৪. অবনতির কারণ বিষয়ক ভিত্তিহীন কথাবার্তা ৬১৫
৫. উন্নতির কারণ বিষয়ক ভিত্তিহীন কথাবার্তা ৬১৬

(খ) সাজসজ্জা, পোশাক ও পানাহার বিষয়ক ৬১৭
১. রাসূলুল্লাহ -এর একটিমাত্র জামা ছিল ৬১৭
২. জামার বোতাম ছিল না ৬১৮
৩. দাঁড়িয়ে বা বসে পাজামা পরিধান ৬১৮
৪. টুপির উপর পাগড়ী মুসলিমের চিহ্ন ৬১৮
৫. রাসূলুল্লাহ -এর পাঁচকল্লি টুপি ৬২০
৬. পাগড়ীর দৈর্ঘ্য ৬২১
৭. দাঁড়িয়ে পাগড়ী পরিধান করা ৬২১
৮. পাগড়ীর রং: সাদা ও সবুজ পাগড়ী ৬২১
৯. পাগড়ীর ফযীলত ৬২২
১০. পাগড়ীতে ধৈর্যশীলতা বৃদ্ধি ও পাগড়ী আরবদের তাজ ৬২২
১১. পাগড়ী আরবদের তাজ পাগড়ী খুললেই পরাজয় ৬২৩
১২. পাগড়ী মুসলিমের মুকুট, মসজিদে যাও পাগড়ী পরে ও খালি মাথায় ৬২৩
১৩. পাগড়ী মুমিনের গাম্ভীর্য ও আরবের মর্যাদা ৬২৩
১৪. পাগড়ী আরবদের তাজ ও জড়িয়ে বসা তাদের প্রাচীর ৬২৪
১৫. পাগড়ীর প্রতি প্যাচে কিয়ামতে নূর ৬২৪
১৬. পাগড়ী পরে পূর্ববর্তী উম্মাতদের বিরোধিতা কর ৬২৪
১৭. পাগড়ী আর পতাকায় সম্মান ৬২৪
১৮. পাগড়ী ফিরিশতাগণের বেশ ৬২৪
১৯. পাগড়ী কুফর ও ঈমানের মাঝে বাঁধা ৬২৫
২০. জুমু'আর দিনে সাদা পাগড়ী পরিধানের ফযীলত ৬২৫
২১. জুমু'আর দিনে পাগড়ী পরিধানের ফযীলত ৬২৬
২২. পাগড়ীর ২ রাক'আত পাগড়ী ছাড়া ৭০ রাক'আত ৬২৬
২৩. পাগড়ীর সালাত ২৫ গুণ ও পাগড়ীর জুমু'আ ৭০ গুণ ৬২৬
২৪. পাগড়ীর নামায় ১০,০০০ নেকি ৬২৭
২৫. নতুন পোশাক পরিধানের সময় ৬২৮
২৬. দাড়ি ছাঁটা ৬২৮
২৭. আংটি ও পাথরের গুণাগুণ ৬৩০
২৮. আংটি পরে নামায়ে ৭০ গুণ সাওয়াব ৬৩১
২৯. নখ কাটার নিয়মকানুন ৬৩১
৩০. খাদ্য গ্রহণের সময় কথা না বলা ৬৩২
৩১. খাওয়ার সময় সালাম না দেওয়া ৬৩২
৩২. মুমিনের ঝুটায় রোগমুক্তি ৬৩২
৩৩. খাওয়ার আগে-পরে লবণ খাওয়ায় রোগমুক্তি ৬৩৩
৩৪. লাল দস্তরখানের ফযীলত ৬৩৩

(গ) বিবাহ, পরিবার ও দাম্পত্য জীবন ৬৩৪
১. বিবাহিতের ২ রাক'আত অবিবাহিতের ৭০ রাক'আত ৬৩৪
২. বিবাহিতের ২ রাক'আত অবিবাহিতের ৮২ রাক'আত ৬৩৪
৩. বিবাহ অনুষ্ঠানে খেজুর ছিটানো, কুড়ানো বা কাড়াকাড়ি করা ৬৩৫
৪. দাম্পত্য মিলনের বিধিনিষেধ ৬৩৫
৫. স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত ৬৩৫
৬. গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসবের পুরস্কার ৬৩৬

(ঘ) বয়সের ফযীলত ও বয়স্কের সম্মান ৬৩৭
১. বৃদ্ধের সম্মান আল্লাহর সম্মান ৬৩৭
২. বংশের মধ্যে বৃদ্ধ উম্মতের মধ্যে নবীর মত ৬৩৮
৩. পাকাচুল বৃদ্ধ ও বৃদ্ধার শাস্তি মাফ ৬৩৮
৪. ৪০ বৎসর বয়সেও ভাল না হলে জাহান্নামের প্রস্তুতি ৬৩৯

(ঙ) ভাষা, পেশা ইত্যাদি বিষয়ক ৬৩৯
১. আরব জাতিকে তিনটি কারণে ভালবাসবে ৬৩৯
২. ফার্সী ভাষায় কথা বলার কঠিন অপরাধ ৬৪০
৩. বিভিন্ন পেশার নিন্দা ৬৪০

 (চ) অন্যান্য কিছু বানোয়াট হাদীস ৬৪১
১. দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র ৬৪১
২. নেককারদের পুণ্য নিকটবর্তীদের পাপ ৬৪১
৩. মনোযোগ ছাড়া সালাত হবে না ৬৪১
৪. মৃত্যুর আগে মৃত্যুবরণ কর ৬৪২
৫. মাদরাসা নবীর ঘর ৬৪২
৬. নবজাতকের বাম কানে ইকামত দেওয়া ৬৪২
৭. ধুমপানের মহাপাপ ৬৪৩
৮. রাসুলুল্লাহ ﷺ ধুমপানের নির্দেশ দিলেন! ৬৪৪

খলীফা নির্বাচন

 খলীফাগণের নির্বাচন পদ্ধতি:

১ম খলীফা হযরত আবুবকর (রাঃ) : রাসূলে করীম (ছাঃ) স্বীয় অনুপস্থিতিতে আবুবকর (রাঃ)-কে দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সাকীফা বনু সা‘এদায় মিলিত হয়ে আলোচনার একপর্যায়ে হযরত আবুবকর (রাঃ)-এর হাতে ওমর (রাঃ)-এর বায়‘আত গ্রহণের মাধ্যমে তা কার্যকর হয়। অতঃপর সকলে তাঁকে খলীফা হিসাবে মেনে নেন।


২য় খলীফা ওমর (রাঃ) : বিদায়ী খলীফা আবুবকর (রাঃ) মৃত্যুকালীন সময়ে বিশিষ্ট ছাহাবীগণের সাথে পরামর্শক্রমে পরবর্তী খলীফা হিসাবে তাঁকে নির্বাচন করেন। অতঃপর বিষয়টি উপস্থিত ছাহাবায়ে কেরামের নিকটে তিনি পেশ করলে সকলে তাতে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।


৩য় খলীফা ওছমান (রাঃ) : ওমর (রাঃ) শাহাদাত বরণকালে ছয়জনকে নিয়ে একটি ‘শূরা’ গঠন করে দেন, যাদের প্রত্যেকেই দুনিয়াতে জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত ছিলেন। তারা নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে ওছমান (রাঃ)-কে পরবর্তী খলীফা হিসাবে নির্বাচন করেন।


৪র্থ খলীফা আলী (রাঃ) : ওছমান (রাঃ)-এর শাহাদাত বরণের পর হযরত আলী (রাঃ)-কে খেলাফত গ্রহণের অনুরোধ করা হ’লে তিনি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘এটা তোমাদের এখতিয়ার নয়। বরং এটি বদরী ছাহাবা ও শূরা সদস্যদের দায়িত্ব। তাঁরা একত্রে বসে যাকে মনোনীত করবেন, তিনিই খলীফা হবেন’ (আশ-শূরা পৃঃ ১০৩)। পরবর্তীতে মুহাজির ও আনছার ছাহাবীগণের অনুরোধ মসজিদে নববীতে তিনি বায়‘আত গ্রহণ করেন। রাসূল (ছাঃ)-এর চাচা আববাস (রাঃ) সর্বপ্রথম তার বায়‘আত গ্রহণ করলে বাকী সকলে তাঁর প্রতি আনুগত্যের বায়‘আত নেন।


https://at-tahreek.com/article_details/6231


ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা খলিফা তিনটি প্রদ্ধতির কোন একটির মাধ্যমে এ দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন।


এক: আহলে হিল্ল ও আকদ এর পক্ষ থেকে মনোনীত বা নির্বাচিত হয়ে। উদাহরণতঃ আবু বকর (রাঃ) এর খিলাফত। তাঁর খিলাফত আহলে হিল্ল ও আকদ এর মনোনয়ন ও নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর সমস্ত সাহাবী তাঁর খিলাফতের পক্ষে ঐক্যমত্য পোষণ করেন, তাঁর হাতে বায়াত করেন এবং তাঁর খিলাফতের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

অনুরূপভাবে উসমান বিন আফফান (রাঃ) এর খিলাফতও এভাবে সাব্যস্ত হয়েছিল। উমর (রাঃ) তাঁর পরবর্তী খলিফা নির্ধারণ করার জন্য শীর্ষস্থানীয় ছয়জন সাহাবীর সমন্বয়ে একটি পরামর্শসভা গঠন করেছিলেন। তাঁদের মধ্য থেকে আব্দুর রহমান বিন আওফ মুহাজির ও আনসারদের সাথে পরামর্শ করলেন। যখন দেখলেন যে, লোকেরা উসমান (রাঃ) কে চাচ্ছে তখন তিনিই প্রথম তাঁর হাতে বায়াত করেন। এরপর ছয়জনের অবশিষ্ট সাহাবীগণও তাঁর হাতে বায়াত করেন। এরপর মুহাজির ও আনসারগণ তাঁর হাতে বায়াত করেন। এভাবে আহলে হিল্ল ও আকদ এর মনোনয়ন ও নির্বাচনের মাধ্যমে তাঁর খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

অনুরূপভাবে আলী (রাঃ) এর মনোনয়ন ও নির্বাচনও অধিকাংশ আহলে হিল্ল ও আকদ এর মনোনয়ন ও নির্বাচনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল।


দুই: পূর্ববর্তী খলিফার দেয়া প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হওয়া। অর্থাৎ পূর্ববর্তী খলিফা সুনির্দিষ্টভাবে কাউকে তাঁর পরবর্তী খলিফা হিসেবে প্রতিশ্রুতি দিবেন। এর উদাহরণ হচ্ছে- উমর (রাঃ) এর খিলাফত। তাঁর খিলাফত আবু বকর (রাঃ) এর দেয়া প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে সাব্যস্ত হয়েছিল।


তিন: শক্তি ও আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে। অর্থাৎ কেউ যদি তার অস্ত্র ও ক্ষমতা বলে তাকে মেনে নিতে মানুষকে বাধ্য করে এবং স্থিতিশীলতা আনতে সক্ষম হন সেক্ষেত্রে তার আনুগত্য করা অপরিহার্য, তিনি মুসলমানদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন। উদাহরণতঃ কিছু কিছু উমাইয়া খলিফা ও আব্বাসী খলিফা এবং তাদের পরবর্তীতে কিছু কিছু খলিফা এভাবে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন। এটি শরিয়ত বিরোধী, বেআইনী পদ্ধতি। কারণ অন্যায়ভাবে, জোরজবরদস্তি করে ক্ষমতা দখল করা হয়েছে। তবে উম্মতের একজন শাসক থাকুক সে মহান কল্যাণের দিক এবং দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মত সাংঘাতিক অকল্যাণের দিক বিবেচনা করে জোরপূর্বক ও অস্ত্রবলে ক্ষমতা গ্রহণকারী আল্লাহর দেয়া শরিয়ত অনুযায়ী শাসন করলে তার আনুগত্য করতে হবে।


https://islamqa.info/bn/answers/111836

শিকড়ের সন্ধানে - হামিদা মুবাশ্বারা



ইবরাহিম আলাইহিস সালাম

ইসমাইল আলাইহিস সালাম (ইবরাহিম আলাইহিস সালামের মালাকাত আঈমানুহু বিবি হাজেরার সন্তান)
মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

ইসহাক আলাইহিস সালাম (ইবরাহিম আলাইহিস সালামের স্ত্রী সারাহর সন্তান)।
ইয়াকুব আলাইহিস সালাম (ইসরাইল)
ইউসুফ আলাইহিস সালাম
মুসা আলাইহিস সালাম
দাউদ আলাইহিস সালাম
সুলাইমান আলাইহিস সালাম
ঈসা আলাইহিস সালাম
-শিকড়ের সন্ধানে ২৬-২৭

আমরা নিজেদের মধ্যে, এত ছোট পরিসরেই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারি না, আর আমাদের শাসনাধীনে অন্যর এলে তো আমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে ফেলব নিশ্চিত। একটা কথা বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ-যাদের কাছে শেষ আসমানি কিতাব আছে, তাদের ক্ষমতা পাওয়ার শর্ত আর অন্যদের ব্যাপারটা এক নয়। কারণ, অমুসলিমরা যখন অনাচার করে তখন সেটা আল্লাহর দ্বীনকে কলুষিত করে না; কিন্তু মুসলিমরা যখন দুরাচার করে, তখন আল্লাহর দ্বীনের বদনাম হয়, যেটা আল্লাহ পছন্দ করেন না। যতদিন না মুসলিমদের আচার-ব্যবহার এমন হবে যে, শুধু তাদের দেখেই মানুষ ইসলামের সৌন্দর্য অনুধাবন করবে, ততদিন ইসলামের বিজয় আসবে না, আসতে পারে না।
-শিকড়ের সন্ধানে ৫৬

সামেরি বাছুর বানানোর জন্য অলংকারগুলো কোথায় পেয়েছিল? ফিরআউনের লোকেরা যে স্বর্ণ গচ্ছিত রেখেছিল সেগুলো সাথে রাখতে বনি ইসরাইল অস্বস্তিবোধ করছিল।
আমরা এই জায়গাটা নিয়ে আর একবার একটু চিন্তা করি। অন্যের সম্পদ নিজেদের কাছে রাখতে যাদের পাপবোধ হচ্ছিল, সেই তারাই শিরক করতে দ্বিধা করেনি। কী অদ্ভুত এই পাপবোধ, তাই না?
এটা থেকে আমরা শয়তানের একটা চক্রান্ত টের পাই। শয়তান সবসময় আমাদের পাপের ভয়াবহতাগুলোর ক্রমের ব্যাপারে বিভ্রান্ত করে। এই যে অগ্রাধিকার ঠিক করতে ভুল করা, এটা আমাদের খুব কমন একটা সমস্যা। আপনি দেখবেন, আমরা মুসলিমরাও অগ্রাধিকার ঠিক করতে পারি না। ছোট ছোট পাপের ব্যাপারে খুব কড়াকড়ি করি, বড় অনেক গুনাহর ব্যাপারে কোনো খবর নেই!
-শিকড়ের সন্ধানে ৬৩

যখন মদিনায় চরম অর্থনৈতিক সংকট চলছিল) জুমআর খুতবা চলাকালে সেটা বাদ দিয়ে কেনাকাটা করতে চলে গিয়েছিলেন; কারণ, তখন বাইরে থেকে একটা বাণিজ্যিক কাফেলা এসে উপস্থিত হয়েছিল। এই সুরার শুরুটা হয়েছে ইহুদিদের তিরস্কার করে। সে জন্য অনেক তাফসিরকারক মন্তব্য করেছেন যে, একটা উম্মাহর উত্থান ও পতনের সাথে সেই জাতি তাদের জন্য নির্ধারিত ইবাদতের বিশেষ দিনটা কীভাবে পালন করছে সেটার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। এখন আসুন আমরা নিজেদের প্রশ্ন করি, আমরা কি জুমআর দিনটাকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিচ্ছি?
এই ঘটনার এমন সুনির্দিষ্ট প্রয়োগ ছাড়াও একটা সামগ্রিক প্রয়োগ আছে, যার চর্চা আমরা করতে পারি প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে। বনি ইসরাইল এখানে মূলত কী করেছিল? তারা আল্লাহকে ফাঁকি দিতে চেয়েছিল, তাই না?
এখন আমরা প্রশ্ন করতে পারি যে, আমরা কি নিজের মনমতো ফাতওয়া তালাশ করে আল্লাহকে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করি না? অনেকবার এমন হয়েছে যে, পরিচিতদের সুসংগঠিত উপায়ে ইসলাম শিক্ষায় ব্যাপৃত হতে বলেছি। তারা বলেছেন, তারা বেশি জানতে চান না। কারণ, বেশি জানলে বেশি হিসাব দিতে হবে। আদতে কী হাস্যকর চিন্তা, তাই না? আল্লাহ কি জানেন না যে, আমরা ইচ্ছা করে দ্বীন শিক্ষা করিনি? আল্লাহ কি আমাদের নিয়ত, পরিস্থিতি এগুলো সম্পর্কে সম্যক অবগত নন?
এ কারণে কোনো একজন স্কলারের লেখায় পড়েছিলাম যে, 'চলো তাকওয়া দিয়ে জীবন গড়ি, ফাতওয়া দিয়ে নয়'- কথাটা খুব গভীর কিন্তু!
-শিকড়ের সন্ধানে ৮২

তৎকালীন বনি ইসরাইলের মাঝে আরও একটা বৈশিষ্ট্য প্রকট আকারে দেখা দিয়েছিল, সেটা হলো, আল্লাহ কর্তৃক মনোনীত জাতি হবার মতবাদটিকে নিজেদের একচ্ছত্র এবং জন্মগত অধিকার মনে করা। তারা তাদের অধীন ব্যক্তিদের অইহুদি (Gentile) হিসেবে অভিহিত করত এবং মনে করত যে তাদের সম্পদ কেড়ে নেওয়া বৈধ। এই একই ধারণা আজকের ইহুদিদের মাঝেও পূর্ণমাত্রায় বিরাজমান। বস্তুত, আজকে প্যালেস্টাইনে আমরা যে নির্বিচার গণহত্যা দেখি, তা আদতে তাদের এই মানসিকতারই ফসল। তারা মনে করে তারা যা-ই করুক না কেন, সেটার ঐশী বৈধতা রয়েছে এবং অন্য সব মানুষ, যারা ইহুদি নয় তাদের সাথে যা খুশি করার অধিকার রয়েছে।
আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে দেখব যে, ইহুদিরা বারবার বিভিন্ন স্থান থেকে বিতাড়িত হয়েছে, সেখানকার ক্ষমতাসীনদের দ্বারা অত্যাচারিত হয়েছে। এই বিষয়টাকে আজকাল তারা খুব মর্মস্পর্শীরূপে উপস্থাপন করে এবং এটাকেই তাদের নিজস্ব বাসভূমি (ইসরাইল) প্রতিষ্ঠার পেছনে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরে; কিন্তু আমাদের এই ঘটনার আদ্যোপান্ত জানতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের কুরআনের মাধ্যমে জানিয়েছেন, ইহুদিরা তাদের ওপর নাজিলকৃত ঐশী কিতাব বিকৃত করেছে। এই বিকৃতির একটা উদাহরণ হচ্ছে: আল্লাহ ইহুদিদের নিজেদের মধ্যে সুদভিত্তিক লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। তারা সেটা পরিবর্তন করেছিল এইভাবে-তারা নিজেদের মধ্যে এই কাজ করতে পারবে না, তবে অইহুদিদের (Gentile) সাথে করতে পারবে। ওই যে নিজেদের বিশেষ মর্যাদার অধিকারী ভাবা, সেখান থেকেই তারা ভাবত নিয়ম-কানুন তাদের জন্য একরকম, আর অন্য সবার জন্য আরেকরকম। তাদের গ্রন্থেই আমরা এর প্রমাণ পাই।
-শিকড়ের সন্ধানে ৯২-৯৩

জ্ঞান আর প্রজ্ঞা এক জিনিস নয়। প্রজ্ঞা হচ্ছে সঠিক সময়ে সঠিক জ্ঞানকে প্রয়োগ করার ক্ষমতা। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ রহমত-যা আল্লাহ সবাইকে দেন না।
[তিনি যাকে চান প্রজ্ঞা দান করেন। আর যাকে প্রজ্ঞা দেয়া হয়, তাকে অনেক কল্যাণ দেয়া হয়। আর বিবেক সম্পন্নগণই উপদেশ গ্রহণ করে। -আল-বাকারা ২:২৬৯]
-শিকড়ের সন্ধানে ১১৯

যারা শয়তানের পূজা করে তাদের কাজকর্মের অন্যতম প্রধান কার্যালয় হচ্ছে ব্যাবিলিয়ন আর মিশরের পিরামিডের অবস্থানস্থল। সেখানে গিয়ে তারা বাৎসরিক নানা উৎসব উদযাপন করে থাকে, নানা ধরনের উৎসর্গ করে থাকে যাদের তারা বলে 'Ritual Murder'। ফলে তারা নিজেদের শক্তিশালী মনে করে। পশ্চিমা অনেক রক ব্যান্ডের সদস্যরা এগুলোর সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত।
যাদের জাদুবিদ্যা শেখানো হয়েছিল, তাদের একটি অংশ কুফরি জেনেও এটা নিজেদের মাঝে প্রয়োগ করা শুরু করেই ক্ষান্ত হয়নি, এটাকে তাদের ধর্মের অংশ বানিয়ে ফেলেছিল। ইহুদিধর্মের সাথে ওতপ্রোতভাবে মিশে থাকা জ্ঞানের এই শাখা মূলত 'Qabbalah' নামে পরিচিত। আপনি যদি এই নাম লিখে সার্চ দেন গুগলে তাহলে দেখবেন, এটা একধরনের অতীন্দ্রিয় শাখা (Mystic Branch), যার মূল থিম হচ্ছে সংখ্যাতত্ত্ব যা দিয়ে নানা ধরনের জাদুবিদ্যা চর্চা করা হয়।
-শিকড়ের সন্ধানে ১৩১

ইয়াকুব আলাইহিস সালামের ১২জন ছেলের নাম থেকে উদ্ভূত ১২টি গোত্রের মাঝে একটি ছিল জুডাহ। এই জুডাহর আরবি নাম হচ্ছে ইয়াহুদ, ইংরেজিতে যাকে বলে Jews! আসিরীয়রা যখন ইসরাইল রাজ্যটা ধ্বংস করে দিয়েছিল, তারপর থেকে দশটি গোত্রের নাম-নিশানাই আর পাওয়া যায় না। অবশিষ্ট ছিল কেবল জুডাহ রাজ্য যা ব্যাবিলনীয়দের আক্রমণের শিকার হয় ৫৮৭ খ্রিষ্টপূর্বে এবং অধিকাংশ বনি ইসরাইলের লোকদের ব্যাবিলনে নির্বাসিত করা হয় দাস হিসেবে। এই নির্বাসনের ঘটনার পর থেকেই মূলত বনি ইসরাইল ও তাদের শাসকরা নিজেদের 'ইহুদি' ভাবতে শুরু করে। পারসিয়ান রাজার শাসনামলে ব্যাবিলনে নির্বাসিত বনি ইসরাইলের একটা অংশ জেরুজালেমে ফিরে আসে ও উযাইর আলাইহিস সালামের নেতৃত্বে তাওরাতের আলোকে জীবনযাপন করে।
হিব্রু ভাষা অনুযায়ী ইসরাইল শব্দের অর্থ আরবিতে আব্দুল্লাহ শব্দের মতো, যার অর্থ আল্লাহর দাস। ইতঃপূর্বে 'বনি ইসরাইল' এই শব্দ চয়নের মাধ্যমে তাদের ধর্মীয় পরিচয় ফুটে উঠত; কিন্তু যখন থেকে তারা নিজেদের ইহুদি হিসেবে পরিচয় দেওয়া শুরু করল, তখন থেকে তা ছিল একটা জাতিগত বা গোত্রীয় পরিচয়। এই পরিবর্তন শুধু নামে ছিল না, এটা ছিল ইহুদিদের মন-মানসিকতা, জীবন নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি ও আচার ব্যবহারে পরিবর্তন। বনি ইসরাইলীয় হিসেবে আল্লাহ ওদের যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন, পরবর্তী সময়ে তারা সেটার প্রতিও উদাসীনতা দেখানো শুরু করল।
-শিকড়ের সন্ধানে ১৪৭-১৪৮

এসব হাদীস নয় ২

দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার পয়গম্বর
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-১] অনেককে বলতে শোনা যায়, 'আল্লাহ তাআলা এক লক্ষ চব্বিশ হাজার মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার পয়গম্বর পাঠিয়েছেন।' এক
.
[ইসরাঈলী রেওয়ায়েত-২] প্রসিদ্ধ আছে, ইবলীস আদম আ. ও হাওয়া আ. কে ওয়াসওয়াসা দেওয়ার জন্য জান্নাতে ঢুকতে চাইলে জান্নাতের প্রহরীরা বাঁধা দেয়। তাই সে সাপের মুখে করে লুকিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করে। এ অপরাধের কারণে সাপের শরীরের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। সাপের পা খসে পড়ে। এরপর থেকেই সাপকে বুকে ভর দিয়ে চলতে হয়।
.
[জাল বর্ণনা-৩] আল্লাহ পাক একবার মুসা আ. কে উদ্দেশ করে বললেন, তুমি বনী ইসরাঈলকে (মূসা আ. এর কওমকে) জানিয়ে দাও, যে ব্যক্তি আহমদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রতি অবিশ্বাসী অবস্থায় আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, সে যেই হোক আমি তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাব। হযরত মূসা আ. আরয করলেন, আহমদ কে?
আল্লাহ পাক ইরশাদ করলেন- হে মুসা, আমার ইজ্জত ও গৌরবের শপথ!
আমি সমস্ত সৃষ্টিজগতের মধ্যে তাঁর চেয়ে অধিক সম্মানিত কাউকে সৃষ্টি করিনি। আমি তাঁর নাম আরশের মধ্যে আমার নামের সঙ্গে আসমান ও জমিন এবং চন্দ্র ও সূর্য সৃষ্টির বিশ লক্ষ বছর আগে লিপিবদ্ধ করেছি। আমার ইজ্জত ও গৌরবের শপথ! আমার মাখলুকের জন্য জান্নাত হারাম যতক্ষণ পর্যন্ত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর উম্মত জান্নাতে প্রবেশ না করবে।
এরপর মূসা আ. আরয করলেন, হে আল্লাহ, আমাকে সেই উম্মতের নবী বানিয়ে দাও। আল্লাহ পাক ইরশাদ করলেন, সেই উম্মতের নবী তাদের মধ্য থেকেই হবে। মূসা আ. পুনরায় আরয করলেন, তবে আমাকে সেই নবীর এক উম্মত বানিয়ে দাও। আল্লাহ পাক ইরশাদ করলেন, তুমি তাঁর আগেই নবীরূপে আবির্ভূত হয়েছ। আর সেই নবী তোমার পরে প্রেরিত হবেন। তবে জান্নাতে তাঁর সঙ্গে তোমাকে একত্র করে দেব।
.
[ইসরাঈলী রেওয়ায়েত-৪] সুলাইমান আলাইহিস সালামকে আল্লাহ তাআলা একটি আংটি দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি তার বিশাল সাম্রাজ্য পরিচালনা করতেন। এর বদৌলতেই জীব-জন্তু, জিন-পরী, আকাশ-বাতাস সবকিছু তাঁর বশীভূত ছিল। এই আংটিটিতে 'ইসমে আযম' লেখা থাকায় শৌচাগারে যাওয়ার সময় তিনি তাঁর এক স্ত্রীর কাছে তা রেখে যেতেন। একবার তিনি আংটিটি তাঁর স্ত্রীর কাছে রেখে গেলে একটি দুষ্ট জিন (তাঁর বেশ ধরে এসে) আংটিটি নিয়ে নেয়। ফলে তিনি রাজত্ব হারান। জীবন ধারণের জন্য তিনি এক জেলের সঙ্গে কাজ করা শুরু করেন। পারিশ্রমিক হিসেবে তিনি প্রতিদিন দু'টো মাছ পেতেন। একদিন একটি মাছ কাটার পর মাছের পেটে তিনি তাঁর হারানো আংটিটি ফিরে পান। ঘটনা হল, উক্ত দুষ্ট জিনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে সবাই বুঝে ফেলে যে, সে আসলে সুলাইমান আ. নয়। তাই সে আংটিটি সমুদ্রে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর একটি মাছ তা খেয়ে ফেলে। সেই মাছটিই সুলাইমান আ.এর জালে ধরা পড়ে...।
.
[ভিত্তিহীন ঘটনা-৫] লোকমুখে প্রসিদ্ধ, সুলাইমান আ. একবার আল্লাহর সকল সৃষ্টিজীবকে দাওয়াত খাওয়ানোর ইচ্ছা করেন। অনুগত জিন-ইনসানের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে খাবার জমা করা হয়। বিপুল পরিমাণ খাদ্য জমা হয়ে গেলে মেহমানদারি শুরু করা হয়। কিন্তু সমুদ্রের একটি মাছই তাঁর সকল খাদ্যসামগ্রী খেয়ে ফেলে। এমনকি মাছটি আরও খাবার চাইতে থাকে। মাছটি বলে, 'আমার রব আমাকে প্রতিদিন এর তিনগুণ খাবার খেতে দেন।' এ কথা শুনে সুলাইমান আ. সেজদায় লুটিয়ে পড়েন!
.
[ইসরাঈলী রেওয়ায়েত-৬] আইয়ূব আলাইহিস সালাম সম্পর্কে প্রচলিত আছে, কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর সারা শরীরে ঘা হয়ে যায়। শরীরে পোকা বাসা বাঁধে এবং শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার কারণে লোকেরা তাঁকে জনবসতি থেকে বের করে দেয়। স্ত্রী ছাড়া তাঁর সকল আত্মীয়-পরিজন আস্তে আস্তে তাঁকে পরিত্যাগ করে। খাবারের ব্যবস্থা করতে তাঁর স্ত্রী মানুষের বাড়িতে কাজ করতে বাধ্য হন। এমনকি একসময় তাকে তার মাথার চুল বিক্রি করতে হয়...।
.
[ইসরাঈলী রেওয়ায়েত-৭] প্রচলিত আছে, বনী ইসরাঈল হযরত যাকারিয়া আ. কে মারার জন্য ধাওয়া করলে তিনি একটি গাছের মধ্যে আশ্রয় নেন। কিন্তু শয়তান তার কাপড়ের প্রান্ত ধরে ফেলে। কাপড়ের প্রান্ত বের হয়ে থাকার কারণে দুর্বৃত্তরা বুঝতে পারে যে তিনি গাছে লুকিয়েছেন। এরপর তারা গাছটিকে করাত দিয়ে চিরে ফেলে।
.
[ভাত্তহীন ঘটনা-৯] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের নামাযে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে দেখলেন, ছেলেরা খেলছে আর একটি ছেলে মাঠের এক কোণে বসে কাঁদছে। তার গায়ে জীর্ণ-শীর্ণ কাপড়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কাঁদছ কেন? ছেলেটি নবীজীকে চিনতে পারেনি। উত্তরে সে বলল, আমার কথা ছাড়ুন, আমার বাবা নবীজীর সঙ্গে এক যুদ্ধে গিয়ে শহীদ হয়েছেন, আর আমার মায়ের অন্য জায়গায় বিয়ে হয়েছে। তারা আমার ধন-সম্পদ আত্মসাৎ করে নিয়েছে। এরপর সেই স্বামী আমাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। এখন আমি নিঃস্ব, পরার মতো পোশাক নেই, খাবার নেই, থাকার জায়গা নেই। এই ছেলেদের যখন দেখলাম, সুন্দর পোশাক পরে খেলছে তখন আমার খুব খারাপ লেগেছে, আর খুব কান্না আসছিল। তিনি ছেলেটির হাত ধরে বললেন, আজ থেকে আমিই তোমার বাবা, আয়েশা তোমার মা, আর আমার মেয়ে ফাতেমা তোমার বোন। আলী তোমার চাচা, হাসান-হুসাইন তোমার ভাই। এরপর তিনি ছেলেটিকে ঘরে নিয়ে যান এবং তাকে খেতে দেন। ভালো পোশাক পরান। একটু পর ছেলেটি হাসতে হাসতে বের হয়, তখন অন্য ছেলেরা জিজ্ঞাসা করে, একটু আগে তোমাকে কাঁদতে দেখলাম, এখন আবার হাসছ? ছেলেটি বলল, আমার পরার মতো কাপড় ছিল না, এখন কাপড় পেয়েছি; আমি ক্ষুধার্ত ছিলাম, এখন পেটপুরে খেয়েছি; আমি এতিম ছিলাম, এখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বাবা এবং আয়েশা রা. আমার মা হয়ে গেছেন ...। এ কথা শুনে ছেলেরা বলল, হায়! যদি আমাদের বাবাও সেই গযওয়ায় তথা যুদ্ধে শহীদ হতেন।
.
[ভিত্তিহীন ঘটনা-১০] প্রচলিত একটি পুস্তকে উল্লেখ করা হয়েছে-
"ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করিবার পূর্বে হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) একজন বড় ধনাঢ্য লোক ছিলেন। যেদিন হযরত (দ.) এর খেদমতে আসিয়া তিনি ইসলামে দীক্ষিত হইলেন সেই দিন হইতেই তাঁহার যত ধন-সম্পত্তি ছিল সমস্তই আল্লাহর রাস্তায় খরচ করিতে লাগিলেন। অবশেষে অত্যন্ত অভাবগ্রস্ত হইয়াই সংসার-যাত্রা নির্বাহ করিতেন এবং খোদা তাআলার সন্তোষ লাভের আশা করিতেন। কিছুদিন পর এইরূপ অবস্থা হইয়াছিল যে, নিজের ও পরিবারের খোরাক পোশাকের জন্য অনেক কষ্ট করিতে বাধ্য হইলেন। একদিন পরনের কাপড়-অভাবে মসজিদে নামায পড়িতে যাইতে কিঞ্চিৎ দেরী হইয়াছিল দেখিয়া হযরত (দ.) বলিলেন, "হে আবু বকর! আমি জীবিত থাকিতেই ইসলামের প্রতি আপনাদের এত অবহেলা হইতেছে, আমি অভাবে আরও কত কি হয় বলা যায় না।"
তখন সিদ্দীক (রা.) বলিলেন, "হুজুর! আমার অবহেলার কিছুই নহে, বাস্তবিক আমার পরনের কাপড় ছিল না, সেই হেতু আমি ছোট একখানা কাপড়ের সহিত বালিশের কাপড় ছিঁড়িয়া খেজুর পাতা ও কাঁটা দ্বারা সেলাই করত ধুইয়া শুকাইয়া পরিয়া আসিতে এত গৌণ হইয়াছে। হুজুর মার্জনার চক্ষে দর্শন করুন।” সিদ্দীক (রা.) এর কথা শুনিয়া হযরতের প্রাণ গলিয়া গেল। তাই তিনি দুঃখিত অন্তরে নামায আদায় করিয়া তাহার জন্য কিঞ্চিত দুআ করিলেন।
ইহার কিছুক্ষণ পরেই জিবরাঈল (আ.) সম্পূর্ণ খেজুর পাতার পোশাক পরিয়া হযরত (দ.) এর সম্মুখে হাজির হইলেন। হযরত (দ.) তাহা দেখিয়া অবাক হইলেন ও জিজ্ঞাসা করিলেন, ভাই জিবরাঈল! প্রত্যহ তোমার শরীরে জরির পোশাক দেখিতে পাই, আর আজ খেজুর পাতার পোশাক দেখিতে পাইতেছি কেন? তদুত্তরে জিবরাঈল (আ.) বলিলেন, হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) খেজুর পত্রের সেলাই করা কাপড় পরিয়া নামায পড়িতে আসিয়াছিলেন, তখন আল্লাহ তাআলা সমস্ত ফেরেশতাকে ডাকিয়া বলিলেন, 'দেখ হে ফেরেশতাগণ! আবু বকর আমার সন্তোষ লাভের জন্য কতই না কষ্ট স্বীকার করিতেছেন। অতএব তোমরা যদি আজ আমার সন্তোষ চাও, আমার দফতরে তোমাদের নাম রাখিতে চাও, তবে এখনই আবু বকরের সম্মানার্থে সকলেই খেজুর পত্রের পোশাক পরিধান কর। নচেৎ আজই আমার দফতর হইতে সমস্ত ফেরেশতার নাম কাটিয়া দিব।' এই কঠোর বাক্য শুনিয়া আমরা সকলেই তাঁহার সম্মানার্থে খেজুর পত্রের পোশাক পরিতে বাধ্য হইয়াছি।"(১)
.
[ভিত্তিহীন ঘটনা-১২] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুই কন্যা-উম্মে কুলসুম রা. ও ফাতেমা রা. ছিলেন যথাক্রমে উসমান রা. ও আলী রা.এর সহধর্মিণী। উসমান রা. ছিলেন বেশ ধনী। কিন্তু আলী রা.এর তেমন সম্পদ ছিল না। উম্মে কুলসুম রা. একবার মদীনার সম্ভ্রান্ত মহিলাদের দাওয়াত করেন। কিন্তু ফাতেমা রা. কে দাওয়াত করা হয়নি। ভরা মজলিসে দরিদ্র বোনের কারণে তিনি বিব্রত হতে চাননি! ফাতেমা রা. এতে খুবই মর্মাহত হন। তাঁর মনঃকষ্টের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় দাওয়াতের মজলিসে। আগত মেহমানরা খেতে বসলে দেখা গেল, পাকানো ভাত চাল হয়ে আছে, আর গোশতের টুকরোগুলো পাথরের টুকরোয় পরিণত হয়ে গেছে।
.
[ভিত্তিহীন ঘটনা-১৩] বেলাল রা. ছিলেন হাবশা বা আবিসিনিয়ার বাসিন্দা। (এরা ছিল অনারব)। এ কারণে আরবী উচ্চারণ তাঁর সম্পূর্ণরূপে শুদ্ধ হত 'না। আযানের মধ্যে 'আশহাদু' শব্দটি তাঁর মুখে 'আছহাদু' উচ্চারিত হয়ে যেত। একবার সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে গিয়ে আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! বেলালের আযান শুনে কাফেররা বিদ্রূপ করে বলে, মুহাম্মদ এমন কিছু বোকাকে মুসলমান বানিয়েছে যারা আরবী বর্ণের শুদ্ধ উচ্চারণ পর্যন্ত জানে না। কাফেরদের বিদ্রূপাত্মক মন্তব্যে আমরা বিব্রত বোধ করি। আমাদের অনুরোধ, বেলালের পরিবর্তে অন্য কাউকে মুআযযিন নিযুক্ত করুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামের আবেদন মঞ্জুর করে বেলাল রা.এর স্থানে অন্য একজনকে মুআযযিন হিসেবে নিযুক্ত করলেন।
নতুন মুআযযিন এক ওয়াক্ত নামাযের আযান দেওয়ার পরই আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে ফেরেশতা এসে জিজ্ঞাসা করলেন, আজ কী হয়েছে যে আযান দেওয়া হল না?
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আজ তো আযান হয়েছে।
ফেরেশতা বললেন, বেলাল যখন আযান দেন তখন সেই আযানের আওয়ায আরশে মুআল্লা পর্যন্ত পৌঁছে যায়, আল্লাহ পাক ফেরেশতাদের সঙ্গে নিয়ে সেই আযান শুনেন। আজ বেলালের আযান আরশে মুআল্লায় পৌঁছায়নি। তাই আল্লাহ পাক জানতে চেয়েছেন, আজ কি আযান হয়নি? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোষণা করেন, এখন থেকে বেলালই আযান দেবে। বেলালের 'সীন'ই আল্লাহর কাছে 'শীন।'
.
[ভিত্তিহীন ঘটনা-১৪] একবার জাবের রা. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাওয়াত করেন। ইত্যবসরে জাবের রা.এর এক শিশু ছেলে আরেক ছেলেকে হত্যা করে। এরপর সে ভয়ে পালাতে গিয়ে চুলায় পড়ে যায়। ফলে সেও মারা যায়। জাবের রা. এর স্ত্রী এসব বিষয় চেপে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মেহমানদারি করেন। খাওয়া-দাওয়া শেষ হলে জাবের রা. ছেলেদের মৃতদেহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে এনে রাখেন। সব শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছেলে দু'টিকে জীবিত করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করেন। তাঁর দুআর বদৌলতে আল্লাহ তাআলা ছেলে দুটিকে জীবিত করে দেন।
.
[ভিত্তিহীন ঘটনা-১৫] হাসান ও হুসাইন রা. তখন ছোট। একবার ঈদে তাদের নতুন পোশাকের ব্যবস্থা হয়নি। ঈদের দিন সকালে তাই তারা দু'জন খুব কান্নাকাটি করছিলেন। 'তোমাদের নতুন কাপড় দেওয়া হবে' এ কথা বলে ফাতেমা রা. তাঁদের শান্ত করে গোসল করতে পাঠিয়ে দিলেন। এরপর সেজদায় লুটিয়ে পড়ে কাঁদতে থাকেন। তখন জিবরাঈল আ. দর্জির বেশ ধরে দু'টি নতুন কাপড় নিয়ে আসেন। একটি লাল, আরেকটি নীল। নতুন কাপড় পেয়ে তারা খুবই খুশি হল। নানাজীকে দেখানোর জন্য তারা কাপড় দু'টি নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গেল। কিন্তু তিনি কাপড় দু'টি দেখে কেঁদে ফেলেন। এরপর লাল কাপড়টি হুসাইন রা.কে আর নীল কাপড়টি হাসান রা.কে পরিয়ে দেন। হুসাইন রা.এর শাহাদাত এবং হাসান রা.কে বিষ পান করানোর প্রতি ইঙ্গিত ছিল কাপড় দুটিতে। যা পরবর্তী সময়ে বাস্তবতা হয়ে দেখা দেয়।
.
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-১৬] ওহুদ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি দাঁত ভেঙে যায়। উয়াইস কারনী রহ. তা জানতে পেরে নিজের সবগুলো দাঁত ভেঙে ফেলেন। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন্ দাঁত ভেঙেছে তা তিনি জানতেন না।
.
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-১৭] ইন্তেকালের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উয়াইস কারনী রহ. কে নিজের একটি খিরকা দিয়ে যান। উমর ও আলী রা. কে এই খিরকা পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি অসিয়ত করে গিয়েছিলেন। রাসূলের ইন্তেকালের পর তাঁরা এই খিরকা উয়াইস কারনীকে পৌঁছে দেন।
.
[হাদীস নয়-১৮] 'জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও।'
.
[হাদীস নয়-২১] যে ইলম অনুযায়ী আমল করে আল্লাহ তাকে অজানা বিষয়ের জ্ঞান দান করেন।
.
[হাদীস নয়-২২] বিদ্যানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও দামি।
.
[হাদীস নয়-২৪] মসজিদ আল্লাহর ঘর আর মাদ্রাসা আমার (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের) ঘর।
.
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-২৬] আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হও।
.
[হাদীসে নেই-৩৩] কোনো কোনো ওযিফার বইয়ে ওযুর প্রত্যেক অঙ্গ ধোয়ার ভিন্ন ভিন্ন দুআ উল্লেখ করা হয়েছে। এ দুআগুলো নির্ভরযোগ্যসূত্রে প্রমাণিত নয়। তাই এ দুআগুলোকে 'মা'ছুর দুআ' (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি তাকবীরে তাশরীকের প্রেক্ষাপট
.
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-৫৩] ইবরাহীম আ. যখন শিশু ইসমাঈল আ.কে কুরবানি করার জন্য কাত করে শোয়ান তখন আল্লাহ তাআলা জিবরাঈল আ. কে ফিদয়া নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। আসতে আসতেই কুরবানি হয়ে যায় কি না এ ভয়ে তিনি 'আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার' (الله أَكْبَرُ الله أكبر) আওয়াজ দেন। তাঁর আওয়াজ শুনে ইবরাহীম আ. আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখেন, জিবরাঈল আ. ফিদয়া নিয়ে আসছেন। তখন তিনি বলে উঠেন, 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর' (لا إلَهَ إِلَّا اللهُ اللهُ أكث) । ইসমাঈল আ. উঠে আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া আদায় করে বলেন, 'আল্লাহু আকবার ওয়া-লিল্লাহিল হামদ' (أَكْبَرُ وَاللَّهِ الْحَمْدُ)। তিনজনের দুআর সমষ্টিই হল নিচের দুআ (তাকবীরে তাশরীক)-
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
এরপর থেকেই এ দুআটি পড়ার রীতি চালু হয়।
.
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-৫৬]
১. চার হাজার দিনার সদকা দিয়া ঘুমাইবেন।
২. এক খতম কোরআন শরীফ পড়িয়া ঘুমাইবেন।
৩. জান্নাতের মূল্য দিয়া ঘুমাইবেন।
৪. উভয়ের বিবাদ মিটাইয়া ঘুমাইবেন।
৫. এক হজ করিয়া ঘুমাইবেন।
হযরত আলী রা. বলিলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! এই কাজ আমার জন্য বড়ই কঠিন। আমি কী করিয়া এই কাজ করিতে পারি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন-
১. চার বার সূরা ফাতিহা পড়িয়া ঘুমাইলে চার হাজার দিনার সদকা করার সওয়াব তোমার আমলনামায় লিখা হইবে।
২. তিনবার সূরা ইখলাস পড়িয়া ঘুমাইলে এক খতম কোরআন পড়ার সওয়াব পাইবে।
৩. তিনবার দরূদ শরীফ পড়িয়া ঘুমাইলে জান্নাতের মূল্য আদায় হইয়া যাইবে।
৪. দশবার ইসতিগফার পড়িয়া ঘুমাইলে উভয়ের বিবাদ মিটানোর সওয়াব পাইবে।
৫. দশবার কালেমায়ে তামজীদ পড়িয়া ঘুমাইলে এক হজের সওয়াব পাইবে।
.
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-৫৮] যারা দৈনিক বিশবার মৃত্যুর স্মরণ করবে, মৃত্যুর পর তারা শহীদের মর্যাদা লাভ করবে।
.
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-৬০] সালাম প্রদান করলে নব্বই নেকি পাওয়া যায়, আর সালামের উত্তর দিলে দশ নেকি পাওয়া যায়।
.
[জাল বর্ণনা-৭১] আশুরার দিন কেয়ামত সংঘটিত হবে।
.
[জাল বর্ণনা-৭২] আশুরার দিন আল্লাহ তাআলা হযরত ইদরীস আ. কে আসমানে উঠিয়ে নিয়েছিলেন। এ দিনই তিনি ইবরাহীম আ. কে অগ্নিকুণ্ড থেকে রক্ষা করেছেন, মূসা আ. কে তাওরাত দিয়েছেন, ইসমাঈল আ. এর জন্য আসমান থেকে দুম্বা পাঠিয়েছেন, ইউসুফ আ. কে জেলখানা থেকে মুক্তি দিয়েছেন। এ দিনই ইয়াকূব আ. তাঁর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পান। এ দিনই আইয়ূব আ. কে আরোগ্য দান করা হয়, ইউনুস আ. কে মাছের পেট থেকে মুক্তি দান করা হয়। এ দিনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পূর্বাপর সব গোনাহ ক্ষমা করা হয়। এ দিনই ইউনুস আ. এর কওমের তওবা কবুল করা হয়, ঈসা আ. কে আসমানে উঠিয়ে নেওয়া হয়, সুলাইমান আ. কে রাজত্ব দান করা হয়। এ দিনই আসমান-জমিন, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা ও সমুদ্ররাজি সৃষ্টি করা হয়। এ দিনই আল্লাহ তাআলা লওহে মাহফুয ও কলম সৃষ্টি করেছেন।
অপর এক বর্ণনায় আছে, এ দিন আল্লাহ তাআলা আদম আ. ও জিবরাঈল আ. কে সৃষ্টি করেছেন। এ দিনই ইবরাহীম আ. ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জন্মগ্রহণ করেছেন। এ দিনই দাউদ আ. এর গোনাহ ক্ষমা করা হয়। এ দিনই আল্লাহ তাআলা আরশে সমাসীন হন।
.
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-৭৬] ২৭ রজব ইসরা ও মেরাজ সংঘটিত হয়।
.
[জাল বর্ণনা-৭৭] তিন ধরনের খাবারের হিসাব নেওয়া হবে না- সাহরির খাবার, ইফতারের খাবার এবং যে খাবার মুসলমানের সঙ্গে খাওয়া হয়।
.
[জাল বর্ণনা-৮৩] স্বামী-স্ত্রী যখন হাসি-খুশি দেখা-সাক্ষাৎ করে তখন আল্লাহ তাআলাও তাদের উভয়ের প্রতি রহমতের নজর করেন। (২)
.
[জাল বর্ণনা-৮৮] বিবির শরমগাহের (স্ত্রীলিঙ্গের) দিকে দেখে দেখে ছোহবত (সঙ্গম) করলে এবং তাতে সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তান বে-তমিজ ও বেআদব হবে অথবা অন্ধও হতে পারে।
.
[হাদিস নয় ৯৩] আচার-আচরণ কর ভাইয়ের মতো, লেনদেন কর অপরিচিতের মতো।
.
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-৯৬] নামায মুমিনের মেরাজ।
.
[হাদীস নয়-৯৮] আঠারো হাজার মাখলুকাত
.
[হাদীস নয়-১০২] দুনিয়া আখেরাতের শস্যক্ষেত্র
.
[হাদিস নয় ১০৩] হক কথা না বলে যে চুপ থাকে সে বোবা শয়তান
.
[ভিত্তিহীন বর্ণনা-১০৪] এক লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বলল, আমার ছেলে খুব বেশি মিষ্টি খায়, আপনি ওকে কিছু বলে দিন। নবীজী উত্তরে বললেন, ওকে কিছু দিন পর নিয়ে আসুন। কিছুদিন পর তারা এলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছেলেটিকে এত বেশি মিষ্টি খেতে নিষেধ করেন। ছেলেটি নবীজীর কথা শুনে মিষ্টি খাওয়া কমিয়ে দেয়। লোকটি তখন নবীজীকে বলল, আপনি ওকে সেদিন কেন নিষেধ করলেন না? তিনি বললেন, আমার নিজেরও বেশি মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস ছিল। কোনো কিছুতে নিজে অভ্যস্ত থাকলে অন্যকে নিষেধ করা যায় না। এ কয়দিনে আমি মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করেছি।
.
[জাল বর্ণনা-১০৮] তিন কারণে আরবদের ভালোবাসবে- আমি আরবী, কুরআনের ভাষা আরবী, জান্নাতীদের ভাষা আরবী।

মুসাফির

শরীয়তে মুসাফির ঐ ব্যক্তিকে বলা হয়, যে ৪৮ মাইল তথা (প্রায় ৭৮ কিলোমিটার) বা তার বেশি দূরত্বে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজ এলাকা ত্যাগ করে।
আর যে নিজ এলাকায় অবস্থান করছে বা ৭৮ কিলোমিটারের কম দূরত্বে সফর করেছে সে মুকীম। তেমনিভবে ৭৮ কিলোমিটার কিংবা তারচেয়ে বেশি দূরত্বে সফর করলে পথিমধ্যে মুসাফির হলেও কোনো এক গ্রাম বা এক শহরে ১৫ দিন বা তার চেয়ে বেশি সময় অবস্থানের নিয়ত করলে ঐ স্থানে সে মুকীম হবে।
alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/2165
সফরসম দূরত্বের উদ্দেশে নিজ এলাকার বসতি ত্যাগ করলে অর্থাৎ গ্রামের অধিবাসী নিজ গ্রাম ছাড়লে, শহরের অধিবাসী শহর ত্যাগ করলে এবং সিটি শহরে বসবাসকারী সিটি শহর থেকে বের হওয়ার পর থেকে মুসাফির গণ্য হবে।
মুকীম হওয়ার জন্য একটি এলাকা অর্থাৎ একটি গ্রাম বা একটি শহরে ১৫ দিন অবস্থানের নিয়ত করতে হবে। এক ইউনিয়নের একাধিক গ্রামে ১৫ দিনের নিয়ত করলে মুকীম হবে না।
alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/1135

বিপদ যখন নিয়ামত ২

দুনিয়া মুমিনের জন্য কারাগার
একজন বন্দির মাথায় সব সময় কয়েকটি শব্দ ঘুরপাক খায়-মুক্তি, রায়, বিচারক, অপবাদ, প্রমাণ, নির্দোষ, শাস্তি, মেয়াদ ইত্যাদি।
ওঠাবসায়, শয়নে-স্বপনে, পানাহার ও সালাতের মধ্যেও এই শব্দগুলো নিয়ে সে চিন্তা করতে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো পত্রিকা যদি সে হাতে নেয়, তা হলে মুক্তি ও বন্দি-বিষয়ক সংবাদের প্রতি তার গুরুত্ব থাকে অনেক বেশি। যে বিষয়গুলো তার মুক্তির রায় ও শাস্তি থেকে বাঁচার সাথে সম্পর্কিত ওই সংবাদগুলোর ব্যাপারে তার আগ্রহ থাকে সবচেয়ে বেশি। সড়ক দুর্ঘটনা বা অস্ত্রের মূল্য-সংক্রান্ত সংবাদ সম্পর্কে তার কোনো বাড়তি আগ্রহ থাকে না। এসব অনর্থক সংবাদ মনে হয় তার কাছে।
আমাদের অবস্থাও এমন। আমরা আমাদের স্বদেশ জান্নাত থেকে দুনিয়ায় বন্দি হয়ে এসেছি। আমাদের অপরাধ নিজেদের গুনাহ। ফলে আমরা শাস্তির উপযুক্ত। আত্মপক্ষ সমর্থন করার জন্য আমাদের শক্তিশালী প্রমাণ হলো, আমরা তাওহীদে বিশ্বাসী। যদি এর মধ্যে ত্রুটি থাকে তা হলে শাস্তির মেয়াদের কোন সীমা থাকবে না।
আমাদের মনে রাখতে হবে, গুনাহ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় খাঁটি তাওবার মাধ্যমে। আর যিনি মুক্তির রায় দেবেন তিনি নির্ভুল বিচারক মহান আল্লাহ তাআলা। সুতরাং আমরা নির্ভুল বিচারক আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করব এবং এমন আমলের প্রতি আগ্রহী হবো, যা আমাদেরকে দুনিয়ার কারাগার থেকে মুক্ত করে সুবিশাল আখিরাতের দিকে নিয়ে যাবে। দুনিয়ার নগণ্য বস্তু ও এর আমোদ-প্রমোদে আমরা লিপ্ত হব না। তা হলে নিঃসন্দেহে আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি এবং তাঁর প্রতিদান ও সন্তুষ্টির আকাঙ্ক্ষা আমাদের মাথায় চেপে বসবে। তা থেকে আমরা কখনও উদাসীন হব না।
[১৪৫-১৪৬]
.

মুমিনের কোনোকিছুই বৃথা যায় না
মানুষ একের-পর-এক মুসিবতে লিপ্ত হয়। ফলে তাদের মনে হয়, সবকিছু নষ্ট হয়ে গেল। সময়, সম্পদ, পরিশ্রম, মন-মেজাজ ও স্বাস্থ্য সবই নষ্ট হলো। কিন্তু একজন মুমিন মনে করে আল্লাহর কাছে কিছুই নষ্ট হয় না। সবকিছুই লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়।
আল্লাহ তাআলা বলেন, তুমি সবর কর, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ইহসানকারীদের প্রতিদান নষ্ট করেন না। -হূদ ১১:১১৫
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির উপর যে কষ্ট ক্লেশ, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানী আসে, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে ফুটে, এ সবের মাধ্যমে আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন। -বুখারী ৫৬৪২
সুতরাং হে বিপদগ্রস্ত ভাই ও বোনেরা, নিরাশ হবেন না। ধৈর্য ধরুন। কারণ ধন-সম্পদ, সময় ও স্বাস্থ্য সবকিছুর জন্য সর্বোত্তম ওষুধ ধৈর্য। এগুলো হাতছাড়া হলে চিন্তিত হবেন না। বরং যেদিন কোনো দিরহাম-দীনার থাকবে না; থাকবে কেবল ভালো ও মন্দ আমল, সেদিন এগুলো আপনার জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
[২:১৪৬]

বিপদ যখন নিয়ামত ১

সবর: ইসলামি পরিভাষায় আরবি শব্দ 'সবর' এর অর্থ হচ্ছে, 'হতাশা ও দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হওয়া থেকে বিরত থাকা, অভিযোগ করা থেকে জিহ্বাকে নিবৃত্ত রাখা এবং দুঃখ-দুর্দশার সময় মুখে আঘাত করা কিংবা শরীরের কাপড় ছিঁড়ে ফেলা থেকে নিজের হাতকে সংযত রাখা।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সবরের চেয়ে উত্তম ও ব্যাপক কোন নি‘আমত কাউকে দেয়া হয়নি। -বুখারী ১৪৬৯

কেবল ধৈর্যশীলদেরকেই তাদের প্রতিদান পূর্ণরূপে দেয়া হবে কোন হিসাব ছাড়াই। -আয-যুমার ৩৯:১০

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ প্রথম আঘাতেই ধৈর্য ধারণ করতে হয়। -বুখারী ৬৬৬৯
.

ইহতিসাব: প্রত্যেক দুঃখ-দুর্দশার সময় আল্লাহর নিকট হতে সওয়াবের প্রত্যাশা করাকে ইহতিসাব বলে। যত বেশি কষ্ট-যাতনা হোক না কেন, আল্লাহর নিকট হতে এর বিনিময়ে ক্ষমা ও মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে ইহতিসাব।
মহান আল্লাহ্ বলেছেনঃ হে বনী আদম! যদি তুমি সওয়াবের আশায় প্রথম আঘাতেই ধৈর্য ধারণ করো তাহলে আমি তোমাকে সওয়াবের বিনিময় হিসাবে জান্নাত দান না করে সন্তুষ্ট হবো না। -ইবনে মাজাহ ১৫৯৭

আল্লাহ তাআলা বলেন, আর যারা ঈমান আনে তাদের জন্য আল্লাহ ফির’আউনের স্ত্রীর উদাহরণ পেশ করেন, যখন সে বলেছিল, ‘হে আমার রব, আপনার কাছে আমার জন্য জান্নাতে একটি বাড়ি নির্মাণ করুন এবং আমাকে ফির’আউন ও তার কর্ম হতে নাজাত দিন, আর আমাকে নাজাত দিন যালিম সম্প্রদায় হতে।' -আত-তাহরীম ৬৬:১১
.

ইসতিরজা ইহতিসাব: বিপদের সম্মুখীন হয়েও আল্লাহর প্রভুত্বের ঘোষণা দেওয়া ও আল্লাহর নিকট নিজেকে সম্পূর্ণভাবে সঁপে দেওয়াকে ইস্তিরজা বলে। ইস্তিরজা হচ্ছে বিপদসংকুল অবস্থায় 'ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন' বলা; অর্থাৎ 'নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাব।'
আল্লাহ তাআলা বলেন, আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও। -আল-বাকারা ২:১৫৫
যারা, তাদেরকে যখন বিপদ আক্রান্ত করে তখন বলে, নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। -আল-বাকারা ২:১৫৬

উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: কোন মুসলিমের ওপর মুসীবাত আসলে যদি সে বলেঃ আল্লাহ যা হুকুম করেছেন- "ইন্না- লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলায়হি র-জিউন” বলে এবং এ দু’আ পাঠ করে- “আল্ল-হুম্মা’ জুৱনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খয়রাম মিনহা- ইল্লা- আখলাফাল্ল-হু লাহ খয়রাম মিনহা-” [হে আল্লাহ! আমাকে আমার মুসীবাতে সাওয়াব দান কর এবং এর বিনিময়ে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান কর, তবে মহান আল্লাহ তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করে থাকেন।]।
উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ ইনতিকাল করেন, আমি মনে মনে ভাবলাম, কোন মুসলিম আবূ সালামাহ থেকে উত্তম? তিনি সর্বপ্রথম ব্যক্তি, যিনি হিজরত করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পৌছে গেছেন। এতদসত্ত্বেও আমি এ দু’আগুলো পাঠ করলাম। এরপর মহান আল্লাহ আবূ সালামার স্থলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মতো স্বামী দান করেছেন। উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) বলেন, আমার নিকট রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিয়ের পয়গাম পৌছাবার উদ্দেশে হাতিব ইবনু আবূ বালতা’আহ-কে পাঠালেন। আমি বললাম, আমার একটা কন্যা আছে আর আমার জিদ বেশী। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার কন্যা সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে দুআ করব যাতে তিনি তাকে তার কন্যার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন। আর (তার সম্পর্কে) দু’আ করব যেন আল্লাহ তার জিদ দূর করে দেন।
-মুসলিম ২০১১
.
শাকওয়াহ: শাকওয়াহ অর্থ অভিযোগ করা, নালিশ জানানো। শাকওয়াহ দুই ধরনের-

১. প্রথম ধরনের শাকওয়াহ হলো আল্লাহর কাছে নিজের দুঃখ-কষ্ট পেশ করা। এটি সবরের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। পবিত্র কুরআনে এ ধরনের শাকওয়াহ-র অনেক উদাহরণ পাওয়া যায়।
ইয়াকূব আ. বলেছিলেন, আমি আল্লাহর কাছেই আমার দুঃখ বেদনার অভিযোগ জানাচ্ছি। -ইউসুফ ১২:৮৬

২. আরেক ধরনের শাকওয়াহ হচ্ছে মানুষের নিকট নালিশ করা। এটি হতে পারে প্রত্যক্ষভাবে কথার দ্বারা অথবা পরোক্ষভাবে আচার-আচরণ বা কাজের দ্বারা, যেমন : বিবর্ণ পোশাক পরিধান করা, মাথা মুণ্ডানো, হতাশা প্রকাশ করা ইত্যাদি কাজের দ্বারা। এ-ধরনের শাকওয়াহ হচ্ছে সবরের সাথে সাংঘর্ষিক। এ-ধরনের শাকওয়াহ আল্লাহর ফায়সালার ওপর অসন্তুষ্টি ও অনাস্থা প্রকাশ করে এবং তাঁর প্রতি ঈমানের দৃঢ়তার অভাব প্রমাণ করে।
তবে নিজের আপনজনকে নিজের দুঃখ-দুর্দশার কথা জানানো দোষের কিছু নয়।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে প্রবেশ করলাম। তখন তিনি ভীষণ জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। আমি তাঁর গায়ে আমার হাত বুলালাম এবং বললাম ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি কঠিন জ্বরে আক্রান্ত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন হ্যাঁ! আমি এমন কঠিন জ্বরে আক্রান্ত হই, যা তোমাদের দু’জনের হয়ে থাকে। আমি বললাম এটা এ জন্য যে, আপনার জন্য প্রতিদানও হল দ্বিগুন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন হ্যাঁ! এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে কোন মুসলিম ব্যাক্তির উপর কোন যন্ত্রণা, রোগ ব্যাধি বা এ ধরনের অন্য কিছু আপতিত হলে তাতে আল্লাহ তার গুনাহগুলো ঝরিয়ে দেন, যে ভাবে গাছ তার পাতাগুলো ঝরিয়ে ফেলে। -বুখারী ৫২৫৮
[৩৭-৪২]
.

আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কিছুই হয় না
একদা আলি ইবনু আবী তালিব মাসজিদে গেলেন। তাঁর সাথে একটি ঘোড়া ছিল। তিনি মাসজিদের ভেতরে প্রবেশের পূর্বে এক লোককে ঘোড়াটি দিলেন এবং বললেন, ঘোড়াটি যেন সে দেখে রাখে। লোকটি ঘোড়ার লাগাম চুরি করে নিয়ে গেল।
মাসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় আলি ভাবলেন, লোকটিকে ঘোড়া দেখে রাখার জন্যে চার দিনার মজুরি দিবেন। তিনি বাইরে বের হয়ে দেখলেন ঘোড়ার লাগাম হারিয়ে গেছে। তিনি তাঁর সেবককে বললেন, "এই চার দিনার দিয়ে আমার জন্যে বাজার থেকে একটি লাগাম নিয়ে এসো।"
সেবক বাজারে গিয়ে দেখল যে এক ব্যক্তি লাগাম বিক্রি করছে। এ ছিল সেই ব্যক্তি যে লাগামটি চুরি করেছিল। সেবকটি ওই ব্যক্তির কাছে থেকেই দামাদামি করে চার দিনারে লাগাম কিনে নিয়ে এল।
একবার ভাবুন তো, লোকটি একটু অপেক্ষা করলেই বৈধভাবে চার দিনারই পেত। কিন্তু সে তাড়াহুড়ো করল। হারাম পন্থায় চুরির মাধ্যমে একই টাকা হাতিয়ে নিল। বোঝার ব্যাপার হচ্ছে, যা আপনার ভাগ্যে আছে তা আপনারই হবে। এই চার দিনার লোকটির তাকদীরে ছিল। কিন্তু সে চুরির মাধ্যমে তা নিল। তাই আমি আপনাদের ধৈর্যধারণ করার উপদেশ দেবো। যা আপনার ভাগ্যে আছে, তা আপনি ঘুমিয়ে থাকলেও আপনার কাছে আসবে। সবর করুন, আর বেশি বেশি দুআ করুন।
[৫২-৫৩]
.

দুআর শক্তি
একদা ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) শামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন।
রাত্রিযাপনের জন্যে তিনি একটি মাসজিদে প্রবেশ করলেন। মাসজিদের পাহারাদার বলল, অনেক রাত হয়ে গেছে, এখন মাসজিদ ছাড়তে হবে। মাসজিদ বন্ধ করার সময় হয়ে গিয়েছিল। ইমাম আহমাদ পাহারাদারকে জানালেন যে, তাঁর আর রাত কাটানোর জায়গা নেই, তবুও পাহারাদার তাঁকে উঠে যাবার জন্য জোর করছিল। তিনি তার জিনিসিপত্র নিয়ে বেরিয়ে এসে মাসজিদের সিঁড়িতে শুয়ে পড়লেন। পাহারাদার বাইরে বেরিয়ে ইমাম আহমাদ (রহঃ)-কে সিঁড়ি থেকে উঠে যেতে বলল। অতঃপর পাহারাদার ইমাম আহমাদ (রহঃ)-এর পা ধরে টেনে-হিঁচড়ে তাঁকে রাস্তার মাঝখানে ফেলে রেখে চলে গেল।
রাস্তার পাশেই এক ধার্মিক রুটিওয়ালার দোকান ছিল। সে ইমাম আহমাদ (রহঃ)-কে দেখে নিজের সাথে রাতে থেকে যেতে বলল। সে রাতভর রুটি বানায় তাই ইমাম আহমাদ (রহঃ) তার স্থানে ঘুমোতে পারবেন।
রাতে ইমাম আহমাদ (রহঃ) একটি অভাবনীয় দৃশ্য দেখলেন। রুটিওয়ালা রাতভর কাজ করছিল। সে ময়দা গোলে রুটির খামির বানাচ্ছিল আবার কখনও-বা রুটি সেকছিল। কিন্তু এসব কাজের মধ্যেও সে রাতভর আল্লাহর যিকর করে যাচ্ছিল, তাসবিহ জপছিল। ইমাম আহমাদ (রহঃ) তা দেখে বিস্মিত হলেন।
এই লোকটি রাতভর আল্লাহর যিকর করছিল। অথচ, আজকাল মানুষ কত তাড়াতাড়ি যিকর করে ক্লান্ত হয়ে যায়। ইমাম আহমাদ (রহঃ) রুটিওয়ালার কাছে জানতে চাইলেন যে, কদিন ধরে সে এই আমল করে যাচ্ছে। রুটিওয়ালা জবাব দিলো যে, সে জীবনভর এই আমল করে আসছে।
ইমাম আহমাদ (রহঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এই আমলের কোনো ফল সে পেয়েছে কি না। লোকটি তখন যে জবাব দিলো, তা শুনে ইমাম আহমাদ (রহঃ) হতবিহ্বল হয়ে গেলেন। রুটিওয়ালা জবাব দিলো, "আমি আল্লাহর কাছে কোনো দুআ করেছি আর আল্লাহ তা কবুল করেননি, এমন কখনও হয়নি, শুধুমাত্র একটি দুআ বাদে।" ইমাম আহমাদ (রহঃ) তখন জিজ্ঞেস করলেন, "আপনার কোন দুআটি কবুল হয়নি?"
রুটিওয়ালা জবাব দিলো যে, সে আল্লাহর কাছে দুআ করত যেন ইমাম আহমাদের সাথে তার দেখা হয়। কিন্তু সেই দুআটি এখনও কবুল হয়নি।
এ কথা শুনে ইমাম আহমাদ কেঁদে ফেললেন। তিনি রুটিওয়ালাকে বললেন, "সুবহানাল্লাহ! তিনিই তো হচ্ছেন আল্লাহ... তিনি আমাকে টেনে-হিঁচড়ে তোমার দোকানে এনে ফেলেছেন, যেন আল্লাহ আমাকে দিয়ে তোমার দুআ কবুল করাতে পারেন।"
[৬০-৬১]
.

বিষন্নাতার ১৫টি প্রতিষেধক
আল্লাহ তাআলা হয়তো আপনাকে বিপদ দিয়েছেন তার চেয়েও বড় কোনো বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য। আপনার ব্যাপারে যা পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেটা অনুমান করাও আপনার পক্ষে অসম্ভব।
আলেমরা এক রাজা আর তার মন্ত্রীর কথা প্রায়শই বর্ণনা করে থাকেন। মন্ত্রী হিলেন একজন সৎকর্মপরায়ণ ব্যক্তি, যিনি বিপদ এলেই এই কথাটির পুনরাবৃত্তি
"আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন।"
একদিন একসাথে খাওয়ার সময় রাজা তার হাত খুব বাজেভাবে কেটে ফেললেন। সব সময়কার মতোই মন্ত্রী বলে উঠলেন, "আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন।"
রাজা মশায় মন্ত্রীর কথায় খুব অপমানিত বোধ করলেন। তিনি ভাবলেন, মন্ত্রী তার এমন দুর্দশায় মজা নিচ্ছে। তাই তিনি রাগে-ক্ষোভে মন্ত্রীকে বন্দি করলেন। মন্ত্রী তার বন্দিত্বের ব্যাপারেও 'আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন'-বলে প্রতিক্রিয়া দেখালেন।
রাজা তার বিনোদনের বেশিরভাগ সময়ই মন্ত্রীর সাথে শিকারে কাটাতেন। কিন্তু মন্ত্রী জেলে বন্দি হবার পর তিনি একাই শিকারে গেলেন। তিনি শিকারের পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে কখন যে নিজের সীমানা পেরিয়ে মূর্তিপূজারিদের সীমানায় গিয়ে পৌঁছলেন, সেটা টেরও পেলেন না। তারা তাকে ধরে ফেলল, এরপর বন্দি করল।
তার পর তাদের সবচেয়ে বড় দেবতার উদ্দেশ্যে বলি দেবার জন্য নিয়ে গেল। তাকে মাটিতে শুইয়ে যেই ছুরি দিয়ে গলাটা কাটতে গেল, তখনই রাজার হাতের জখম ভাদের দৃষ্টিগোচর হলো। আর এই খুঁতের কারণে তারা তাকে বলি দেওয়ার অযোগ্য মনে করে ছেড়ে দিলো।
রাজা তার প্রাসাদে ফিরলেন। তিনি অনুধাবন করতে পারলেন-'আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন।' তাই রাজা তৎক্ষণাৎ মন্ত্রীকে মুক্ত করে দিলেন এবং সম্পূর্ণ ঘটনা তাকে খুলে বললেন। তিনি মন্ত্রীকে বললেন, "জখমের মাধ্যমে আমার কী কল্যাণ হয়েছিল, এখন আমি তা বুঝতে পারছি। কিন্তু তোমাকে বন্দি করার সময় ও তুমি বলেছিলে 'আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন', এই বন্দিত্বের মধ্যে কী কল্যাণ ছিল তোমার জন্য?"
জবাবে মন্ত্রী জানতে চাইলেন, "শিকারের সময় সচরাচর কে আপনার সাথে থাকত?" রাজা বললেন, "তুমি।" মন্ত্রী তখন বললেন, "আমাকে যদি বন্দি না করতেন তবে আজকেও আপনার সাথে আমি থাকতাম, আর তখন আপনার বদলে আমাকেই বলি দেওয়া হতো।"
যখনই আপনি কোনো দুর্বিপাকে পতিত হন, 'আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন'-বাক্যটিকে আপনার স্লোগানে পরিণত করুন। যেহেতু আল্লাহ জানিয়ে দিয়েছেন:২:২১৬
[১:৮০-৮১]

বহুল-ব্যবহৃত আরবি বাক্যাংশের অর্থ ও প্রয়োগ

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
আল্লাহ তাঁর উপর করুণা ও শান্তি বর্ষণ করুন!
মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নামের পর ব্যবহৃত হয়।

আলাইহিস সালাম।
তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক!
সাধারণত নবিদের নামের পর ব্যবহৃত হয়।

আলাইহাস সালাম।
তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক!
মহীয়সী নারীর নামের পর ব্যবহৃত হয়।

আলাইহিমাস সালাম
উভয়ের উপর শান্তি বর্ষিত হোক!
দুজন নবির নাম একসাথে এলে, শেষোক্ত নামের পর ব্যবহৃত হয়।

আলাইহিমুস সালাম।
তাঁদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক!
দুয়ের অধিক নবির নাম একসাথে এলে, শেষোক্ত নামের পর ব্যবহৃত হয়।

রদিয়াল্লাহু আনহু।
আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন!
সাহাবির নামের পর ব্যবহৃত হয়।

রদিয়াল্লাহু আনহা
আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন!
মহিলা সাহাবির নামের পর ব্যবহৃত হয়।

রদিয়াল্লাহু আনহুমা
আল্লাহ উভয়ের উপর সন্তুষ্ট হোন!
দুজন সাহাবির নাম একসাথে এলে, শেষোক্ত নামের পর ব্যবহৃত হয়।

রদিয়াল্লাহু আনহুম
আল্লাহ তাঁদের উপর সন্তুষ্ট হোন!
দুয়ের অধিক সাহাবির নাম একসাথে এলে, শেষোক্ত নামের পর ব্যবহৃত হয়।

রদিয়াল্লাহু আনহুন্না
আল্লাহ তাঁদের উপর সন্তুষ্ট হোন!
দুয়ের অধিক মহিলা সাহাবির নাম একসাথে এলে, শেষোক্ত নামের পর ব্যবহৃত হয়।

রহিমাহুল্লাহ।
আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন!
যে কোনো সৎ ব্যক্তির নামের পর ব্যবহৃত হয়।

সংজ্ঞা পরিভাষা

কোনো বিনিময় ছাড়া কাউকে কিছুর মালিক বানিয়ে দেওয়া কে হাদিয়া বলে।
.

হাদীস
যে কথা, কর্ম, অনুমোদন বা বিবরণকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বলে প্রচার করা হয়েছে বা দাবী করা হয়েছে তাই হাদীস বলে পরিচিত।

সাহাবীগণ ও তাবিয়ীগণের কথা, কর্ম ও অনুমোদনকেও হাদীস বলা হয়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কর্ম, কথা, অনুমোদন হিসেবে বর্ণিত হাদীসকে মারফূ হাদীস বলা হয।

সাহাবীগণের কর্ম, কথা বা অনুমোদন হিসেবে বর্ণিত হাদীসকে মাউকূফ হাদীস বলা হয়।

তাবিয়ীগণের কর্ম, কথা বা অনুমোদন হিসেবে বর্ণিত হাদীসকে মাকতূ হাদীস বলা হয়।
.

সুন্নাত
ইসলামী শরীয়তে ব্যবহারের দিক থেকে 'সুন্নাত' শব্দের দুই ধরনের প্রয়োগ রয়েছে:

১. সুন্নাতের প্রথম ও পুরাতন প্রয়োগ হলো রাসূলে আকরাম-এর সকল প্রকারের নির্দেশ, কথা, কর্ম, অনুমোদন বা এক কথায় তাঁর সামগ্রিক জীবনাদর্শ। মূলত হাদীস শরীফে ও সাহাবী-তাবেয়ীদের যুগে 'সুন্নাত' বলতে এই অর্থই বোঝানো হতো। এছাড়া পরবর্তী যুগেও হাদীস চর্চার ক্ষেত্রে ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও 'সুন্নাত' এই অর্থে ব্যবহৃত হয়।

২. সুন্নাতের দ্বিতীয় ও প্রচলিত অর্থ ইসলামী শরীয়তে অত্যাবশ্যকীয় নয়- এরূপ নেক কর্ম। অর্থাৎ, ফরয ও ওয়াজিব এর পরবর্তী, আবশ্যকীয় নয় এরূপ কর্ম, যা করা প্রয়োজন, বা করা উত্তম। সাধারণত এই অর্থটিই আমাদের মধ্যে বহুল ব্যবহৃত।

তিনি যা করেছেন তা করা এবং তিনি যা বর্জন করেছেন তা বর্জন করা সুন্নাত। তাঁর শিক্ষা ও কর্মপদ্ধতির আলোকে ফরযকে ফরয, নফলকে নফল, মুবাহকে মুবাহ, মাকরুহকে মাকরুহ ও হারামকে হারাম হিসাবে গ্রহণ করা সুন্নাত। এর বাইরে কোনো রীতি প্রচলন করাই বিদ'আত।
.

বিদআত হল এমন কাজ, যার ভিত্তি কুরআন-সুন্নাহ ও খাইরুল কুরুনে' নেই, সে কাজকে দীনের কাজ ভেবে করা। -শিব্বির আহমাদ উসমানি

হিজরীবর্ষ

১. মুহাররম (সম্মানিত মাস) (আল্লাহর মাস)

মুহাররমের রোজা: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমযানের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সাওম হচ্ছে আল্লাহর মাস মুহাররমের সাওম। -মুসলিম ২৬২৬
আশুরার রোজা: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আশূরার সাওম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তাতে বিগত বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে। -মুসলিম ২৬১৮
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হিজরত করে) মদিনায় এলেন এবং তিনি ইয়াহুদীদেরকে আশূরার দিন সিয়াম পালন করতে দেখতে পেলেন। এরপর তাদেরকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার পর তারা বলল, এ সে দিন, যে দিন আল্লাহ মূসা (আলাইহিস সালাম) ও বনী ইসরাঈলকে ফির'আউনের উপর বিজয়ী করেছেন। তাই এর সম্মানার্থে আমরা সাওম পালন করে থাকি। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমরা তোমাদের চেয়েও মূসা (আলাইহিস সালাম) এর অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর তিনি এ দিনে সাওম পালন করার নির্দেশ দিলেন। -মুসলিম ২৫২৭
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আশূরার দিন সিয়াম পালন করেন এবং লোকদেরকে সিয়াম পাননের নির্দেশ দেন তখন সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! ইয়াহূদী এবং নাসারা এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে থাকে। এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইনশাআল্লাহ আগামী বছর আমরা নবম তারিখেও সিয়াম পালন করব। বর্ণনাকারী বলেন, এখনো আগামী বছর আসেনি, এমতাবস্থায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইনতেকাল হয়ে যায়। -মুসলিম ২৫৩৭


২. সফর

আখেরি চাহার শোম্বা অর্থ বুধবার। অর্থাৎ সফর মাসের শেষ বুধবার। ১১ হিজরির সফর মাসের শেষভাগে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত অসুস্থ ও পীড়িত হয়ে পড়েন এবং এই মাসের শেষ বুধবার দিন তিনি শরীরে একটু সুস্থতা বোধ করায় গোসল করে কিছুটা প্রশান্তি লাভ করেন। এ দিবস উদযাপন করা বিদআত।


৩. রবিউল আউয়াল

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী


৪. রবিউল আখির

ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম: 'ইয়াজদহম' অর্থ ১১। রবিউস সানির ১১ তারিখে বড়পির আবদুল কাদির জিলানি রাহ. এর মৃত্যুদিবস উপলক্ষে কৃত ফাতিহা বা ইসালে সাওয়াব মাহফিল। এ দিবস উদযাপন করা বিদআত।


৫. জুমাদাল উলা


৬. জুমাদাল আখিরাহ


৭. রজব (সম্মানিত মাস)

শবে মিরাজ: (২৭ রজব) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণকে এ উপলক্ষে বিশেষ কোন আমলের নির্দেশ দেননি। এ উপলক্ষে ইবাদত করা বিদাত।


৮. শাবান

শাবানের রোযা: আয়িশা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাওম সম্পর্কে বলেন, আমি তাঁকে শাবান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসে এত অধিক (নফল) সাওম পালন করতে দেখিনি। তিনি যেন গোটা শাবান মাসই সাওম পালন করতেন। তিনি সামান্য (কয়টি দিন) ব্যতীত গোটা শাবান মাস সাওম পালন করতেন। -মুসলিম ২৫৯৩
শবে বরাত: (১৫ শাবান) লাইলাতুন নিসফি মিন শা'বান বা মধ্য শা'বানের রজনীর তাৎপর্য বিবেচনায় আলিমরা একে শবে বারাআহ বা মুক্তির রজনী বলে নামকরন করেছেন।


৯. রমযান (১২ মাসের শ্রেষ্ঠ মাস)

রমযানের রোযা: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, প্রতি মাসে তিন দিন এবং গোটা রমযান মাস সাওম পালন করাই হল সারা বছর সাওম পালনের সমতুল্য। -মুসলিম ২৬১৮
তারাবীহ: তারাবির সালাত জামাআতের সঙ্গে আদায় করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। তারাবির সালাতে অন্তত একবার কুরআন খতম করা সুন্নাত। তারাবির ইমামকে প্রদেয় অর্থ ইবাদতের বিনিময় বা উজরত।
লাইলাতুল কদর
যাকাত ও উশর
ঈদুল ফিতর ও সাদাকাতুল ফিতর


১০. শাওয়াল

শাওয়ালের রোজা: যে ব্যাক্তি রমযান মাসের সিয়াম পালন করল, তারপর শাওয়াল মাসে ছয় দিনকে তার অনুগামী করল (৬টি রোযা পালন করল), সে যেন সারা বছর রোযা রাখল। -মুসলিম ২৬২৯


১১. যিলকদ (সম্মানিত মাস)


১২. যিলহজ্ব (সম্মানিত মাস)

জিলহজের প্রথম দশক: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিলহজ মাসের নয় তারিখ পর্যন্ত সওম রাখতেন। -আবূ দাউদ ২৪৩৭
আরাফার রোযা: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আরাফাত দিবসের সাওম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে। -মুসলিম ২৬১৮
তাকবিরে তাশরিক
ঈদুল আযহা ও কুরবানী
হজ ওমরা
.

জুমুআ

চাঁদ